ঢাকা , বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সাইকেলে চড়তেন, ৫ আগস্টের তিন দিন পর প্রাডো গাড়িতে চড়েছেন আওয়ামী আমলের আমলনামা উন্নয়নের আড়ালে ২৮ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি ২৯ অক্টোবর মধ্য রাত থেকে উঠে যাচ্ছে ইলিশ রক্ষার নিষেধাজ্ঞা স্বাস্থ্যসেবা খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে জুবাইদা রহমানের আহ্বান কৃষিতেও বাড়ছে খেলাপির চাপ ৩১ অক্টোবর লংমার্চ সফল করতে ১১ দলীয় ঐক্যের আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছ: হুমায়ূন কবির আইজিপি সহজ-সরল মানুষ, ক্রসফায়ার নিয়ে বক্তব্য ঠিক হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইজিপির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী: তথ্য উপদেষ্টা চাকরির প্রলোভনে রাশিয়ায় সামরিক চুক্তিতে বাধ্য করার প্রমাণ পেয়েছে জাতিসংঘ

ফাইনালে হারের এক মাস পর মুখ খুললো আর্জেন্টিনা ফুটবল ফেডারেশন

বিশ্বকাপের ফাইনালের এক মাস পর মুখ খুলেছেন আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) সভাপতি ক্লদিও তাপিয়া। ফাইনাল ম্যাচে জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের ‘বিশ্বাসঘাতক’ আখ্যা দিয়ে যারা নানা অভিযোগ তুলেছিলেন, তাদের কঠোর সমালোচনা করেছেন তিনি।

এক বিবৃতিতে তাপিয়া বলেন, ফাইনালের পর এক মাস ধরে আর্জেন্টিনা দলকে নিয়ে মিথ্যাচার, ষড়যন্ত্র ও নানা ধরনের প্রচারণা চালানো হয়েছে। অথচ এক মাস পেরিয়ে গেলেও অভিযোগকারীদের কেউ নিজেদের ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চাননি।

তাপিয়ার ভাষায়, ভুল করা মানুষের স্বাভাবিক বিষয়। কিন্তু কোনো প্রমাণ ছাড়াই মিথ্যা বলা, সন্দেহ তৈরি করা এবং পরে সময়ের সঙ্গে সত্য প্রকাশ পাওয়ার পরও বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়া গ্রহণযোগ্য নয়।

আর্জেন্টিনা দলের খেলোয়াড়রা যখন মাঠে নিজেদের সর্বস্ব উজাড় করে দিচ্ছিলেন, তখন বাইরে থেকে কেউ কেউ দলটির বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়ানো, বিভাজন তৈরি এবং তাদের ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা করেছেন বলেও অভিযোগ করেন এএফএ সভাপতি।

তিনি বলেন, শুধু নীরব থাকা বা সময় পার করে দেওয়া যথেষ্ট নয়। যারা জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের বিশ্বাসঘাতক বলেছেন, তাদের সেই বক্তব্যের দায় নিতেই হবে। প্রমাণ ছাড়াই খেলোয়াড়দের ম্যাচ ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ তোলা এবং পরে নীরব হয়ে যাওয়া কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।

তাপিয়া আরও বলেন, যারা কোনো প্রমাণ ছাড়াই খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধে আঙুল তুলেছেন, তারাই এখন নিজেদের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দেবেন। কারণ ভুল স্বীকার করাও বড়ত্বের অংশ। আর যারা প্রকাশ্যে মিথ্যা অভিযোগ করে খেলোয়াড়দের সম্মানহানি করেছেন, তাদের কাছে ক্ষমা চাওয়া কোনো অনুগ্রহ নয়, বরং দায়িত্ব।

বিবৃতিতে তিনি নৈতিকতার প্রসঙ্গও তুলে ধরেন। প্রশ্ন রাখেন, এমন কাজ করার পর কীভাবে তারা নিজেদের সন্তানদের সততা, সম্মান ও মর্যাদার শিক্ষা দেবেন? মূল্যবোধের সঙ্গে কোনো আপস করা যায় না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তাপিয়া বলেন, ফাইনালের এক মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো কোনো ক্ষমা চাওয়ার ঘটনা ঘটেনি। অন্যদিকে দলের খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ ও সংশ্লিষ্ট সবাই মাথা উঁচু করে আছেন। কারণ তারা জানেন, সেদিন মাঠে তারা নিজেদের সর্বোচ্চটা দিয়েছেন এবং শেষ বাঁশি বাজার পর কারও কাছে তাদের কোনো ব্যাখ্যা দেওয়ার ছিল না।

