ঢাকা , বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মালয়েশিয়ায় বেসরকারি খাতে ৬৮ হাজারের বেশি প্রতিবন্ধী চাকরিপ্রার্থী নিয়োগ ভিসা নীতিমালার খসড়া পরিমার্জন ও চূড়ান্তকরণে মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন রাঙামাটির সব প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ বৃহস্পতিবার রোহিঙ্গাদের ফেরাতে আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ানোর তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর বিনা খরচে কর্মী পাঠানোর ঘোষণা, বাস্তবায়নে কতটা আশার আলো চাকরিজীবীদের জন্য দুই দফায় মিলবে যে ছুটি প্রধানমন্ত্রীকে ঢাকার বাইরে রাত না কাটানোর পরামর্শ অলির সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নে ৩ বাহিনীর জন্য বড় পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।  তিনি বলেন, বৃহত্তর বগুড়াতে মনুষ্যবিহীন আকাশযান (ড্রোন) কারখানা স্থাপনের কার্যক্রম গ্রহণ করেছে সরকার। উন্নত ও শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, অত্যাধুনিক নজরদারী প্রযুক্তি সংযোজনের মাধ্যমে সামারিক বাহিনীর উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনায় ‘ফাস্ট ট্র্যাক’ প্রক্রিয়ায় কাজ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বুধবার (৮ জুলাই) জাতীয় সংসদে এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন এমপির প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সংসদে সভাপতিত্ব করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেনাবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে আগামী ১০ বছরে ৮৬ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন। পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে সেনাবাহিনী আরও প্রযুক্তিনির্ভর, বহুমাত্রিক, আত্মনির্ভর ও যুদ্ধোপযোগী বাহিনীতে পরিণত হবে।  জাতীয় প্রতিরক্ষা, সীমান্ত সুরক্ষা এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা পালন করবে। নৌবাহিনীর জন্য আধুনিক ফ্রিগেট, করভেট, অফশোর প্যাট্রোল ভেসেল শ্রেণির যুদ্ধজাহাজ এবং সাবমেরিন সংযোজন করা হবে। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সামরিক শিল্পাঞ্চল (ডিআইজি) স্থাপনের পরিকল্পনা সরকারের বিবেচনাধীন রয়েছে। জাতীয় প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি, বৈদেশিক নির্ভরতা হ্রাস এবং দীর্ঘমেয়াদী প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্পের বিকাশ, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন এবং গবেষণা কার্যক্রম সম্প্রসারণের বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। অধিকতর উন্নত সামরিক প্রযুক্তি, ড্রোন প্রযুক্তি, সেন্সর ব্যবস্থা, ইলেকট্রনিক্স এবং প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনে সক্ষমতা বৃদ্ধির পরিকল্পনা গ্রহণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে জানিয়ে তারেক রহমান বলেছেন, বন্ধুপ্রতীম দেশগুলোর সঙ্গে প্রযুক্তি হস্তান্তর মাধ্যমে প্রতিরক্ষা শিল্পের উন্নয়নের কার্যক্রমও চলছে। নেত্রকোনা-৫ আসনের জামায়াতে ইসলামীন সংসদ সদস্য (এমপি) মাছুম মোস্তফার প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সার্বভৌমত্ব, ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা এবং জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিতে সেনাবাহিনীর সক্ষমতা উন্নয়ন ও আধুনিকায়ন অগ্রাধিকার পাচ্ছে। তিন বছর এবং সাত বছর মেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে সেনাবাহিনীর সামগ্রিক যুদ্ধ সক্ষমতা বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে। কৃষি থেকে শিল্পে রুপান্তর বাংলাদেশের অর্থনৈতিক বিবর্তন এআই অভিনেত্রীকে নিয়ে সিনেমা নির্মাণের ঘোষণা

