বৈঠকে লাউতা ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার যুবক, প্রবীণ, জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। সভায় নদীভাঙনপ্রবণ ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নৌকাবাইচ আয়োজন নিয়ে উদ্বেগের বিষয়টি তুলে ধরেন প্রতিবাদকারীরা। এ পরিপ্রেক্ষিতে নির্ধারিত স্থান কিছুটা সরিয়ে নেওয়া যায় কি না, তা সরেজমিনে পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
লাউতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘নৌকা বাইচের সঙ্গে তৌহিদী জনতার বিষয়টি কেউ জড়িয়ে ঘটনাটিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করেছে। আমরা দুই পক্ষকে নিয়ে বসে সুন্দর পরিবেশে আলোচনার মাধ্যমে নৌকা বাইচ আয়োজনে একমত হয়েছি।
চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন জানান, তিনি ছাড়াও লাউতা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান গৌছ উদ্দিন, মোল্লাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান, উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি আতাউর রহমান, বিএনপি নেতা ও ইউপি সদস্য জালাল উদ্দিনসহ ১২ সদস্যের কমিটি স্থানটি পরিদর্শন করবে।
বিয়ানীবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উম্মে হাবিবা মজুমদার বলেন, ইউপি চেয়ারম্যানদের মাধ্যমে দুই পক্ষকে নিয়ে সভা হয়েছে। সভায় উভয় পক্ষ নৌকাবাইচ আয়োজনের বিষয়ে একমত হয়েছে।
এর আগে গত ১৮ আগস্ট বিয়ানীবাজারের সোনাই নদীতে নৌকাবাইচ বন্ধের দাবিতে ‘তৌহিদী জনতা’র নামে ফেসবুকে প্রচারণা চালায় একটি পক্ষ। বিষয়টি নিয়ে দেশজুড়ে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হলে উপজেলা প্রশাসন উদ্যোগ নেয়।
পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে শনিবার দিবাগত রাতে লাউতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তি ও জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠক করেন। বৈঠকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি নির্ধারিত স্থান ও সময়ে নৌকাবাইচ আয়োজনের বিষয়ে দুই পক্ষ একমত হয়।

বাঙ্গালী কণ্ঠ ডেস্ক 
























