ঢাকা , বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন ফের লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস, আবহাওয়া নিয়ে নতুন বার্তা অধিদপ্তরের চলতি অর্থবছরেই ৪১ লাখ নতুন ফ্যামিলি কার্ড দেবে সরকার দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের প্রধান নীতিগত অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী সংসদে ‘ব্যক্তিগত মন্তব্য’ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী আদমদীঘিতে কাঁচা মরিচের দামে ‘সেঞ্চুরি’, স্বস্তিতে কৃষক ব্রয়লার মুরগি খাওয়া কতটা নিরাপদ ‘ব্রয়লার মুরগি’ মন্তব্য নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ছাত্রদলের নাছির দেশের যেসব অঞ্চলে রাত ১টার মধ্যে ঝড়ের আভাস দিল্লিতে বসে হুঙ্কার দিয়ে লাভ নেই, সীমানায় ঢুকলেই গ্রেপ্তার: আইনমন্ত্রী

কেন ঘড়ির কাঁটা ডানদিকে ঘোরে

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ সময় চলে যায়। কেটে যায় মাস, দিন, বছর। হাতে বা দেওয়ালে টাঙিয়ে রাখা ঘড়িটার দিকে তাকান। দেখবেন, কেমন করে একটু একটু করে ঘুরে যাচ্ছে কাঁটা। আর কেটে যাচ্ছে জীবন। কিন্তু কেন ঘড়ির কাঁটা ডানদিকে ঘোরে। বামদিকেও তো ঘুরতে পারত।

এর কি কোনও নির্দিষ্ট কারণ আছে? মনের মধ্যে কখনও কি উঁকি দিয়েছে এই প্রশ্ন। আসুন জেনে নেওয়া যাক কেন সব ঘড়িতেই এমনটা হয়। সোনার ঘড়ি হোক বা ফুটপাথের প্লাস্টিকের ঘড়ি, ঘড়ির মালিক হরিপদ কেরানি হোন বা আকবর বাদশাহ- নিয়মের কোনও নড়চড় নেই কেন।

আসলে ঘড়ির আবিষ্কার হয়েছিল ইউরোপে। তার আগে মানুষ সময় দেখত সূর্য ঘড়িতে। আর সেই সূর্য ঘড়ির প্রভাবেই ঘড়ির কাঁটা ঘুরতে থাকল ডানদিকে। ব্যাপারটা খুলে বলা যাক।

ইউরোপ পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধে অবস্থিত। তাই সূর্য হেলে থাকে দক্ষিণ আকাশে। সেই কারণেই সূর্য ঘড়িতে যে দণ্ড থাকত, তার ছায়া বাঁ থেকে ডানদিকেই সরে সরে যেত। সেই হিসেবেই হতো সময়ের পরিমাপ। এই কারণেই ঘড়ির কাঁটাও ওই ভাবেই সরতে লাগল। বাম থেকে ডানদিকে। যাকে বলে ক্লকওয়াইজ।

সূর্য ঘড়ি কত যুগ হল পরিত্যক্ত। অথচ তার ছোঁয়া যেন আজও নিয়ন্ত্রণ করে চলে ঘড়ির চলনকে। ঠিক এই ভাবেই ইতিহাসকে ছুঁয়ে সামনের দিকে এগিয়ে চলে সময়। এটাই বোধহয় নিয়ম।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন

কেন ঘড়ির কাঁটা ডানদিকে ঘোরে

আপডেট টাইম : ১১:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ সময় চলে যায়। কেটে যায় মাস, দিন, বছর। হাতে বা দেওয়ালে টাঙিয়ে রাখা ঘড়িটার দিকে তাকান। দেখবেন, কেমন করে একটু একটু করে ঘুরে যাচ্ছে কাঁটা। আর কেটে যাচ্ছে জীবন। কিন্তু কেন ঘড়ির কাঁটা ডানদিকে ঘোরে। বামদিকেও তো ঘুরতে পারত।

এর কি কোনও নির্দিষ্ট কারণ আছে? মনের মধ্যে কখনও কি উঁকি দিয়েছে এই প্রশ্ন। আসুন জেনে নেওয়া যাক কেন সব ঘড়িতেই এমনটা হয়। সোনার ঘড়ি হোক বা ফুটপাথের প্লাস্টিকের ঘড়ি, ঘড়ির মালিক হরিপদ কেরানি হোন বা আকবর বাদশাহ- নিয়মের কোনও নড়চড় নেই কেন।

আসলে ঘড়ির আবিষ্কার হয়েছিল ইউরোপে। তার আগে মানুষ সময় দেখত সূর্য ঘড়িতে। আর সেই সূর্য ঘড়ির প্রভাবেই ঘড়ির কাঁটা ঘুরতে থাকল ডানদিকে। ব্যাপারটা খুলে বলা যাক।

ইউরোপ পৃথিবীর উত্তর গোলার্ধে অবস্থিত। তাই সূর্য হেলে থাকে দক্ষিণ আকাশে। সেই কারণেই সূর্য ঘড়িতে যে দণ্ড থাকত, তার ছায়া বাঁ থেকে ডানদিকেই সরে সরে যেত। সেই হিসেবেই হতো সময়ের পরিমাপ। এই কারণেই ঘড়ির কাঁটাও ওই ভাবেই সরতে লাগল। বাম থেকে ডানদিকে। যাকে বলে ক্লকওয়াইজ।

সূর্য ঘড়ি কত যুগ হল পরিত্যক্ত। অথচ তার ছোঁয়া যেন আজও নিয়ন্ত্রণ করে চলে ঘড়ির চলনকে। ঠিক এই ভাবেই ইতিহাসকে ছুঁয়ে সামনের দিকে এগিয়ে চলে সময়। এটাই বোধহয় নিয়ম।