ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রয়াত স্ত্রী ইকরার জন্মদিনে আবেগঘন স্ট্যাটাস যাহের আলভীর দিল্লিতে শুক্রবার তিরঙ্গা মিছিলের ডাক ককরোচ পার্টির, হাইকোর্টের সম্মতি মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগ শুরু, তালিকাভুক্ত ৩৩৮ এজেন্সি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে যুক্তরাষ্ট্রে ড. ইউনূসের নিরাপত্তা জোরদার দুর্গাপূজায় এখন পর্যন্ত কোনো নাশকতার আশঙ্কা নেই: এসআরবি ডিজি ‘ই-জাতীয় সংসদ প্রকল্প’ কমিটির সভাপতি কায়সার কামাল ‘ফ্যামিলি কার্ড ও বিনামূল্যে শিক্ষার মতো উদ্যোগ নারীদের সম্ভাবনা ও সুযোগ বাড়াচ্ছে’ সৌদি আরবে বাংলাদেশি নাগরিকদের সতর্ক থাকতে বললো দূতাবাস অন্যের প্রশংসার ক্ষেত্রে ইসলামের নির্দেশনা আচরণে যেন ফ্যাসিবাদের কোনো ছাপ না থাকে—নেতাকর্মীদের রিজভী

প্রয়াত স্ত্রী ইকরার জন্মদিনে আবেগঘন স্ট্যাটাস যাহের আলভীর

প্রয়াত স্ত্রী ইকরার জন্মদিনে আবেগঘন এক স্ট্যাটাস দিয়েছেন অভিনেতা যাহের আলভী। স্ত্রীকে হারানোর শোক, স্মৃতি, অভিমান আর সন্তান রিযিককে ঘিরে নতুন করে বেঁচে থাকার লড়াইয়ের কথা উঠে এসেছে তাঁর লেখায়।

স্ট্যাটাসে আলভী লিখেছেন, ইকরা না থাকলেও স্বাভাবিক নিয়মেই চলছে তাঁর জীবন। তিন বেলা খাওয়া, গান শোনা, শুটিং করা কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি প্রকাশ—সবই করছেন তিনি। কিন্তু স্ত্রীর অনুপস্থিতি তাঁকে প্রতিনিয়ত ভাবায়। অনেকের প্রত্যাশা, ইকরার চলে যাওয়ায় তাঁর জীবন থেমে যাবে। তবে সন্তান রিযিকের সুন্দর ভবিষ্যতের কথা ভেবেই নিজেকে সামলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন তিনি।

ইকরার উদ্দেশে আলভী আরও লেখেন, তাঁদের বন্ধুত্ব ছিল তাঁর কাছে ভীষণ প্রিয়। নিজের পরিবার ও সন্তানকে সামলে ইকরার রেখে যাওয়া আমানত রিযিককে সুন্দর জীবন দেওয়ার চেষ্টা করছেন তিনি। এ জন্য স্ত্রীর কাছে ক্ষমাও চেয়েছেন অভিনেতা।

স্ত্রীকে স্মরণ করে আলভী জানান, নামাজের বিছানায় মোনাজাতের সময় ইকরা থাকেন তাঁর ভাবনার প্রথম সারিতে। শত অভিমান থাকলেও ভালোবাসায় কোনো ক্লেশ নেই। একদিন আবার দেখা হবে—এই বিশ্বাস নিয়ে প্রিয় মানুষের সঙ্গে বাকি আড্ডা ভবিষ্যতের জন্য তুলে রেখেছেন তিনি।

স্ট্যাটাসের শেষাংশে ইকরার আত্মার শান্তি কামনা করে আলভী লিখেছেন, তাঁর জন্মদিন উপলক্ষে অনেকে কোরআন তিলাওয়াত ও দোয়া করবেন। পাশাপাশি প্রয়াত স্ত্রীর কাছে তাঁদের সন্তান রিযিককে দেখে রাখার আকুতিও জানিয়েছেন তিনি।

