ঢাকা , শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রতিযোগিতা আমি নিজের সঙ্গেই করি : অপু বিশ্বাস ফ্যাসিবাদী আ. লীগের এ দেশে আর রাজনীতির সুযোগ হবে না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশকে এআই প্রয়োগ ও উদ্ভাবনে সক্ষম দেশে পরিণত করতে হবে: রাষ্ট্রপতি আমির হামজার ‘নারীসংক্রান্ত অডিও ও ভিডিও’ পাওয়ার দাবি রাশেদ খানের শান্তি ফিরেছে শিল্পাঞ্চলে, ছুটির দিনেও কর্মচাঞ্চল্য জলবায়ু ঝুঁকিতে বাংলাদেশসহ বিশ্বের ৯ কোটি বাস্তুচ্যুত মানুষ আইজেনকোটকে ৬৭ এমপির সমর্থন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী কে হবেন নির্ধারণ রোববার মানবিক মূল্যবোধ, পেশাগত দক্ষতা ও সততাই আইনজীবীর প্রধান শক্তি: আইনমন্ত্রী দুই ধাপে মিলবে ড্রাইভিং লাইসেন্স, আবেদনের নিয়ম ও ফি জানাল বিআরটিএ বিপ্লব ও সংহতি দিবসের শোভাযাত্রা উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

দুই ধাপে মিলবে ড্রাইভিং লাইসেন্স, আবেদনের নিয়ম ও ফি জানাল বিআরটিএ

ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে এখন আর জটিল প্রক্রিয়া নিয়ে দুশ্চিন্তার কারণ নেই। নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করে মাত্র দুই ধাপেই সম্পন্ন করা যাবে পুরো আবেদনপ্রক্রিয়া। প্রথমে নিতে হবে শিক্ষানবিশ বা লার্নার লাইসেন্স, এরপর প্রশিক্ষণ ও নির্ধারিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে করা যাবে চূড়ান্ত লাইসেন্সের আবেদন।

কোন ধাপে কী কী কাগজপত্র লাগবে, আবেদন করতে কত টাকা ফি দিতে হবে- সবকিছুই জানিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার আবেদনপ্রক্রিয়া, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ফি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরে সংস্থাটি।

যেভাবে করবেন শিক্ষানবিশ লাইসেন্সের আবেদন

বিআরটিএর তথ্য অনুযায়ী, ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার প্রথম ধাপ হলো শিক্ষানবিশ বা লার্নার লাইসেন্স সংগ্রহ করা। এ জন্য প্রথমে বিআরটিএর সেবা পোর্টাল (বিএসপি)-এ একটি অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। এরপর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়ে অনলাইনে শিক্ষানবিশ লাইসেন্সের আবেদন করতে হবে।

আবেদনের সময় চিকিৎসা সনদ, জাতীয় পরিচয়পত্র, ইউটিলিটি বিল ও শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদসহ প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দিতে হবে।

এক্ষেত্রে এক ক্যাটাগরির লাইসেন্সের জন্য ফি ৫১৮ টাকা এবং দুই ক্যাটাগরির লাইসেন্সের জন্য ৭৪৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রশিক্ষণ ও পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে

শিক্ষানবিশ লাইসেন্স পাওয়ার পর আবেদনকারীকে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ নিতে হবে। প্রশিক্ষণ শেষে লিখিত, মৌখিক ও ব্যবহারিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। এসব পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেই চূড়ান্ত ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করা যাবে।

চূড়ান্ত লাইসেন্সের আবেদন ও ফি

দ্বিতীয় ধাপে চূড়ান্ত ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্যও বিআরটিএর সেবা পোর্টালের (বিএসপি) মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।

বিআরটিএর নির্ধারিত ফি অনুযায়ী, অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য ৪ হাজার ৬২৮ টাকা এবং পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য ২ হাজার ৮৩২ টাকা জমা দিতে হবে।

যদিও পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদনকারীদের আবেদনের সঙ্গে ডোপ টেস্টের সনদ জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক।

আবেদন অনুমোদিত হলে আবেদনকারী ই-ড্রাইভিং লাইসেন্স পাবেন। এ ছাড়া অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে ব্যবহার করে ফি পরিশোধের ক্ষেত্রে নির্ধারিত ফির বাইরে অতিরিক্ত চার্জ প্রযোজ্য হবে বলে জানিয়েছে বিআরটিএ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতিযোগিতা আমি নিজের সঙ্গেই করি : অপু বিশ্বাস

দুই ধাপে মিলবে ড্রাইভিং লাইসেন্স, আবেদনের নিয়ম ও ফি জানাল বিআরটিএ

আপডেট টাইম : ৪ ঘন্টা আগে

ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে এখন আর জটিল প্রক্রিয়া নিয়ে দুশ্চিন্তার কারণ নেই। নির্ধারিত নিয়ম অনুসরণ করে মাত্র দুই ধাপেই সম্পন্ন করা যাবে পুরো আবেদনপ্রক্রিয়া। প্রথমে নিতে হবে শিক্ষানবিশ বা লার্নার লাইসেন্স, এরপর প্রশিক্ষণ ও নির্ধারিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে করা যাবে চূড়ান্ত লাইসেন্সের আবেদন।

কোন ধাপে কী কী কাগজপত্র লাগবে, আবেদন করতে কত টাকা ফি দিতে হবে- সবকিছুই জানিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার আবেদনপ্রক্রিয়া, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ফি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরে সংস্থাটি।

যেভাবে করবেন শিক্ষানবিশ লাইসেন্সের আবেদন

বিআরটিএর তথ্য অনুযায়ী, ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়ার প্রথম ধাপ হলো শিক্ষানবিশ বা লার্নার লাইসেন্স সংগ্রহ করা। এ জন্য প্রথমে বিআরটিএর সেবা পোর্টাল (বিএসপি)-এ একটি অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। এরপর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়ে অনলাইনে শিক্ষানবিশ লাইসেন্সের আবেদন করতে হবে।

আবেদনের সময় চিকিৎসা সনদ, জাতীয় পরিচয়পত্র, ইউটিলিটি বিল ও শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদসহ প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দিতে হবে।

এক্ষেত্রে এক ক্যাটাগরির লাইসেন্সের জন্য ফি ৫১৮ টাকা এবং দুই ক্যাটাগরির লাইসেন্সের জন্য ৭৪৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রশিক্ষণ ও পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে

শিক্ষানবিশ লাইসেন্স পাওয়ার পর আবেদনকারীকে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ নিতে হবে। প্রশিক্ষণ শেষে লিখিত, মৌখিক ও ব্যবহারিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে। এসব পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলেই চূড়ান্ত ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য আবেদন করা যাবে।

চূড়ান্ত লাইসেন্সের আবেদন ও ফি

দ্বিতীয় ধাপে চূড়ান্ত ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্যও বিআরটিএর সেবা পোর্টালের (বিএসপি) মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।

বিআরটিএর নির্ধারিত ফি অনুযায়ী, অপেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য ৪ হাজার ৬২৮ টাকা এবং পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের জন্য ২ হাজার ৮৩২ টাকা জমা দিতে হবে।

যদিও পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সের আবেদনকারীদের আবেদনের সঙ্গে ডোপ টেস্টের সনদ জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক।

আবেদন অনুমোদিত হলে আবেদনকারী ই-ড্রাইভিং লাইসেন্স পাবেন। এ ছাড়া অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে ব্যবহার করে ফি পরিশোধের ক্ষেত্রে নির্ধারিত ফির বাইরে অতিরিক্ত চার্জ প্রযোজ্য হবে বলে জানিয়েছে বিআরটিএ।