ঢাকা , রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা ‘ওই মিয়া চুপ করেন, একেবারে খেয়ে ফেলবো’ বিএনপিকর্মীকে এমপি হানজালা

উজানের ঢলে বাড়ছে তিস্তার পানি, বন্যার শঙ্কা

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজের ডালিয়া পয়েন্টে ৪৪টি জলকপাটই খোলা রাখা হয়েছে।

শনিবার (২০ জুন) বিকেল ৩টায় ডালিয়া পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। এতে তিস্তা তীরবর্তী এলাকায় বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) ডালিয়া ডিভিশনের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, বিকেল ৩টায় পানির প্রবাহ কিছুটা কমে ৫২ মিটারে নেমে আসে। এর আগে সকাল ৬টায় তা বেড়ে ৫২ দশমিক ১০ মিটারে পৌঁছেছিল। সকাল ৯টা থেকে পানির প্রবাহ কমতে শুরু করে। এ পয়েন্টে তিস্তা নদীর বিপৎসীমা নির্ধারিত হয়েছে ৫২ দশমিক ১৫ মিটার। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টায় ব্যারাজ পয়েন্টে পানির উচ্চতা ছিল ৫১ দশমিক ৯৫ মিটার।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উজানে ভারতের দার্জিলিং ও কালিম্পং অঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে পাহাড়ি ঢল নেমে আসছে। ফলে তিস্তার পানিপ্রবাহ বেড়ে রংপুরসহ নদী তীরবর্তী নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধার নিম্নাঞ্চলে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। পানি আরও বাড়লে রংপুরের গঙ্গাচড়া, কাউনিয়া ও পীরগাছা উপজেলার তিস্তাসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার পাশাপাশি ফসলি জমি পানিতে ডুবতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী জানান, উজানের ঢলে নদীর পানি বৃদ্ধি পেলেও বর্তমানে তা কমতে শুরু করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাটই খোলা রাখা হয়েছে। নদীর পানি পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রস্তুত রয়েছে বলেও তিনি জানান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

উজানের ঢলে বাড়ছে তিস্তার পানি, বন্যার শঙ্কা

আপডেট টাইম : ২ ঘন্টা আগে

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজের ডালিয়া পয়েন্টে ৪৪টি জলকপাটই খোলা রাখা হয়েছে।

শনিবার (২০ জুন) বিকেল ৩টায় ডালিয়া পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। এতে তিস্তা তীরবর্তী এলাকায় বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) ডালিয়া ডিভিশনের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, বিকেল ৩টায় পানির প্রবাহ কিছুটা কমে ৫২ মিটারে নেমে আসে। এর আগে সকাল ৬টায় তা বেড়ে ৫২ দশমিক ১০ মিটারে পৌঁছেছিল। সকাল ৯টা থেকে পানির প্রবাহ কমতে শুরু করে। এ পয়েন্টে তিস্তা নদীর বিপৎসীমা নির্ধারিত হয়েছে ৫২ দশমিক ১৫ মিটার। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টায় ব্যারাজ পয়েন্টে পানির উচ্চতা ছিল ৫১ দশমিক ৯৫ মিটার।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উজানে ভারতের দার্জিলিং ও কালিম্পং অঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে পাহাড়ি ঢল নেমে আসছে। ফলে তিস্তার পানিপ্রবাহ বেড়ে রংপুরসহ নদী তীরবর্তী নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধার নিম্নাঞ্চলে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। পানি আরও বাড়লে রংপুরের গঙ্গাচড়া, কাউনিয়া ও পীরগাছা উপজেলার তিস্তাসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার পাশাপাশি ফসলি জমি পানিতে ডুবতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী জানান, উজানের ঢলে নদীর পানি বৃদ্ধি পেলেও বর্তমানে তা কমতে শুরু করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাটই খোলা রাখা হয়েছে। নদীর পানি পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রস্তুত রয়েছে বলেও তিনি জানান।