ঢাকা , বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন ফের লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস, আবহাওয়া নিয়ে নতুন বার্তা অধিদপ্তরের চলতি অর্থবছরেই ৪১ লাখ নতুন ফ্যামিলি কার্ড দেবে সরকার দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের প্রধান নীতিগত অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী সংসদে ‘ব্যক্তিগত মন্তব্য’ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী আদমদীঘিতে কাঁচা মরিচের দামে ‘সেঞ্চুরি’, স্বস্তিতে কৃষক ব্রয়লার মুরগি খাওয়া কতটা নিরাপদ ‘ব্রয়লার মুরগি’ মন্তব্য নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ছাত্রদলের নাছির দেশের যেসব অঞ্চলে রাত ১টার মধ্যে ঝড়ের আভাস দিল্লিতে বসে হুঙ্কার দিয়ে লাভ নেই, সীমানায় ঢুকলেই গ্রেপ্তার: আইনমন্ত্রী

ছুটিতে ঘুরে আসুন তাড়ুয়া সমুদ্র সৈকত

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ ভোলা সদর থেকে ১২০ কিলোমিটার দক্ষিণে প্রায় দেড়শ বছর আগে বঙ্গোপোসাগরের মোহনায় জেগে উঠেছে ঢাল চর। ঢাল চরের পাশে তাড়ুয়া সমুদ্র সৈকতটি অবস্থিত।

তাড়ুয়া সৈকতে যেতে হয় ঢাল চর থেকে ট্রলারে চড়ে। ঢাল চর থেকে ট্রলারে তাড়ুয়া সৈকতে পৌঁছাতে সময় লাগে দেড় ঘন্টা। তাড়ুয়ার চারপাশে রয়েছে বিচ্ছিন্ন ম্যানগ্রোভ বন। এছাড়া এখানে রয়েছে শত শত কেওড়ার বাগান।

এই সৈকত থেকে উপভোগ করতে পারবেন সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত। দেখতে পাবেন লাল কাঁকড়ার বিচরণ।

তাড়ুয়া সমুদ্র সৈকতের পাশে রয়েছে তাড়ুয়া বন। বনের ভেতর রয়েছে বিভিন্ন প্রজাতির সারি সারি গাছ। রয়েছে খোলা মাঠ। এখানে রয়েছে শিয়াল, হরিণ, সাপ, গুইসাপ, বন বিড়াল ও বিভিন্ন প্রজাতির পাখি। এখানে থাকার কোন ব্যভস্থা নেই। সকালে গিয়ে সূর্যাস্তের সাথেই সাথেই চলে আসতে হবে ঢাল চরে। ঢাল চরে থাকার ভালো ব্যবস্থা না হলেও ব্যাক্তি উদ্যোগে ছোট পরিসরে কিছু কিছু হোটেল গড়ে উঠেছে। এখানে আগে থেকে বুকিং দিলে কম খরচে আপনি থাকতে পারবেন।  এছাড়া কম খরছে সামুদ্রিক বিভিন্ন প্রজাতির মাছের স্বাদ নিতে পারবেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন

ছুটিতে ঘুরে আসুন তাড়ুয়া সমুদ্র সৈকত

আপডেট টাইম : ১১:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ অক্টোবর ২০১৮

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ ভোলা সদর থেকে ১২০ কিলোমিটার দক্ষিণে প্রায় দেড়শ বছর আগে বঙ্গোপোসাগরের মোহনায় জেগে উঠেছে ঢাল চর। ঢাল চরের পাশে তাড়ুয়া সমুদ্র সৈকতটি অবস্থিত।

তাড়ুয়া সৈকতে যেতে হয় ঢাল চর থেকে ট্রলারে চড়ে। ঢাল চর থেকে ট্রলারে তাড়ুয়া সৈকতে পৌঁছাতে সময় লাগে দেড় ঘন্টা। তাড়ুয়ার চারপাশে রয়েছে বিচ্ছিন্ন ম্যানগ্রোভ বন। এছাড়া এখানে রয়েছে শত শত কেওড়ার বাগান।

এই সৈকত থেকে উপভোগ করতে পারবেন সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত। দেখতে পাবেন লাল কাঁকড়ার বিচরণ।

তাড়ুয়া সমুদ্র সৈকতের পাশে রয়েছে তাড়ুয়া বন। বনের ভেতর রয়েছে বিভিন্ন প্রজাতির সারি সারি গাছ। রয়েছে খোলা মাঠ। এখানে রয়েছে শিয়াল, হরিণ, সাপ, গুইসাপ, বন বিড়াল ও বিভিন্ন প্রজাতির পাখি। এখানে থাকার কোন ব্যভস্থা নেই। সকালে গিয়ে সূর্যাস্তের সাথেই সাথেই চলে আসতে হবে ঢাল চরে। ঢাল চরে থাকার ভালো ব্যবস্থা না হলেও ব্যাক্তি উদ্যোগে ছোট পরিসরে কিছু কিছু হোটেল গড়ে উঠেছে। এখানে আগে থেকে বুকিং দিলে কম খরচে আপনি থাকতে পারবেন।  এছাড়া কম খরছে সামুদ্রিক বিভিন্ন প্রজাতির মাছের স্বাদ নিতে পারবেন।