ঢাকা , শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাত্র ১ ইউরোতে বিক্রি হলো জিদানের সাবেক ক্লাব প্রতিটি স্কুলে উন্নত কম্পিউটার ল্যাব নিশ্চিত করতে হবে : অর্থমন্ত্রী স্যাটেলাইট-টু-মোবাইল সেবা চালু করলো বাংলালিংক ইংরেজি ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা বাড়াতে হবে শিক্ষার্থীদের: ববি হাজ্জাজ রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রের সংস্কার শেষ, চিকিৎসাসেবা চালুতে দরকার আসবাব ও যন্ত্রপাতি গণহত্যার দায়ে ইসরায়েলকে দায়ী করা নাভি পিল্লাই পেলেন নোবেল শান্তি পুরস্কার ধর্ম-বর্ণ-সম্প্রদায় নির্বিশেষে সবার কল্যাণে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী এয়ারবাসের ১০ উড়োজাহাজ কিনতে চুক্তি সই পোশাক শ্রমিকদের মজুরি বোর্ড গঠনের নীতিগত সিদ্ধান্ত সরকারের ১৭ হাজার মুসল্লির ধারণক্ষমতাসম্পন্ন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ

নগরকান্দায় ড্রাগন ফলের পরীক্ষামূলক চাষে সফলতা

জেলার নগরকান্দা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় চাষ হচ্ছে উচ্চফলনশীল ও প্রচুর পুষ্টিগুন সম্পন্ন ড্রাগন ফল।

অনুকূল আবহাওয়া থাকায় ও উৎপাদন খরচ কম হওয়ায় ও বাজারে দাম বেশি থাকায় এলাকার কৃষকদের কাছে দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে ড্রাগন ফলের চাষ। এ এলাকায় উন্নত জাতের লাল ড্রাগন ফল (সাদা শাঁস) ও লাল ড্রাগন ফল (রঙিন শাঁস) বেশি চাষ হচ্ছে ।

প্রতি কেজি ড্রাগন ফল ৬০০ টাকা থেকে ৮০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। মিষ্টি ও টক-মিষ্টি স্বাদের ড্রাগন ফলে প্রচুর স্বাস্থ্য উপকারিতা ও প্রসাধনী গুণ থাকায় এর ব্যাপক চাহিদা দেখা যাচ্ছে। ড্রাগন ফলের রস দিয়ে তৈরী প্রসাধনী ব্যবহার করলে স্বাভাবিক বার্ধক্য বিলম্বিত করে, ত্বকে ভাজ পড়া বন্ধ হয়, ত্বকের রেখা ও কুচকানো দাগ মুছে লাবণ্যতা বৃদ্ধি করে। ড্রাগন গাছের কচি ডগা বা কাঁচা ড্রাগন ফলের পেস্ট মুখ ও ত্বক পরিচর্যায় খুবই উপকারী।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আশুতোষ কুমার বিশ্বাস বলেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় কৃষকদের প্রশিক্ষণ, বিনামূল্যে উপকরণ, প্রাথমিক খরচ প্রদান করে ড্রাগন ফল চাষে উৎসাহিত করা হচ্ছে। ড্রাগন ফল চাষে এ উপজেলার আবহাওয়া খুবই উপযোগী হওয়ায় পরীক্ষামূলক চাষ করে আমরা ব্যাপক সফলতা পেয়েছি। আশা করছি, কয়েক বছরের মধ্যে আমরা ড্রাগন ফল চাষে মডেল হতে পারবো।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

মাত্র ১ ইউরোতে বিক্রি হলো জিদানের সাবেক ক্লাব

নগরকান্দায় ড্রাগন ফলের পরীক্ষামূলক চাষে সফলতা

আপডেট টাইম : ০৬:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ অগাস্ট ২০১৬

জেলার নগরকান্দা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় চাষ হচ্ছে উচ্চফলনশীল ও প্রচুর পুষ্টিগুন সম্পন্ন ড্রাগন ফল।

অনুকূল আবহাওয়া থাকায় ও উৎপাদন খরচ কম হওয়ায় ও বাজারে দাম বেশি থাকায় এলাকার কৃষকদের কাছে দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে ড্রাগন ফলের চাষ। এ এলাকায় উন্নত জাতের লাল ড্রাগন ফল (সাদা শাঁস) ও লাল ড্রাগন ফল (রঙিন শাঁস) বেশি চাষ হচ্ছে ।

প্রতি কেজি ড্রাগন ফল ৬০০ টাকা থেকে ৮০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। মিষ্টি ও টক-মিষ্টি স্বাদের ড্রাগন ফলে প্রচুর স্বাস্থ্য উপকারিতা ও প্রসাধনী গুণ থাকায় এর ব্যাপক চাহিদা দেখা যাচ্ছে। ড্রাগন ফলের রস দিয়ে তৈরী প্রসাধনী ব্যবহার করলে স্বাভাবিক বার্ধক্য বিলম্বিত করে, ত্বকে ভাজ পড়া বন্ধ হয়, ত্বকের রেখা ও কুচকানো দাগ মুছে লাবণ্যতা বৃদ্ধি করে। ড্রাগন গাছের কচি ডগা বা কাঁচা ড্রাগন ফলের পেস্ট মুখ ও ত্বক পরিচর্যায় খুবই উপকারী।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আশুতোষ কুমার বিশ্বাস বলেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় কৃষকদের প্রশিক্ষণ, বিনামূল্যে উপকরণ, প্রাথমিক খরচ প্রদান করে ড্রাগন ফল চাষে উৎসাহিত করা হচ্ছে। ড্রাগন ফল চাষে এ উপজেলার আবহাওয়া খুবই উপযোগী হওয়ায় পরীক্ষামূলক চাষ করে আমরা ব্যাপক সফলতা পেয়েছি। আশা করছি, কয়েক বছরের মধ্যে আমরা ড্রাগন ফল চাষে মডেল হতে পারবো।