ঢাকা , সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আল্লাহ আমার ধৈর্যের পরীক্ষা নিচ্ছেন, নির্বাচন পর্যন্ত তা ধরে রাখতে চাই : মির্জা আব্বাস

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৮ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী মির্জা আব্বাস বলেছেন, ‘আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে দিয়ে আল্লাহ আমার ধৈর্যের পরীক্ষা নিচ্ছেন। আমি যেন নির্বাচনের দিন, ১২ তারিখ পর্যন্ত ধৈর্য ধরে থাকতে পারি—এই দোয়া চাই।’

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর আরামবাগে গণসংযোগকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

পরে তিনি ফকিরাপুল এলাকায় গণসংযোগ করেন।

বিকেলে তিনি কমলাপুর কালভার্ট রোড থেকে বাবে রহমত উটখামার পর্যন্ত নির্বাচনী প্রচারণা চালান। সন্ধ্যার সময় সিদ্ধেশ্বরী কলেজের আশপাশে গণসংযোগ করেন। রাতে তিনি বঙ্গভবন স্টাফ কোয়ার্টারে গণসংযোগ করবেন।

তিনি বলেন, ‘আমি যেন অশান্তিতে থাকি, এমন একটি পরিবেশ সৃষ্টি করা হচ্ছে।

আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী এমন কিছু অশালীন কথা বলছেন, যাতে এখানে মারামারি হয়। আমি তো ওই দিকে যাব না। তারা নির্বাচনে সিনক্রিয়েট করার অনেক চেষ্টা করছে।’

মির্জা আব্বাস অভিযোগ করে বলেন, ‘নির্বাচন বানচালের জন্য কয়েকটি দল পরিকল্পিতভাবে কাজ করছে এবং ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে ফল পরিবর্তনের চেষ্টা করা হতে পারে।’

তার দাবি, নিজেরা যা করবে, তার দায় অন্য দলের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। কারণ তাদের সমর্থিত দল এখন ক্ষমতায় রয়েছে।

যাদের দেশ পরিচালনার কোনো অভিজ্ঞতা নেই, তারা কিভাবে ১২ তারিখের পর ক্ষমতায় এসে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন—তা নিয়েই প্রশ্ন তোলেন মির্জা আব্বাস। তার মতে, ‘এই সাহস তারা পেয়েছে, কারণ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় তাদের লোক বসানো আছে। যারা প্রয়োজন হলে তাদের ইচ্ছেমতো নির্বাচনের ফল ম্যানিপুলেট করার কাজ করবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

আল্লাহ আমার ধৈর্যের পরীক্ষা নিচ্ছেন, নির্বাচন পর্যন্ত তা ধরে রাখতে চাই : মির্জা আব্বাস

আপডেট টাইম : ০৫:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৮ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী মির্জা আব্বাস বলেছেন, ‘আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে দিয়ে আল্লাহ আমার ধৈর্যের পরীক্ষা নিচ্ছেন। আমি যেন নির্বাচনের দিন, ১২ তারিখ পর্যন্ত ধৈর্য ধরে থাকতে পারি—এই দোয়া চাই।’

রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর আরামবাগে গণসংযোগকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

পরে তিনি ফকিরাপুল এলাকায় গণসংযোগ করেন।

বিকেলে তিনি কমলাপুর কালভার্ট রোড থেকে বাবে রহমত উটখামার পর্যন্ত নির্বাচনী প্রচারণা চালান। সন্ধ্যার সময় সিদ্ধেশ্বরী কলেজের আশপাশে গণসংযোগ করেন। রাতে তিনি বঙ্গভবন স্টাফ কোয়ার্টারে গণসংযোগ করবেন।

তিনি বলেন, ‘আমি যেন অশান্তিতে থাকি, এমন একটি পরিবেশ সৃষ্টি করা হচ্ছে।

আমার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী এমন কিছু অশালীন কথা বলছেন, যাতে এখানে মারামারি হয়। আমি তো ওই দিকে যাব না। তারা নির্বাচনে সিনক্রিয়েট করার অনেক চেষ্টা করছে।’

মির্জা আব্বাস অভিযোগ করে বলেন, ‘নির্বাচন বানচালের জন্য কয়েকটি দল পরিকল্পিতভাবে কাজ করছে এবং ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে ফল পরিবর্তনের চেষ্টা করা হতে পারে।’

তার দাবি, নিজেরা যা করবে, তার দায় অন্য দলের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। কারণ তাদের সমর্থিত দল এখন ক্ষমতায় রয়েছে।

যাদের দেশ পরিচালনার কোনো অভিজ্ঞতা নেই, তারা কিভাবে ১২ তারিখের পর ক্ষমতায় এসে দেখে নেওয়ার হুমকি দেন—তা নিয়েই প্রশ্ন তোলেন মির্জা আব্বাস। তার মতে, ‘এই সাহস তারা পেয়েছে, কারণ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় তাদের লোক বসানো আছে। যারা প্রয়োজন হলে তাদের ইচ্ছেমতো নির্বাচনের ফল ম্যানিপুলেট করার কাজ করবে।