ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উন্নয়নের নতুন স্বপ্ন দেখছে বগুড়া প্রশাসনের নাকের ডগায় ভুয়া জার্মান ক্লাব বিদেশি ক্লাবের সাইনবোর্ডে রমরমা মাদক ব্যবসা ঢাকা উত্তরে দুই, দক্ষিণে চার নেতা আলোচনায় বিএনপির সম্ভাব্য মেয়র পদপ্রার্থী নয় বছর পর খুলল ওসমানী উদ্যান পদত্যাগের নির্দেশ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী ‘সেরা পরামর্শ’ দিয়েছিলেন: ইশরাক ‘ডিআইজির বাড়ি’ বলে অভয় দেওয়া হয় আমন্ত্রিতদের ৫৯২ কোটি টাকায় খনন হবে দুটি নতুন কূপ ম্যাজিস্ট্রেসি ছেড়ে রাজনীতিতে, সালাহউদ্দিনের একাল-সেকাল সুন্দরবনের হিরণ পয়েন্ট পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী সাইবার সুরক্ষাসহ গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট আইন সংশোধন হচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী

মানুষ তার স্বপ্নের সমান বড়, আজ স্বপ্ন দেখার দিন

ঘুমের মধ্যে দেখা স্বপ্ন সকালে মিলিয়ে যায়। কিন্তু কিছু স্বপ্ন মানুষকে ঘুমাতেই দেয় না—বারবার তাড়িয়ে বেড়ায়, এগিয়ে যেতে শেখায়, অসম্ভবকে সম্ভব করার সাহস জোগায়। পৃথিবীর বড় বড় পরিবর্তনের শুরু হয়েছে এমনই কোনো এক স্বপ্ন থেকে। আজ সেই স্বপ্ন দেখার দিন—বিশ্ব স্বপ্ন দেখা দিবস।

আজ বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ‘বিশ্ব স্বপ্ন দেখা দিবস’। ২০১২ সালে যুক্তরাষ্ট্রের কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ওজিওমা এগুয়াওয়ানওয়ের উদ্যোগে দিবসটির সূচনা হয়। মানুষকে নিজের স্বপ্নের প্রতি মনোযোগী করা এবং তা বাস্তবায়নে উৎসাহিত করাই দিবসটির অন্যতম উদ্দেশ্য।

স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার আকাঙ্ক্ষা থেকেই পৃথিবীতে অনেক নতুন কিছুর সূচনা হয়েছে। বছরের পর বছর ধরে আবিষ্কার ও উদ্ভাবনের পেছনে ছিল কোনো না কোনো মানুষের কল্পনা ও স্বপ্ন। কবি-সাহিত্যিকদের অসংখ্য সৃষ্টি, শিল্পীর নানা কাজ কিংবা বিজ্ঞানীদের যুগান্তকারী আবিষ্কার—সবকিছুর শুরু হতে পারে একটি স্বপ্ন থেকেই।

ইতিহাসেও এমন অনেক উদাহরণ রয়েছে। মার্কিন মানবাধিকার আন্দোলনের অন্যতম নেতা মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র তাঁর বিখ্যাত ‘আই হ্যাভ আ ড্রিম’ বা ‘আমার একটি স্বপ্ন আছে’ বক্তৃতায় বর্ণবৈষম্যহীন একটি সমাজের স্বপ্ন তুলে ধরেছিলেন। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে তিনি দীর্ঘদিন আন্দোলন ও সংগ্রাম করেছেন।

স্বপ্ন নিয়ে ভারতের প্রয়াত রাষ্ট্রপতি ও বিজ্ঞানী এপিজে আবদুল কালামের একটি বিখ্যাত উক্তিও রয়েছে—‘স্বপ্ন সেটা নয়, যেটা মানুষ ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে দেখে; স্বপ্ন সেটাই, যেটা পূরণের প্রত্যাশা মানুষকে ঘুমাতে দেয় না।’

তবে শুধু স্বপ্ন দেখলেই তা বাস্তবে রূপ নেয় না। প্রয়োজন পরিকল্পনা, পরিশ্রম, ধৈর্য এবং প্রতিকূলতার মুখে এগিয়ে যাওয়ার মানসিকতা। জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণ করে সেই অনুযায়ী কাজ করলেই স্বপ্ন ধীরে ধীরে বাস্তবতার রূপ পেতে পারে।

বিশ্ব স্বপ্ন দেখা দিবস হতে পারে নিজের স্বপ্ন ও ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে ভাবার একটি উপলক্ষ। কয়েক বছর পর নিজেকে কোথায় দেখতে চান, কী অর্জন করতে চান—এসব প্রশ্নের উত্তর খোঁজা যেতে পারে আজই।

