ঢাকা , মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জিয়া শিশু একাডেমির আয়োজনে ‎‘শাপলাকুঁড়ি’র প্রাথমিক বাছাই শুরু প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় প্রতিবন্ধী স্কুল প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য সরকারের : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ক্যানসার চিকিৎসায় ৩৬ কোটি অনুদান মেসির চুক্তিতে সেতু বিভাগের সচিব হলেন আবদুর রউফ নিউইয়র্কের পথে ইস্তাম্বুলে যাত্রাবিরতি করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গাজী নজরুলের এমপি পদ থাকবে কি না, সিদ্ধান্ত স্পিকার ও ইসির : শিশির মনির ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাক্ষাৎ হতে পারে জাতিসংঘ সম্মেলনের সাইডলাইনে পাকিস্তান-চীনের নতুন সীমান্ত চুক্তিতে ভারত কেন ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সফর পৃথিবীর ইতিহাসে বিশেষ মুহূর্ত: মাহদী আমিন দুই মাসে এডিপি বাস্তবায়ন ২ শতাংশেরও নিচে

কৃষকের গর্ব

আমি জন্মেছি কৃষকের ভাঙ্গা কুটিরে
এক কৃষাণীর ছোট্ট উদরে দিয়ে মই
যন্ত্রনায় কাতর করেছি তারে
হালচাষ করেছি সেথায় বারে বারে।

বাবা টেনেছে হুক্কা আঙ্গিনায় বসে
পায়ের উপর তুলে পা সন্ন্যাসী বেশে
কোন এক প্রভাতি ক্ষণে ঘুরতে এলাম
ঝড়বৃষ্টি মাথায় নিয়ে সবুজের দেশে।

গোয়ালের মত সেঁতসেঁত মাটি
রুগ্ন কৃষকের ঘরে আবার শীতল পাটি,
উনুনে শূন্য হাড়ি, ছেঁড়া


কাঁথায় গুটিয়ে গা
তাহাতেই কৃষকের সুখ, বলে কৃষাণী মা।

সকালের পান্তাভাতে শুকনা মরিচের ঝাল
তাহাতেই পাই মজা, কৃষকের গর্ব চিরকাল,
আমার শৈশব পাড়ি গরু-ছাগলের পালে
তপ্ত দুপুরে গোসল দিয়াছি তাদের বুচা মিঞার খালে।

গামছা মাথায় বাধিয়া মহিষের পিঠে
ভাবনায় ভেবেছি রাজকীয় মুকুটে,
ঘুরিয়াছি আঁকাবাঁকা মেঠো পথে
শমশের ভাবিয়া, কৃষকের লাঠি হাতে।

অভুক্ত মাটির বুকে লাঙ্গলের ফলা
তিক্ত রসিকতায় চিরি, হয়ে উতলা,
ছড়াইয়া সোঁনা মুঠিভরা ফসলের মাঠে
পাকিলে সোঁনা কাটিব তাহা, ভরিবে শূন্য গোলা।

কৃষকের ঘরে জন্ম আমার, গর্ব চিরকাল
আমি কৃষক অন্ন যোগাই ধনীদের তরে,
তারা হাসলেই আমি হাসি খুশিতে খুঁজি,
সুখ আমার কৃষকের ঘরে।
কবি: তারেক হাসান

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জিয়া শিশু একাডেমির আয়োজনে ‎‘শাপলাকুঁড়ি’র প্রাথমিক বাছাই শুরু

কৃষকের গর্ব

আপডেট টাইম : ১০:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ এপ্রিল ২০১৬

আমি জন্মেছি কৃষকের ভাঙ্গা কুটিরে
এক কৃষাণীর ছোট্ট উদরে দিয়ে মই
যন্ত্রনায় কাতর করেছি তারে
হালচাষ করেছি সেথায় বারে বারে।

বাবা টেনেছে হুক্কা আঙ্গিনায় বসে
পায়ের উপর তুলে পা সন্ন্যাসী বেশে
কোন এক প্রভাতি ক্ষণে ঘুরতে এলাম
ঝড়বৃষ্টি মাথায় নিয়ে সবুজের দেশে।

গোয়ালের মত সেঁতসেঁত মাটি
রুগ্ন কৃষকের ঘরে আবার শীতল পাটি,
উনুনে শূন্য হাড়ি, ছেঁড়া


কাঁথায় গুটিয়ে গা
তাহাতেই কৃষকের সুখ, বলে কৃষাণী মা।

সকালের পান্তাভাতে শুকনা মরিচের ঝাল
তাহাতেই পাই মজা, কৃষকের গর্ব চিরকাল,
আমার শৈশব পাড়ি গরু-ছাগলের পালে
তপ্ত দুপুরে গোসল দিয়াছি তাদের বুচা মিঞার খালে।

গামছা মাথায় বাধিয়া মহিষের পিঠে
ভাবনায় ভেবেছি রাজকীয় মুকুটে,
ঘুরিয়াছি আঁকাবাঁকা মেঠো পথে
শমশের ভাবিয়া, কৃষকের লাঠি হাতে।

অভুক্ত মাটির বুকে লাঙ্গলের ফলা
তিক্ত রসিকতায় চিরি, হয়ে উতলা,
ছড়াইয়া সোঁনা মুঠিভরা ফসলের মাঠে
পাকিলে সোঁনা কাটিব তাহা, ভরিবে শূন্য গোলা।

কৃষকের ঘরে জন্ম আমার, গর্ব চিরকাল
আমি কৃষক অন্ন যোগাই ধনীদের তরে,
তারা হাসলেই আমি হাসি খুশিতে খুঁজি,
সুখ আমার কৃষকের ঘরে।
কবি: তারেক হাসান