ক্রেতা কম বাজারে, তারপরও সবজির দাম কমছে না

ঈদুল ফিতরের টানা সাতদিনের ছুটি শেষ হচ্ছে আজ। তবে এখনো অনেকেই রাজধানীতে ফেরেননি। আবার কেউ কেউ ঈদের পরও ঢাকা ছাড়ছেন। তবে মানুষের উপস্থিতি কমলেও কমেনি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম। রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজারে এখনো সবজির দাম তুলনামূলক চড়া। কোথাও ৬০ টাকার নিচে কোনো সবজি পাওয়া যাচ্ছে না।

ঈদের তৃতীয় দিন সোমবার (২৩ মার্চ) রাজধানীর মগবাজার চারুলতা মার্কেট, মধুবাগ কাঁচাবাজার, রামপুরা কাঁচাবাজার, মালিবাগ কাঁচাবাজার, মালিবাগ রেললাইন সংলগ্ন বাজার, শান্তিবাগ কাঁচাবাজার ও শাহজাহানপুর-খিলগাঁও কাঁচাবাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতিটি লাউ বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকায় এবং জালি কুমড়া ৫০ থেকে ৬০ টাকায়। প্রতি কেজি কালো বেগুন ১১০ থেকে ১২০ টাকা, গোল সাদা বেগুন ১০০ টাকা, করলা ১০০ থেকে ১২০ টাকা, ঢেঁড়স ৮০ টাকা, বরবটি ১০০ টাকা, চিচিঙ্গা ৮০ টাকা, উচ্ছে ১০০ টাকা এবং সিম ও পটল ৭০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

jagonews24

এছাড়া সজনে ডাটা বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১৪০ টাকা, কাঁচা মরিচ ১২০ টাকায়। সালাদের উপকরণের মধ্যে টমেটো প্রতি কেজি ৮০ টাকা এবং শসা ৬০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। ধনিয়া পাতা বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা কেজি দরে।

মাংসের বাজারেও রয়েছে চড়া দাম। গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৮৫০ টাকা দরে। খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৩৫০ থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকায়। ব্রয়লার মুরগি ২০০ থেকে ২১০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩৫০ থেকে ৩৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

ডিমের বাজারে প্রতি ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকায়। আর সাদা ডিম ১০০ টাকায় এবং হাঁসের ডিম ২২০ থেকে ২৩‍০ টাকায়।

মাছের বাজারেও তেমন পরিবর্তন নেই। পোয়া মাছ প্রতি কেজি ৩৫০ টাকা, তেলাপিয়া ২২০ থেকে ২৫০ টাকা, পাঙ্গাস ২৪০ থেকে ২৬০ টাকা এবং রুই মাছ ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া ছোট আকারের গলদা চিংড়ি ১ হাজার টাকা এবং বড় আকারের গলদা চিংড়ি ১ হাজার ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। টেংরা মাছ ৭০০ টাকা এবং পাবদা মাছ ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

jagonews24

মালিবাগ কাঁচাবাজারের এক সবজি বিক্রেতা বলেন, ঈদের পর পাইকারি বাজারে সবজির সরবরাহ কিছুটা কমেছে। ফলে যে পণ্য আসছে তার দাম বেশি পড়ছে। সে কারণে খুচরা বাজারেও দাম বেড়েছে। আমরা অতিরিক্ত লাভ করছি না, স্বাভাবিক লাভেই বিক্রি করছি। কাঁচা সবজি বেশিদিন সংরক্ষণ করাও সম্ভব হয় না।

তবে বিক্রেতাদের এ বক্তব্যের সঙ্গে একমত নন ক্রেতা আয়েশা খাতুন। তিনি বলেন, বাজারে পণ্যের কোনো সংকট নেই, বরং ক্রেতাই কম। বাজারে হাতে গোনা কয়েকজন ক্রেতা দেখা যাচ্ছে। তারপরও সবজির দাম কমছে না। মাছ, মাংস ও মুরগির দামও আগের মতোই চড়া রয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

