ঢাকা , শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উন্নয়নের নতুন স্বপ্ন দেখছে বগুড়া প্রশাসনের নাকের ডগায় ভুয়া জার্মান ক্লাব বিদেশি ক্লাবের সাইনবোর্ডে রমরমা মাদক ব্যবসা ঢাকা উত্তরে দুই, দক্ষিণে চার নেতা আলোচনায় বিএনপির সম্ভাব্য মেয়র পদপ্রার্থী নয় বছর পর খুলল ওসমানী উদ্যান পদত্যাগের নির্দেশ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী ‘সেরা পরামর্শ’ দিয়েছিলেন: ইশরাক ‘ডিআইজির বাড়ি’ বলে অভয় দেওয়া হয় আমন্ত্রিতদের ৫৯২ কোটি টাকায় খনন হবে দুটি নতুন কূপ ম্যাজিস্ট্রেসি ছেড়ে রাজনীতিতে, সালাহউদ্দিনের একাল-সেকাল সুন্দরবনের হিরণ পয়েন্ট পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী সাইবার সুরক্ষাসহ গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট আইন সংশোধন হচ্ছে: তথ্যমন্ত্রী

জাপানের ‘বেড়াল দ্বীপ’ রহস্য

জাপানের দ্বীপ আওশিমার দৈর্ঘ দেড় কিলোমিটারের কিছু বেশি। বর্তমানে সেখানে বাস করেন জনা পনেরো বৃদ্ধ-বৃদ্ধা। আর রয়েছে ‘অগুনতি’ বেড়াল! আশ্চর্য ব্যাপার হলেও, এটাই সত্যি। এ কারণে দ্বীপটির পরিচয় ‘নেকোজিমা’ নামেও, যার অর্থ ‘বেড়াল দ্বীপ’।

আওশিমার মতো, জাপানে এরকম আরও এক ডজন বেড়াল দ্বীপ রয়েছে। জেলে-মাঝিদের মাছ ধরার জাল কেটে দিত ইঁদুরের দল। তাদের হাত থেকে জাল রক্ষার্থেই বিড়ালের স্মরণাপন্ন হয় জেলেরা।

১৯৪৫ সালেও এই দ্বীপে বসবাস করতেন ৯০০ মানুষ। তবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর, আওশিমা দ্বীপের বেশিরভাগ মানুষ চলে যান জনজীবনের মূল স্রোতে, রুজির টানে। তারপরও হাতে গোনা কিছু সংখ্যক মানুষ থেকে যান দ্বীপেই।

২০১৩ সালে প্রথমবারের মতো গণমাধ্যমে আসে আওশিমার ‘মার্জার পরিবার’-এর (মার্জার মানে বিড়াল) কথা। তার পর থেকেই পর্যটকদের যাতায়াত শুরু হয়েছে এই দ্বীপে। আওশিমা ছাড়া তাশিরোজিমা, জেনকাইশিমা ও মুজুকিজিমা দ্বীপও বেড়ালের জন্য পরিচিতি পেয়েছে।

জাপানই একমাত্র নয়, যারা বিড়ালদের জন্য জায়গা ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়ায় যথাক্রমে ১৮ ও ১৫টি এমন দ্বীপ রয়েছে। তারপরও অন্য সবার চেয়ে জাপান ব্যতিক্রম। কারণ জাপান যে শুধু আস্ত দ্বীপ ছেড়ে দিয়েছে, তা নয়। বিড়াল দ্বীপের পাশাপাশি জাপান জুড়ে রয়েছে ক্যাট-ক্যাফে, ক্যাট-স্রাইন ও ‘হ্যালো কিটি’ নামে ক্যাট-শপ!
সূত্র : এবেলা

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

উন্নয়নের নতুন স্বপ্ন দেখছে বগুড়া

জাপানের ‘বেড়াল দ্বীপ’ রহস্য

আপডেট টাইম : ০৫:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬

জাপানের দ্বীপ আওশিমার দৈর্ঘ দেড় কিলোমিটারের কিছু বেশি। বর্তমানে সেখানে বাস করেন জনা পনেরো বৃদ্ধ-বৃদ্ধা। আর রয়েছে ‘অগুনতি’ বেড়াল! আশ্চর্য ব্যাপার হলেও, এটাই সত্যি। এ কারণে দ্বীপটির পরিচয় ‘নেকোজিমা’ নামেও, যার অর্থ ‘বেড়াল দ্বীপ’।

আওশিমার মতো, জাপানে এরকম আরও এক ডজন বেড়াল দ্বীপ রয়েছে। জেলে-মাঝিদের মাছ ধরার জাল কেটে দিত ইঁদুরের দল। তাদের হাত থেকে জাল রক্ষার্থেই বিড়ালের স্মরণাপন্ন হয় জেলেরা।

১৯৪৫ সালেও এই দ্বীপে বসবাস করতেন ৯০০ মানুষ। তবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর, আওশিমা দ্বীপের বেশিরভাগ মানুষ চলে যান জনজীবনের মূল স্রোতে, রুজির টানে। তারপরও হাতে গোনা কিছু সংখ্যক মানুষ থেকে যান দ্বীপেই।

২০১৩ সালে প্রথমবারের মতো গণমাধ্যমে আসে আওশিমার ‘মার্জার পরিবার’-এর (মার্জার মানে বিড়াল) কথা। তার পর থেকেই পর্যটকদের যাতায়াত শুরু হয়েছে এই দ্বীপে। আওশিমা ছাড়া তাশিরোজিমা, জেনকাইশিমা ও মুজুকিজিমা দ্বীপও বেড়ালের জন্য পরিচিতি পেয়েছে।

জাপানই একমাত্র নয়, যারা বিড়ালদের জন্য জায়গা ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও অস্ট্রেলিয়ায় যথাক্রমে ১৮ ও ১৫টি এমন দ্বীপ রয়েছে। তারপরও অন্য সবার চেয়ে জাপান ব্যতিক্রম। কারণ জাপান যে শুধু আস্ত দ্বীপ ছেড়ে দিয়েছে, তা নয়। বিড়াল দ্বীপের পাশাপাশি জাপান জুড়ে রয়েছে ক্যাট-ক্যাফে, ক্যাট-স্রাইন ও ‘হ্যালো কিটি’ নামে ক্যাট-শপ!
সূত্র : এবেলা