ঢাকা , শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আদ-দ্বীন হাসপাতাল বন্ধের সিদ্ধান্ত সঠিক হয়নি : জামায়ত আমির

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ৬ নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত সঠিক হয়নি।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাত জামায়াতের ফেসবুক পেইজের এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিবৃতিতে জামায়াত আমির বলেন, সম্প্রতি আদ-দ্বীন হাসপাতালে ৬ জন নবজাতকের মৃত্যু হলে আমরা সবাই এ ঘটনায় গভীর দুঃখ ও সমবেদনা প্রকাশ করি। ঘটনাটি অবশ্যই অত্যন্ত বেদনাদায়ক। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সরকার হাসপাতালটির লাইসেন্স বাতিল করেছে। এটি মোটেই সঠিক সিদ্ধান্ত হয়নি। তদন্তের মাধ্যমে কোনো অবহেলা, ত্রুটি কিংবা অপরাধ চিহ্নিত হলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রয়েছে।
তিনি বলেন, যে হাসপাতালটি ‘গরিবের হাসপাতাল’ নামে পরিচিত এবং মানসম্মত সেবার মাধ্যমে জনগণের আস্থার প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছিল, তারই লাইসেন্স বাতিল করে দেওয়া হলো। শেষ পর্যন্ত ক্ষতি জনগণেরই হলো। তাছাড়া এটি একটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। এখানে সম্ভবত ৪০০-৫০০ মেডিকেল শিক্ষার্থী লেখাপড়া করে। এর পাশাপাশি নার্সিং কোর্সও চালু রয়েছে। এখন তারা যাবে কোথায়?
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, শিক্ষার্থী ও জনগণের স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা উচিত। কারও কোনো দোষ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক। কিন্তু লাইসেন্স বাতিল করে হাসপাতাল বন্ধ করে দেওয়া কাম্য নয়।
Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

আদ-দ্বীন হাসপাতাল বন্ধের সিদ্ধান্ত সঠিক হয়নি : জামায়ত আমির

আপডেট টাইম : ২৮ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ৬ নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত সঠিক হয়নি।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাত জামায়াতের ফেসবুক পেইজের এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিবৃতিতে জামায়াত আমির বলেন, সম্প্রতি আদ-দ্বীন হাসপাতালে ৬ জন নবজাতকের মৃত্যু হলে আমরা সবাই এ ঘটনায় গভীর দুঃখ ও সমবেদনা প্রকাশ করি। ঘটনাটি অবশ্যই অত্যন্ত বেদনাদায়ক। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সরকার হাসপাতালটির লাইসেন্স বাতিল করেছে। এটি মোটেই সঠিক সিদ্ধান্ত হয়নি। তদন্তের মাধ্যমে কোনো অবহেলা, ত্রুটি কিংবা অপরাধ চিহ্নিত হলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রয়েছে।
তিনি বলেন, যে হাসপাতালটি ‘গরিবের হাসপাতাল’ নামে পরিচিত এবং মানসম্মত সেবার মাধ্যমে জনগণের আস্থার প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছিল, তারই লাইসেন্স বাতিল করে দেওয়া হলো। শেষ পর্যন্ত ক্ষতি জনগণেরই হলো। তাছাড়া এটি একটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। এখানে সম্ভবত ৪০০-৫০০ মেডিকেল শিক্ষার্থী লেখাপড়া করে। এর পাশাপাশি নার্সিং কোর্সও চালু রয়েছে। এখন তারা যাবে কোথায়?
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, শিক্ষার্থী ও জনগণের স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা উচিত। কারও কোনো দোষ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক। কিন্তু লাইসেন্স বাতিল করে হাসপাতাল বন্ধ করে দেওয়া কাম্য নয়।