ঢাকা , সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জলাবদ্ধতা দূর করে নগরজীবন স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করছি: ডিএসসিসি প্রশাসক ২০০৯ সালের পর ঢাকায় একদিনে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড ফাঁস হলো স্যামসাং জেড ফোল্ড ৮ আল্ট্রার দাম ও ফিচার হতাশা থেকে মুক্তি দিতে পারে কোরআনের এই ১০ আয়াত চট্টগ্রামের দুর্গতদের পাশে যুবদল সভাপতি মুন্না বর্তমান রিজার্ভ প্রায় ৩৬.০৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার : অর্থমন্ত্রী সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা, পরীমণির বাঁধভাঙ্গা উল্লাস জলাবদ্ধতাকবলিত মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সমন্বয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নিতে ইরানের হিট লিস্টে ১৩ বিশ্বনেতা দুই মাস পর ঘুরে দাঁড়ালো সঞ্চয়পত্র বিক্রি

ভৈরবে উপজেলার কৃতি সন্তান রাকিব মোসাব্বির সংগীতের জন্য ঘর ছাড়া

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ কিশোরগঞ্জের ভৈরবের উচ্চ সম্ভ্রান্ত হাজী মুসলিম পরিবারে জন্ম তার। ২০০৫ সালে পরিবারের অমতেই সংগীত নিয়ে পথ চলা শুরু করেন। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পড়াশোনা শেষ করে “পুপলার মিউজিক থিওরি” ও “পিয়ানো স্টাফ নোটেশন” এর উপর সংগীত নিয়ে পড়াশোনা করেন ঢাকার বেসরকারি একটি মিউজিক ইনিস্টিটিউটে।

পরিবারের অবাধ্য ছেলেটি এক সময় সংগীত জগতকে আপন করে নেন। ২০০৭ সালে মুক্তি পায় তার প্রথম অ্যালবাম “যারে আমার মন”। মিডিয়া বিমুখ এ সংগীতকার এর প্রথম গান, প্রথম অ্যালবামেই বাজিমাত করে শ্রোতার হৃদয়। তখন মিডিয়া কভারেজ না পেলেও বাংলাদেশের প্রকৃত গানের শ্রোতাদের মনে ঠিকই জায়গা করে নেয় সংগীতের জন্য ঘর ছাড়া পাগলাটে ছেলেটি।

এরপর একাধিক ব্যবসা সফল গান ও অ্যালবাম দিয়ে ধীরে ধীরে আলোচনায় আশা শুরু করেন তিনি। “যারে আমার মন” এর পর তার শ্রোতাপ্রিয়তা ও ব্যবসাসফল গানের সংখ্যা অসংখ্য।

নতুন প্রজন্মের মধ্যে যাদের গানের অডিও ভার্সনও শ্রোতাপ্রিয় হয়, তাদের মধ্যে এই ছেলেটির সংগীত অন্যতম। ছেলেটি একই সাথে বাংলাদেশ ও ভারতের কলকাতা ও মোম্বাইয়ের আর্টিস্টদের নিয়ে কাজ করেছেন। তার সংগীতে গান গেয়েছেন বাংলাদেশের প্রায় অর্ধশতক জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পীরা।

তার গান লিখেছেন বাংলাদেশের অনেক জনপ্রিয় গীতিকাররা। তার সংগীতে গান গেয়ে কিংবা তার সাথে কাজ করে অনেক শিল্পী, গীতিকার, সুরকার, ডিরেক্টর পেয়েছেন মিডিয়া ফ্রেম।

ইতিমধ্যে ছেলেটি প্রতিষ্ঠিত করেছেন একাধিক মিডিয়া প্রতিষ্ঠান, যার মধ্যে রয়েছে অডিও-ভিডিও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান, ফিল্ম প্রডাকশন এবং মালিকানায় আছে একাধিক সংবাদপত্র।

তাছাড়া তার মুক্তিপ্রাপ্ত গানের সংখ্যা ৩০০ এর মত। তিনি কাজ করেছেন জনপ্রিয়তার তুঙ্গে থাকাকালীন ৫ অডিও প্রযোজনা সংস্থা- লেজার ভিশন, গানচিল, সিডি চয়েজ মিউজিক, সাউন্ডটেক, সিডি চয়েজ।

এছাড়া বাংলাদেশের অনেক টেলি কন্টেইন প্রভাইডারের কোম্পানীর সাথে রয়েছে তার গানের শেয়ার পার্টনার।

যে ছেলেটির কথা এখানে বলা হচ্ছে তাকে তার কাছের অনেকেই মিডিয়ার “অন ম্যান আর্মি”, অনেকে আবার তাকে সংগীত “সাইলেন্ট হিটার”, ক্ষেত্র বিশেষে অনেকে “ম্যাজিক স্টোন”ও বলেন। যার এক অঙ্গে বহুরুপ বলে অনেকে মজা নেন। যিনি একাধারে একজন- কণ্ঠশিল্পী, সুরকার, গীতিকার, সংগীত_পরিচালক, সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার, মিউজিসিয়ান, মিউজিক কম্পোজার, সফটওয়্যার প্রোগ্রামার, ভিডিও এডিটর, ভিজ্যুয়াল কালার ডিজাইনার, ভিএফএক্স মেকার, সিনেফটোগ্রাফার, মডেল, কলামিস্ট, লেখক, প্রযোজক, নির্মাতা ও প্রতিষ্ঠাতা। তিনিই  রাকিব_মোসাব্বির!

