ঢাকা , রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নজিরবিহীন শান্তিপূর্ণ দুর্গাপূজা নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রশংসায় ভারতীয় গণমাধ্যম তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনে ‘ভাইস প্রেসিডেন্ট’ পদ সৃষ্টির প্রস্তাব এসেছে মঈন খানকে হাসপাতালে দেখতে গেলেন মির্জা আব্বাস সৃজনশীল শিল্পকে মূলধারার অর্থনীতিতে পরিণত করতে চায় সরকার : অর্থমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতায় নতুন গতির আশা টোকিওর সমাজে শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় ইমাম সমাজ সর্বদাই অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন: জাতীয় ইমাম সম্মেলনে ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ মাদ্রাসা শিক্ষককে চড় মারা রুমিকে গ্রেপ্তার করতে চায় পুলিশ এইচএসসির ফল প্রকাশ ২৯ অক্টোবর সরাইলের ঘটনায় মামলা হলে আমাকেই যেন প্রধান আসামি করা হয় ১১ জেলের কাছ থেকে উদ্ধার ৬০ কেজি ইলিশ এতিমখানায় বিতরণ

বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতির বাণী

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে নিন্মোক্ত বাণী প্রদান করেছেন :

‘‘পরিবেশ সংরক্ষণে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও বিশ্ব ‘পরিবেশ দিবস ২০১৬’ পালিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। বন ও বন্যপ্রাণী পরিবেশ ও প্রতিবেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং মানুষের অস্তিত্বের জন্য অপরিহার্য। বন্যপ্রাণী বিশেষ করে হরিণ, বাঘ, সিংহ, হাতিসহ অন্যান্য প্রাণীর চামড়া, দাঁত, শিং ইত্যাদি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের চাহিদা থাকায় বিশ্বব্যাপী এর বাণিজ্যে প্রসার ঘটেছে।

অবৈধ পাচার ও বেআইনি শিকারের ক্রমবর্ধমান তৎপরতার ফলে দ্রুত হারে হ্রাস পাচ্ছে এসব মূল্যবান প্রাণীর সংখ্যা। বিপন্ন হচ্ছে এদের অস্তিত্ব।

এ পরিপ্রেক্ষিতে এ বছরের বিশ্ব পরিবেশ দিবসের স্লোগান ‘এড় ডরষফ ভড়ৎ খরভব!’ যার ভাবার্থ করা হয়েছে  ‘বন্যপ্রাণী ও পরিবেশ, বাঁচায় প্রকৃতি বাঁচায় দেশ’ যথার্থ হয়েছে বলে আমি মনে করি।

সরকার পরিবেশ সংরক্ষণ ও বন্যপ্রাণী সুরক্ষায় অত্যন্ত আন্তরিক। পরিবেশ ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে বাংলাদেশ সরকার পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ সংশোধন ও বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন ২০১২ প্রণয়ন করেছে। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণসহ বন্যপ্রাণীর অবৈধ বাণিজ্য হ্রাস করার ক্ষেত্রে আইনটি যথাযথ ভূমিকা পালন করবে বলে আমার বিশ্বাস।

সারাবিশ্বে বর্ধিত জনসংখ্যার চাপ, দ্রুত নগরায়ন, পরিবেশ দূষণ, বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস, নির্বিচারে বন্যপ্রাণী পাচার ও নিধনের ফলে অনেক প্রজাতির প্রাণীর অস্তিত্ব আজ হুমকির মুখে। পরিবেশ, প্রতিবেশ, বন ও বন্যপ্রাণী রক্ষায় আমাদের সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। নতুন প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পৃথিবী রাখতে সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনে আহ্বান জানাই।

আমি বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০১৬ উপলক্ষে গৃহীত কর্মসূচির সাফল্য কামনা করি।

খোদা হাফেজ, বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।’’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

নজিরবিহীন শান্তিপূর্ণ দুর্গাপূজা নিশ্চিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রশংসায় ভারতীয় গণমাধ্যম

বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতির বাণী

আপডেট টাইম : ০৫:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুন ২০১৬

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে নিন্মোক্ত বাণী প্রদান করেছেন :

‘‘পরিবেশ সংরক্ষণে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও বিশ্ব ‘পরিবেশ দিবস ২০১৬’ পালিত হচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। বন ও বন্যপ্রাণী পরিবেশ ও প্রতিবেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং মানুষের অস্তিত্বের জন্য অপরিহার্য। বন্যপ্রাণী বিশেষ করে হরিণ, বাঘ, সিংহ, হাতিসহ অন্যান্য প্রাণীর চামড়া, দাঁত, শিং ইত্যাদি অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের চাহিদা থাকায় বিশ্বব্যাপী এর বাণিজ্যে প্রসার ঘটেছে।

অবৈধ পাচার ও বেআইনি শিকারের ক্রমবর্ধমান তৎপরতার ফলে দ্রুত হারে হ্রাস পাচ্ছে এসব মূল্যবান প্রাণীর সংখ্যা। বিপন্ন হচ্ছে এদের অস্তিত্ব।

এ পরিপ্রেক্ষিতে এ বছরের বিশ্ব পরিবেশ দিবসের স্লোগান ‘এড় ডরষফ ভড়ৎ খরভব!’ যার ভাবার্থ করা হয়েছে  ‘বন্যপ্রাণী ও পরিবেশ, বাঁচায় প্রকৃতি বাঁচায় দেশ’ যথার্থ হয়েছে বলে আমি মনে করি।

সরকার পরিবেশ সংরক্ষণ ও বন্যপ্রাণী সুরক্ষায় অত্যন্ত আন্তরিক। পরিবেশ ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে বাংলাদেশ সরকার পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ সংশোধন ও বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন ২০১২ প্রণয়ন করেছে। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণসহ বন্যপ্রাণীর অবৈধ বাণিজ্য হ্রাস করার ক্ষেত্রে আইনটি যথাযথ ভূমিকা পালন করবে বলে আমার বিশ্বাস।

সারাবিশ্বে বর্ধিত জনসংখ্যার চাপ, দ্রুত নগরায়ন, পরিবেশ দূষণ, বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস, নির্বিচারে বন্যপ্রাণী পাচার ও নিধনের ফলে অনেক প্রজাতির প্রাণীর অস্তিত্ব আজ হুমকির মুখে। পরিবেশ, প্রতিবেশ, বন ও বন্যপ্রাণী রক্ষায় আমাদের সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। নতুন প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পৃথিবী রাখতে সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনে আহ্বান জানাই।

আমি বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০১৬ উপলক্ষে গৃহীত কর্মসূচির সাফল্য কামনা করি।

খোদা হাফেজ, বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।’’