নিজের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে কী কী প্রয়োজন, কোন পথে এগোতে হবে এবং কোথা থেকে শুরু করতে হবে—সেসব নিয়ে পরিকল্পনা করুন। স্বপ্নকে যত্নে লালন করুন, সেই অনুযায়ী লক্ষ্য নির্ধারণ করুন এবং প্রতিদিন একটু একটু করে এগিয়ে যান। কারণ বড় পরিবর্তনের শুরু অনেক সময় হয় একটি ছোট স্বপ্ন থেকেই।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

উন্নয়নের নতুন স্বপ্ন দেখছে বগুড়া

মানুষ তার স্বপ্নের সমান বড়, আজ স্বপ্ন দেখার দিন

আপডেট টাইম : ০৬:৪৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ঘুমের মধ্যে দেখা স্বপ্ন সকালে মিলিয়ে যায়। কিন্তু কিছু স্বপ্ন মানুষকে ঘুমাতেই দেয় না—বারবার তাড়িয়ে বেড়ায়, এগিয়ে যেতে শেখায়, অসম্ভবকে সম্ভব করার সাহস জোগায়। পৃথিবীর বড় বড় পরিবর্তনের শুরু হয়েছে এমনই কোনো এক স্বপ্ন থেকে। আজ সেই স্বপ্ন দেখার দিন—বিশ্ব স্বপ্ন দেখা দিবস।

আজ বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ‘বিশ্ব স্বপ্ন দেখা দিবস’। ২০১২ সালে যুক্তরাষ্ট্রের কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ওজিওমা এগুয়াওয়ানওয়ের উদ্যোগে দিবসটির সূচনা হয়। মানুষকে নিজের স্বপ্নের প্রতি মনোযোগী করা এবং তা বাস্তবায়নে উৎসাহিত করাই দিবসটির অন্যতম উদ্দেশ্য।

স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার আকাঙ্ক্ষা থেকেই পৃথিবীতে অনেক নতুন কিছুর সূচনা হয়েছে। বছরের পর বছর ধরে আবিষ্কার ও উদ্ভাবনের পেছনে ছিল কোনো না কোনো মানুষের কল্পনা ও স্বপ্ন। কবি-সাহিত্যিকদের অসংখ্য সৃষ্টি, শিল্পীর নানা কাজ কিংবা বিজ্ঞানীদের যুগান্তকারী আবিষ্কার—সবকিছুর শুরু হতে পারে একটি স্বপ্ন থেকেই।

ইতিহাসেও এমন অনেক উদাহরণ রয়েছে। মার্কিন মানবাধিকার আন্দোলনের অন্যতম নেতা মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র তাঁর বিখ্যাত ‘আই হ্যাভ আ ড্রিম’ বা ‘আমার একটি স্বপ্ন আছে’ বক্তৃতায় বর্ণবৈষম্যহীন একটি সমাজের স্বপ্ন তুলে ধরেছিলেন। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে তিনি দীর্ঘদিন আন্দোলন ও সংগ্রাম করেছেন।

স্বপ্ন নিয়ে ভারতের প্রয়াত রাষ্ট্রপতি ও বিজ্ঞানী এপিজে আবদুল কালামের একটি বিখ্যাত উক্তিও রয়েছে—‘স্বপ্ন সেটা নয়, যেটা মানুষ ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে দেখে; স্বপ্ন সেটাই, যেটা পূরণের প্রত্যাশা মানুষকে ঘুমাতে দেয় না।’

তবে শুধু স্বপ্ন দেখলেই তা বাস্তবে রূপ নেয় না। প্রয়োজন পরিকল্পনা, পরিশ্রম, ধৈর্য এবং প্রতিকূলতার মুখে এগিয়ে যাওয়ার মানসিকতা। জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণ করে সেই অনুযায়ী কাজ করলেই স্বপ্ন ধীরে ধীরে বাস্তবতার রূপ পেতে পারে।

বিশ্ব স্বপ্ন দেখা দিবস হতে পারে নিজের স্বপ্ন ও ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে ভাবার একটি উপলক্ষ। কয়েক বছর পর নিজেকে কোথায় দেখতে চান, কী অর্জন করতে চান—এসব প্রশ্নের উত্তর খোঁজা যেতে পারে আজই।

নিজের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিতে কী কী প্রয়োজন, কোন পথে এগোতে হবে এবং কোথা থেকে শুরু করতে হবে—সেসব নিয়ে পরিকল্পনা করুন। স্বপ্নকে যত্নে লালন করুন, সেই অনুযায়ী লক্ষ্য নির্ধারণ করুন এবং প্রতিদিন একটু একটু করে এগিয়ে যান। কারণ বড় পরিবর্তনের শুরু অনেক সময় হয় একটি ছোট স্বপ্ন থেকেই।