ঢাকা , সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চালু হচ্ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের র‍্যাংকিং ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মানোন্নয়নের লক্ষ্যে র‍্যাংকিং ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি জানান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার পরিবেশ, পরিচালনা ব্যবস্থা ও ফলাফলের মতো সুনির্দিষ্ট কিছু সূচকের ভিত্তিতে এই র‍্যাংকিং নির্ধারণ করা হবে।

Primary & Secondary Schooling (K-12)

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদফতরের (ডিআইএ) কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এ তথ্য জানান মন্ত্রী।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আর্থিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি উল্লেখ করে মন্ত্রী এহছানুল হক মিলন বলেন, জিয়াউর রহমান স্বল্প সময়ের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকাকালে শিক্ষকদের জন্য ৫০ শতাংশ বেতন চালু করেছিলেন। একই সঙ্গে তিনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অডিট ব্যবস্থারও সূচনা করেন, যা শিক্ষা প্রশাসনে শৃঙ্খলা ও জবাবদিহিতার একটি শক্ত ভিত তৈরি করেছিলো।

শিক্ষাব্যবস্থায় দুর্নীতি ও অনিয়ম প্রতিরোধে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদফতরের ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অন্যতম পবিত্র দায়িত্ব হলো তদারকি ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। কর্মকর্তাদের অত্যন্ত সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে এই দায়িত্ব পালন করতে হবে।’

বর্তমান বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী মিলন সরকারি দফতরগুলোকে মিতব্যয়ী হওয়ার নির্দেশ দেন।

তিনি বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে কর্মকর্তাদের বিদ্যুৎ ব্যবহারে সংযমী হতে হবে এবং অফিশিয়াল কার্যক্রমে গাড়ি শেয়ারিং করতে হবে। এছাড়া এসি ব্যবহারের ক্ষেত্রে নির্ধারিত তাপমাত্রা বজায় রাখার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন মন্ত্রী।

সভায় উপস্থিত ছিলেন পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদফতরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

চালু হচ্ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের র‍্যাংকিং ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী

আপডেট টাইম : ০৮:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মানোন্নয়নের লক্ষ্যে র‍্যাংকিং ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি জানান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার পরিবেশ, পরিচালনা ব্যবস্থা ও ফলাফলের মতো সুনির্দিষ্ট কিছু সূচকের ভিত্তিতে এই র‍্যাংকিং নির্ধারণ করা হবে।

Primary & Secondary Schooling (K-12)

বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদফতরের (ডিআইএ) কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এ তথ্য জানান মন্ত্রী।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আর্থিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি উল্লেখ করে মন্ত্রী এহছানুল হক মিলন বলেন, জিয়াউর রহমান স্বল্প সময়ের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকাকালে শিক্ষকদের জন্য ৫০ শতাংশ বেতন চালু করেছিলেন। একই সঙ্গে তিনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অডিট ব্যবস্থারও সূচনা করেন, যা শিক্ষা প্রশাসনে শৃঙ্খলা ও জবাবদিহিতার একটি শক্ত ভিত তৈরি করেছিলো।

শিক্ষাব্যবস্থায় দুর্নীতি ও অনিয়ম প্রতিরোধে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদফতরের ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অন্যতম পবিত্র দায়িত্ব হলো তদারকি ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। কর্মকর্তাদের অত্যন্ত সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে এই দায়িত্ব পালন করতে হবে।’

বর্তমান বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ ও অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী মিলন সরকারি দফতরগুলোকে মিতব্যয়ী হওয়ার নির্দেশ দেন।

তিনি বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে কর্মকর্তাদের বিদ্যুৎ ব্যবহারে সংযমী হতে হবে এবং অফিশিয়াল কার্যক্রমে গাড়ি শেয়ারিং করতে হবে। এছাড়া এসি ব্যবহারের ক্ষেত্রে নির্ধারিত তাপমাত্রা বজায় রাখার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন মন্ত্রী।

সভায় উপস্থিত ছিলেন পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদফতরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।