ইকরাকে হারানোর শূন্যতা আর রিযিককে ঘিরে বেঁচে থাকার প্রত্যয়—যাহের আলভীর এই আবেগঘন লেখায় উঠে এসেছে ভালোবাসা, বিচ্ছেদ ও দায়িত্ববোধের এক গভীর অনুভূতি।

অভিনেতা যাহের আলভীর স্ত্রী আফরা ইভনাথ খান ইকরা চলতে বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (শনিবার) মারা যান। রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএসের বাসা থেকে ওই দিন দুপুরে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

প্রয়াত স্ত্রী ইকরার জন্মদিনে আবেগঘন স্ট্যাটাস যাহের আলভীর

প্রয়াত স্ত্রী ইকরার জন্মদিনে আবেগঘন স্ট্যাটাস যাহের আলভীর

আপডেট টাইম : ১১ মিনিট আগে

প্রয়াত স্ত্রী ইকরার জন্মদিনে আবেগঘন এক স্ট্যাটাস দিয়েছেন অভিনেতা যাহের আলভী। স্ত্রীকে হারানোর শোক, স্মৃতি, অভিমান আর সন্তান রিযিককে ঘিরে নতুন করে বেঁচে থাকার লড়াইয়ের কথা উঠে এসেছে তাঁর লেখায়।

স্ট্যাটাসে আলভী লিখেছেন, ইকরা না থাকলেও স্বাভাবিক নিয়মেই চলছে তাঁর জীবন। তিন বেলা খাওয়া, গান শোনা, শুটিং করা কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি প্রকাশ—সবই করছেন তিনি। কিন্তু স্ত্রীর অনুপস্থিতি তাঁকে প্রতিনিয়ত ভাবায়। অনেকের প্রত্যাশা, ইকরার চলে যাওয়ায় তাঁর জীবন থেমে যাবে। তবে সন্তান রিযিকের সুন্দর ভবিষ্যতের কথা ভেবেই নিজেকে সামলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন তিনি।

ইকরার উদ্দেশে আলভী আরও লেখেন, তাঁদের বন্ধুত্ব ছিল তাঁর কাছে ভীষণ প্রিয়। নিজের পরিবার ও সন্তানকে সামলে ইকরার রেখে যাওয়া আমানত রিযিককে সুন্দর জীবন দেওয়ার চেষ্টা করছেন তিনি। এ জন্য স্ত্রীর কাছে ক্ষমাও চেয়েছেন অভিনেতা।

স্ত্রীকে স্মরণ করে আলভী জানান, নামাজের বিছানায় মোনাজাতের সময় ইকরা থাকেন তাঁর ভাবনার প্রথম সারিতে। শত অভিমান থাকলেও ভালোবাসায় কোনো ক্লেশ নেই। একদিন আবার দেখা হবে—এই বিশ্বাস নিয়ে প্রিয় মানুষের সঙ্গে বাকি আড্ডা ভবিষ্যতের জন্য তুলে রেখেছেন তিনি।

স্ট্যাটাসের শেষাংশে ইকরার আত্মার শান্তি কামনা করে আলভী লিখেছেন, তাঁর জন্মদিন উপলক্ষে অনেকে কোরআন তিলাওয়াত ও দোয়া করবেন। পাশাপাশি প্রয়াত স্ত্রীর কাছে তাঁদের সন্তান রিযিককে দেখে রাখার আকুতিও জানিয়েছেন তিনি।

ইকরাকে হারানোর শূন্যতা আর রিযিককে ঘিরে বেঁচে থাকার প্রত্যয়—যাহের আলভীর এই আবেগঘন লেখায় উঠে এসেছে ভালোবাসা, বিচ্ছেদ ও দায়িত্ববোধের এক গভীর অনুভূতি।

অভিনেতা যাহের আলভীর স্ত্রী আফরা ইভনাথ খান ইকরা চলতে বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (শনিবার) মারা যান। রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএসের বাসা থেকে ওই দিন দুপুরে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।