ঢাকা , সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আরও একটি ‘জটিল অধ্যায়ের’ সূচনা : ইরান

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদিত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) নিয়ে ইরান একটি অত্যন্ত জটিল ও স্পর্শকাতর ধাপে প্রবেশ করছে বলে জানিয়েছেন দেশটির সরকারি কর্মকর্তারা। তেহরানের মতে, এত দিন কেবল শত্রুতা ও যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে একটি প্রাথমিক খসড়া বা সমঝোতা সই হয়েছিল, কিন্তু এখন আসল চ্যালেঞ্জ হলো এর বাস্তব রূপদান বা বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া। খবর আল জাজিরার।

দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক শর্ত মেনে চলা ও সমঝোতা স্মারকটি মাঠে বাস্তবায়ন করা নিয়ে তেহরানের রাজনৈতিক মহলে বেশ কিছু বড় প্রশ্ন ও সংশয় দেখা দিয়েছে।

প্রথম এবং প্রধান প্রশ্নটি হলো— এই চুক্তির পর ইসরায়েলি বাহিনী কি সত্যিই লেবাননে তাদের সমস্ত সামরিক অভিযান ও হামলা পুরোপুরি বন্ধ করবে? কারণ ইরান স্পষ্ট করেছে, লেবাননে ইসরায়েলি হামলা বন্ধ না হলে চুক্তি এগোবে না।

দ্বিতীয় বড় প্রশ্নটি তৈরি হয়েছে হরমুজ প্রণালির বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে। লেবাননে হামলার জেরে ইরান এই জলপথ বন্ধের ঘোষণা দিলেও যুক্তরাষ্ট্র তা খোলা রয়েছে বলে দাবি করছে। এই কৌশলগত নৌপথের নিয়ন্ত্রণ ও ভবিষ্যৎ কী হবে, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা।

তবে এতসব জটিলতার মধ্যেও কিছুটা আশার আলো দেখা যাচ্ছে। সুইজারল্যান্ডে কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় দুই পক্ষই অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা  চালিয়ে যাচ্ছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আরও একটি ‘জটিল অধ্যায়ের’ সূচনা : ইরান

আপডেট টাইম : এক ঘন্টা আগে

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদিত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) নিয়ে ইরান একটি অত্যন্ত জটিল ও স্পর্শকাতর ধাপে প্রবেশ করছে বলে জানিয়েছেন দেশটির সরকারি কর্মকর্তারা। তেহরানের মতে, এত দিন কেবল শত্রুতা ও যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে একটি প্রাথমিক খসড়া বা সমঝোতা সই হয়েছিল, কিন্তু এখন আসল চ্যালেঞ্জ হলো এর বাস্তব রূপদান বা বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া। খবর আল জাজিরার।

দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক শর্ত মেনে চলা ও সমঝোতা স্মারকটি মাঠে বাস্তবায়ন করা নিয়ে তেহরানের রাজনৈতিক মহলে বেশ কিছু বড় প্রশ্ন ও সংশয় দেখা দিয়েছে।

প্রথম এবং প্রধান প্রশ্নটি হলো— এই চুক্তির পর ইসরায়েলি বাহিনী কি সত্যিই লেবাননে তাদের সমস্ত সামরিক অভিযান ও হামলা পুরোপুরি বন্ধ করবে? কারণ ইরান স্পষ্ট করেছে, লেবাননে ইসরায়েলি হামলা বন্ধ না হলে চুক্তি এগোবে না।

দ্বিতীয় বড় প্রশ্নটি তৈরি হয়েছে হরমুজ প্রণালির বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে। লেবাননে হামলার জেরে ইরান এই জলপথ বন্ধের ঘোষণা দিলেও যুক্তরাষ্ট্র তা খোলা রয়েছে বলে দাবি করছে। এই কৌশলগত নৌপথের নিয়ন্ত্রণ ও ভবিষ্যৎ কী হবে, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা।

তবে এতসব জটিলতার মধ্যেও কিছুটা আশার আলো দেখা যাচ্ছে। সুইজারল্যান্ডে কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় দুই পক্ষই অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা  চালিয়ে যাচ্ছে।