সবশেষে আর্জেন্টিনা ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি বলেন, “যারা মাঠে নিজেদের আত্মা উজাড় করে দিয়েছে, তাদের কিছুই ব্যাখ্যা করার নেই। ব্যাখ্যা দিতে হবে যারা মিথ্যা বলেছে, তাদের।”

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

সাইকেলে চড়তেন, ৫ আগস্টের তিন দিন পর প্রাডো গাড়িতে চড়েছেন

ফাইনালে হারের এক মাস পর মুখ খুললো আর্জেন্টিনা ফুটবল ফেডারেশন

আপডেট টাইম : ০৫:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬

বিশ্বকাপের ফাইনালের এক মাস পর মুখ খুলেছেন আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) সভাপতি ক্লদিও তাপিয়া। ফাইনাল ম্যাচে জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের ‘বিশ্বাসঘাতক’ আখ্যা দিয়ে যারা নানা অভিযোগ তুলেছিলেন, তাদের কঠোর সমালোচনা করেছেন তিনি।

এক বিবৃতিতে তাপিয়া বলেন, ফাইনালের পর এক মাস ধরে আর্জেন্টিনা দলকে নিয়ে মিথ্যাচার, ষড়যন্ত্র ও নানা ধরনের প্রচারণা চালানো হয়েছে। অথচ এক মাস পেরিয়ে গেলেও অভিযোগকারীদের কেউ নিজেদের ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চাননি।

তাপিয়ার ভাষায়, ভুল করা মানুষের স্বাভাবিক বিষয়। কিন্তু কোনো প্রমাণ ছাড়াই মিথ্যা বলা, সন্দেহ তৈরি করা এবং পরে সময়ের সঙ্গে সত্য প্রকাশ পাওয়ার পরও বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়া গ্রহণযোগ্য নয়।

আর্জেন্টিনা দলের খেলোয়াড়রা যখন মাঠে নিজেদের সর্বস্ব উজাড় করে দিচ্ছিলেন, তখন বাইরে থেকে কেউ কেউ দলটির বিরুদ্ধে ঘৃণা ছড়ানো, বিভাজন তৈরি এবং তাদের ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা করেছেন বলেও অভিযোগ করেন এএফএ সভাপতি।

তিনি বলেন, শুধু নীরব থাকা বা সময় পার করে দেওয়া যথেষ্ট নয়। যারা জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের বিশ্বাসঘাতক বলেছেন, তাদের সেই বক্তব্যের দায় নিতেই হবে। প্রমাণ ছাড়াই খেলোয়াড়দের ম্যাচ ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ তোলা এবং পরে নীরব হয়ে যাওয়া কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।

তাপিয়া আরও বলেন, যারা কোনো প্রমাণ ছাড়াই খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধে আঙুল তুলেছেন, তারাই এখন নিজেদের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দেবেন। কারণ ভুল স্বীকার করাও বড়ত্বের অংশ। আর যারা প্রকাশ্যে মিথ্যা অভিযোগ করে খেলোয়াড়দের সম্মানহানি করেছেন, তাদের কাছে ক্ষমা চাওয়া কোনো অনুগ্রহ নয়, বরং দায়িত্ব।

বিবৃতিতে তিনি নৈতিকতার প্রসঙ্গও তুলে ধরেন। প্রশ্ন রাখেন, এমন কাজ করার পর কীভাবে তারা নিজেদের সন্তানদের সততা, সম্মান ও মর্যাদার শিক্ষা দেবেন? মূল্যবোধের সঙ্গে কোনো আপস করা যায় না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তাপিয়া বলেন, ফাইনালের এক মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো কোনো ক্ষমা চাওয়ার ঘটনা ঘটেনি। অন্যদিকে দলের খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ ও সংশ্লিষ্ট সবাই মাথা উঁচু করে আছেন। কারণ তারা জানেন, সেদিন মাঠে তারা নিজেদের সর্বোচ্চটা দিয়েছেন এবং শেষ বাঁশি বাজার পর কারও কাছে তাদের কোনো ব্যাখ্যা দেওয়ার ছিল না।

সবশেষে আর্জেন্টিনা ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি বলেন, “যারা মাঠে নিজেদের আত্মা উজাড় করে দিয়েছে, তাদের কিছুই ব্যাখ্যা করার নেই। ব্যাখ্যা দিতে হবে যারা মিথ্যা বলেছে, তাদের।”