মালয়েশিয়ায় বেসরকারি খাতে ৬৮ হাজারের বেশি প্রতিবন্ধী চাকরিপ্রার্থী নিয়োগ

ক্রেতা কম বাজারে, তারপরও সবজির দাম কমছে না

আপডেট টাইম : ০৬:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬

ঈদুল ফিতরের টানা সাতদিনের ছুটি শেষ হচ্ছে আজ। তবে এখনো অনেকেই রাজধানীতে ফেরেননি। আবার কেউ কেউ ঈদের পরও ঢাকা ছাড়ছেন। তবে মানুষের উপস্থিতি কমলেও কমেনি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম। রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজারে এখনো সবজির দাম তুলনামূলক চড়া। কোথাও ৬০ টাকার নিচে কোনো সবজি পাওয়া যাচ্ছে না।

ঈদের তৃতীয় দিন সোমবার (২৩ মার্চ) রাজধানীর মগবাজার চারুলতা মার্কেট, মধুবাগ কাঁচাবাজার, রামপুরা কাঁচাবাজার, মালিবাগ কাঁচাবাজার, মালিবাগ রেললাইন সংলগ্ন বাজার, শান্তিবাগ কাঁচাবাজার ও শাহজাহানপুর-খিলগাঁও কাঁচাবাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতিটি লাউ বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকায় এবং জালি কুমড়া ৫০ থেকে ৬০ টাকায়। প্রতি কেজি কালো বেগুন ১১০ থেকে ১২০ টাকা, গোল সাদা বেগুন ১০০ টাকা, করলা ১০০ থেকে ১২০ টাকা, ঢেঁড়স ৮০ টাকা, বরবটি ১০০ টাকা, চিচিঙ্গা ৮০ টাকা, উচ্ছে ১০০ টাকা এবং সিম ও পটল ৭০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

jagonews24

এছাড়া সজনে ডাটা বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ১৪০ টাকা, কাঁচা মরিচ ১২০ টাকায়। সালাদের উপকরণের মধ্যে টমেটো প্রতি কেজি ৮০ টাকা এবং শসা ৬০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। ধনিয়া পাতা বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা কেজি দরে।

মাংসের বাজারেও রয়েছে চড়া দাম। গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৮৫০ টাকা দরে। খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৩৫০ থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকায়। ব্রয়লার মুরগি ২০০ থেকে ২১০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩৫০ থেকে ৩৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

ডিমের বাজারে প্রতি ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকায়। আর সাদা ডিম ১০০ টাকায় এবং হাঁসের ডিম ২২০ থেকে ২৩‍০ টাকায়।

মাছের বাজারেও তেমন পরিবর্তন নেই। পোয়া মাছ প্রতি কেজি ৩৫০ টাকা, তেলাপিয়া ২২০ থেকে ২৫০ টাকা, পাঙ্গাস ২৪০ থেকে ২৬০ টাকা এবং রুই মাছ ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া ছোট আকারের গলদা চিংড়ি ১ হাজার টাকা এবং বড় আকারের গলদা চিংড়ি ১ হাজার ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। টেংরা মাছ ৭০০ টাকা এবং পাবদা মাছ ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে।

jagonews24

মালিবাগ কাঁচাবাজারের এক সবজি বিক্রেতা বলেন, ঈদের পর পাইকারি বাজারে সবজির সরবরাহ কিছুটা কমেছে। ফলে যে পণ্য আসছে তার দাম বেশি পড়ছে। সে কারণে খুচরা বাজারেও দাম বেড়েছে। আমরা অতিরিক্ত লাভ করছি না, স্বাভাবিক লাভেই বিক্রি করছি। কাঁচা সবজি বেশিদিন সংরক্ষণ করাও সম্ভব হয় না।

তবে বিক্রেতাদের এ বক্তব্যের সঙ্গে একমত নন ক্রেতা আয়েশা খাতুন। তিনি বলেন, বাজারে পণ্যের কোনো সংকট নেই, বরং ক্রেতাই কম। বাজারে হাতে গোনা কয়েকজন ক্রেতা দেখা যাচ্ছে। তারপরও সবজির দাম কমছে না। মাছ, মাংস ও মুরগির দামও আগের মতোই চড়া রয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।