ঢাকা , রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চট্টগ্রামে পানিবন্দি মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই দেশে বিপুল কর্মক্ষম জনসংখ্যা রয়েছে, যা বিশ্বের কোথাও নেই : শিক্ষামন্ত্রী সুভাষচন্দ্র বসু বিমানবন্দর থেকে সরানো হচ্ছে ১৩৬ বছরের পুরোনো মসজিদ গণভোট বাস্তবায়নে সরকারকে বাধ্য করব: জামায়াত আমির ঢাকা মেডিকেল দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ চিকিৎসা শিক্ষা কেন্দ্র হবে : ডা. জুবাইদা রহমান অপতথ্যের বড় লক্ষ্যবস্তু বিএনপি-তারেক রহমান ‘২ লাখ ৪২ হাজার বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাচ্ছে মালয়েশিয়া’— দাবিটি বিভ্রান্তিকর এক ঘণ্টায় হাজারো রুটি, কেরানীগঞ্জ কারাগারে অত্যাধুনিক মেশিনের চমক এআই নিয়ে গবেষণার পরিবেশ সৃষ্টিতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে: আইসিটি মন্ত্রী চার বছর পর মুখ খুললেন পরীমণি, জানালেন বেআইনিভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল

ভূমিকম্পে কাঁপল দেশ, উৎপত্তিস্থল সাতক্ষীরা

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টা ৫৩ মিনিটে এ কম্পন অনুভূত হয়।

ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল সাতক্ষীরার আশাশুনি। ভূমিকম্পে সাতক্ষীরায় মানুষ শক্ত ঝাঁকুনি অনুভব করেছেন বলে জানা গেছে।

ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূমিকম্প কেন্দ্র (ইএমএসসি) ওয়েবসাইট অনুযায়ী, রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৩।

সংস্থাটি জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল খুলনা জেলা শহর থেকে ৪৭ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং সাতক্ষীরা থেকে ১৮ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে। এর গভীরতা ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ৩৫ কিলোমিটার।

রাজধানী ঢাকা ছাড়াও দেশের বিভিন্ন দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় জেলা এবং পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের কিছু এলাকাতেও এ কম্পন অনুভূত হয়েছে।

তাৎক্ষণিকভাবে এ ভূমিকম্পে কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

ফেব্রুয়ারির শুরু থেকেই দেশে একের পর এক ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে। ১ ফেব্রুয়ারি সিলেটে ৩ মাত্রার একটি মৃদু ভূমিকম্প দিয়ে শুরু হয় কম্পনের ধারাবাহিকতা। এরপর ৩ ফেব্রুয়ারি একই দিনে তিন দফা ভূকম্পন অনুভূত হয়। সেদিন সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ৪.১ মাত্রার একটি কম্পন রেকর্ড করা হয়। একই সময়ে মিয়ানমারে ৫.৯ ও ৫.২ মাত্রার দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে, যার প্রভাব দেশেও অনুভূত হয়।

পরবর্তীতে ৯ ও ১০ ফেব্রুয়ারি সিলেটে আরও দুইবার কম্পন টের পাওয়া যায়। সবশেষ ১৯ ফেব্রুয়ারি সুনামগঞ্জের ছাতকে ৪.১ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়। সব মিলিয়ে ফেব্রুয়ারিতে দেশে মোট আটবার ভূকম্পন রেকর্ড হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামে পানিবন্দি মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই

ভূমিকম্পে কাঁপল দেশ, উৎপত্তিস্থল সাতক্ষীরা

আপডেট টাইম : ১১:১৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টা ৫৩ মিনিটে এ কম্পন অনুভূত হয়।

ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল সাতক্ষীরার আশাশুনি। ভূমিকম্পে সাতক্ষীরায় মানুষ শক্ত ঝাঁকুনি অনুভব করেছেন বলে জানা গেছে।

ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূমিকম্প কেন্দ্র (ইএমএসসি) ওয়েবসাইট অনুযায়ী, রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৩।

সংস্থাটি জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল খুলনা জেলা শহর থেকে ৪৭ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং সাতক্ষীরা থেকে ১৮ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে। এর গভীরতা ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে ৩৫ কিলোমিটার।

রাজধানী ঢাকা ছাড়াও দেশের বিভিন্ন দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় জেলা এবং পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের কিছু এলাকাতেও এ কম্পন অনুভূত হয়েছে।

তাৎক্ষণিকভাবে এ ভূমিকম্পে কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

ফেব্রুয়ারির শুরু থেকেই দেশে একের পর এক ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে। ১ ফেব্রুয়ারি সিলেটে ৩ মাত্রার একটি মৃদু ভূমিকম্প দিয়ে শুরু হয় কম্পনের ধারাবাহিকতা। এরপর ৩ ফেব্রুয়ারি একই দিনে তিন দফা ভূকম্পন অনুভূত হয়। সেদিন সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ৪.১ মাত্রার একটি কম্পন রেকর্ড করা হয়। একই সময়ে মিয়ানমারে ৫.৯ ও ৫.২ মাত্রার দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে, যার প্রভাব দেশেও অনুভূত হয়।

পরবর্তীতে ৯ ও ১০ ফেব্রুয়ারি সিলেটে আরও দুইবার কম্পন টের পাওয়া যায়। সবশেষ ১৯ ফেব্রুয়ারি সুনামগঞ্জের ছাতকে ৪.১ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প অনুভূত হয়। সব মিলিয়ে ফেব্রুয়ারিতে দেশে মোট আটবার ভূকম্পন রেকর্ড হয়েছে।