ঢাকা , বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন ফের লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস, আবহাওয়া নিয়ে নতুন বার্তা অধিদপ্তরের চলতি অর্থবছরেই ৪১ লাখ নতুন ফ্যামিলি কার্ড দেবে সরকার দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের প্রধান নীতিগত অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী সংসদে ‘ব্যক্তিগত মন্তব্য’ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী আদমদীঘিতে কাঁচা মরিচের দামে ‘সেঞ্চুরি’, স্বস্তিতে কৃষক ব্রয়লার মুরগি খাওয়া কতটা নিরাপদ ‘ব্রয়লার মুরগি’ মন্তব্য নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ছাত্রদলের নাছির দেশের যেসব অঞ্চলে রাত ১টার মধ্যে ঝড়ের আভাস দিল্লিতে বসে হুঙ্কার দিয়ে লাভ নেই, সীমানায় ঢুকলেই গ্রেপ্তার: আইনমন্ত্রী

এই বিরল প্রজাতির মুরগির রক্তও কালো

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ এক বিরল প্রজাতির মুরগি ‘অ্যায়াম কেমানি’। সারা শরীর কুচকুচে কালো। কালো ছাড়া অন্য কোনও রঙের ছিঁটেফোটাও নেই শরীরে। বিরল প্রজাতির এই মুরগির দেখা পাওয়া যায় ইন্দোনেশিয়ায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় রীতিমতো ভাইরাল এখন এই মুরগি। এক নজরে জেনে নেওয়া যাক অ্যায়াম কেমানি সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।

পালক, ঠোঁট, চোখ থেকে পায়ের নখ—এই প্রজাতির মুরগির সব কিছুই কালো। এমনকী তার চামড়া, জিহ্বাও কালো। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন তাদের রক্তের র‌ংও কালচে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, এই প্রজাতির মুরগির শরীরের সব অঙ্গসহ হাড়ও কালো। তবে বিশেষজ্ঞেরা বলেন, আসলে ফাইব্রোমেলানোসিস নামে বিরল রোগে আক্রান্ত এই প্রজাতির মুরগি। শরীরে অতিরিক্ত মেলানিন থাকায় তারা এতটা কালো। সংকর প্রজাতির এই মুরগি প্রথম ইন্দোনেশিয়াতেই তৈরি করা হয়। সেদেশে এই মুরগির ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। তবে প্রতি দিনের খাবার হিসেবে নয়। ইন্দোনেশিয়ায় বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে উত্সর্গ করে তার পর খাওয়া হয় ওই মুরগি। ইন্দোনেশিয়ার মানুষ মনে করেন, ঘরে কালো মুরগি থাকলে সুখ সমৃদ্ধি বৃদ্ধি পায়। তাই তারা বেশি দাম দিয়ে এই মুরগি কিনে লালন-পালন করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন

এই বিরল প্রজাতির মুরগির রক্তও কালো

আপডেট টাইম : ০৩:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ মে ২০১৮

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ এক বিরল প্রজাতির মুরগি ‘অ্যায়াম কেমানি’। সারা শরীর কুচকুচে কালো। কালো ছাড়া অন্য কোনও রঙের ছিঁটেফোটাও নেই শরীরে। বিরল প্রজাতির এই মুরগির দেখা পাওয়া যায় ইন্দোনেশিয়ায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় রীতিমতো ভাইরাল এখন এই মুরগি। এক নজরে জেনে নেওয়া যাক অ্যায়াম কেমানি সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।

পালক, ঠোঁট, চোখ থেকে পায়ের নখ—এই প্রজাতির মুরগির সব কিছুই কালো। এমনকী তার চামড়া, জিহ্বাও কালো। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন তাদের রক্তের র‌ংও কালচে। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, এই প্রজাতির মুরগির শরীরের সব অঙ্গসহ হাড়ও কালো। তবে বিশেষজ্ঞেরা বলেন, আসলে ফাইব্রোমেলানোসিস নামে বিরল রোগে আক্রান্ত এই প্রজাতির মুরগি। শরীরে অতিরিক্ত মেলানিন থাকায় তারা এতটা কালো। সংকর প্রজাতির এই মুরগি প্রথম ইন্দোনেশিয়াতেই তৈরি করা হয়। সেদেশে এই মুরগির ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। তবে প্রতি দিনের খাবার হিসেবে নয়। ইন্দোনেশিয়ায় বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানে উত্সর্গ করে তার পর খাওয়া হয় ওই মুরগি। ইন্দোনেশিয়ার মানুষ মনে করেন, ঘরে কালো মুরগি থাকলে সুখ সমৃদ্ধি বৃদ্ধি পায়। তাই তারা বেশি দাম দিয়ে এই মুরগি কিনে লালন-পালন করেন।