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জলাবদ্ধতা দূর করে নগরজীবন স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করছি: ডিএসসিসি প্রশাসক

ভৈরবে উপজেলার কৃতি সন্তান রাকিব মোসাব্বির সংগীতের জন্য ঘর ছাড়া

আপডেট টাইম : ১২:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ মে ২০১৮

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ কিশোরগঞ্জের ভৈরবের উচ্চ সম্ভ্রান্ত হাজী মুসলিম পরিবারে জন্ম তার। ২০০৫ সালে পরিবারের অমতেই সংগীত নিয়ে পথ চলা শুরু করেন। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পড়াশোনা শেষ করে “পুপলার মিউজিক থিওরি” ও “পিয়ানো স্টাফ নোটেশন” এর উপর সংগীত নিয়ে পড়াশোনা করেন ঢাকার বেসরকারি একটি মিউজিক ইনিস্টিটিউটে।

পরিবারের অবাধ্য ছেলেটি এক সময় সংগীত জগতকে আপন করে নেন। ২০০৭ সালে মুক্তি পায় তার প্রথম অ্যালবাম “যারে আমার মন”। মিডিয়া বিমুখ এ সংগীতকার এর প্রথম গান, প্রথম অ্যালবামেই বাজিমাত করে শ্রোতার হৃদয়। তখন মিডিয়া কভারেজ না পেলেও বাংলাদেশের প্রকৃত গানের শ্রোতাদের মনে ঠিকই জায়গা করে নেয় সংগীতের জন্য ঘর ছাড়া পাগলাটে ছেলেটি।

এরপর একাধিক ব্যবসা সফল গান ও অ্যালবাম দিয়ে ধীরে ধীরে আলোচনায় আশা শুরু করেন তিনি। “যারে আমার মন” এর পর তার শ্রোতাপ্রিয়তা ও ব্যবসাসফল গানের সংখ্যা অসংখ্য।

নতুন প্রজন্মের মধ্যে যাদের গানের অডিও ভার্সনও শ্রোতাপ্রিয় হয়, তাদের মধ্যে এই ছেলেটির সংগীত অন্যতম। ছেলেটি একই সাথে বাংলাদেশ ও ভারতের কলকাতা ও মোম্বাইয়ের আর্টিস্টদের নিয়ে কাজ করেছেন। তার সংগীতে গান গেয়েছেন বাংলাদেশের প্রায় অর্ধশতক জনপ্রিয় কন্ঠশিল্পীরা।

তার গান লিখেছেন বাংলাদেশের অনেক জনপ্রিয় গীতিকাররা। তার সংগীতে গান গেয়ে কিংবা তার সাথে কাজ করে অনেক শিল্পী, গীতিকার, সুরকার, ডিরেক্টর পেয়েছেন মিডিয়া ফ্রেম।

ইতিমধ্যে ছেলেটি প্রতিষ্ঠিত করেছেন একাধিক মিডিয়া প্রতিষ্ঠান, যার মধ্যে রয়েছে অডিও-ভিডিও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান, ফিল্ম প্রডাকশন এবং মালিকানায় আছে একাধিক সংবাদপত্র।

তাছাড়া তার মুক্তিপ্রাপ্ত গানের সংখ্যা ৩০০ এর মত। তিনি কাজ করেছেন জনপ্রিয়তার তুঙ্গে থাকাকালীন ৫ অডিও প্রযোজনা সংস্থা- লেজার ভিশন, গানচিল, সিডি চয়েজ মিউজিক, সাউন্ডটেক, সিডি চয়েজ।

এছাড়া বাংলাদেশের অনেক টেলি কন্টেইন প্রভাইডারের কোম্পানীর সাথে রয়েছে তার গানের শেয়ার পার্টনার।

যে ছেলেটির কথা এখানে বলা হচ্ছে তাকে তার কাছের অনেকেই মিডিয়ার “অন ম্যান আর্মি”, অনেকে আবার তাকে সংগীত “সাইলেন্ট হিটার”, ক্ষেত্র বিশেষে অনেকে “ম্যাজিক স্টোন”ও বলেন। যার এক অঙ্গে বহুরুপ বলে অনেকে মজা নেন। যিনি একাধারে একজন- কণ্ঠশিল্পী, সুরকার, গীতিকার, সংগীত_পরিচালক, সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার, মিউজিসিয়ান, মিউজিক কম্পোজার, সফটওয়্যার প্রোগ্রামার, ভিডিও এডিটর, ভিজ্যুয়াল কালার ডিজাইনার, ভিএফএক্স মেকার, সিনেফটোগ্রাফার, মডেল, কলামিস্ট, লেখক, প্রযোজক, নির্মাতা ও প্রতিষ্ঠাতা। তিনিই  রাকিব_মোসাব্বির!