ঢাকা , রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা ‘ওই মিয়া চুপ করেন, একেবারে খেয়ে ফেলবো’ বিএনপিকর্মীকে এমপি হানজালা

১৫ দিন পরে তালামুক্ত বশেমুরবিপ্রবি

বাঙালী কণ্ঠ ডেস্কঃ ১৫ দিন পর গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বশেমুরবিপ্রবি) তালামুক্ত হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত ৮টার সময় আল্টিমেটাম দিয়ে তালা খুলে দেয় ইতিহাস বিভাগের অনুমোদনের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

গত ৬ ফেব্রুয়ারি রাতে প্রশাসনিক ও একাডেমিক ভবন তালাবদ্ধ করে আন্দোলন শুরু করে বিভাগটির ৪১৩ শিক্ষার্থী। ফলে অচল হয়ে পড়ে বিশ্ববিদ্যালয়।

ইতিহাস বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী কারিমুল হক বলেন, ইতিহাস বিভাগের অনুমোদন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। আমরা মার্চের ৫ তারিখ পর্যন্ত সময় দিয়েছি। এর মধ্যে অনুমোদন না পেলে আরো কঠোর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবো।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার অধ্যাপক ড. মো. নূরউদ্দিন আহমেদ বলেন, রবিবার থেকে আশা করি ক্লাস-পরীক্ষা শুরু হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান সকল সমস্যা নিয়ে কাজ চলছে, খুব দ্রুতই সমাধান আসবে বলে আশা করছি।

প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) এক বৈঠকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল সমস্যা সমাধানের জন্য অধ্যাপক ড. দিল আফরোজ বেগমকে প্রধান করে সাত সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

১৫ দিন পরে তালামুক্ত বশেমুরবিপ্রবি

আপডেট টাইম : ০২:৪০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২০

বাঙালী কণ্ঠ ডেস্কঃ ১৫ দিন পর গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বশেমুরবিপ্রবি) তালামুক্ত হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত ৮টার সময় আল্টিমেটাম দিয়ে তালা খুলে দেয় ইতিহাস বিভাগের অনুমোদনের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

গত ৬ ফেব্রুয়ারি রাতে প্রশাসনিক ও একাডেমিক ভবন তালাবদ্ধ করে আন্দোলন শুরু করে বিভাগটির ৪১৩ শিক্ষার্থী। ফলে অচল হয়ে পড়ে বিশ্ববিদ্যালয়।

ইতিহাস বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী কারিমুল হক বলেন, ইতিহাস বিভাগের অনুমোদন না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। আমরা মার্চের ৫ তারিখ পর্যন্ত সময় দিয়েছি। এর মধ্যে অনুমোদন না পেলে আরো কঠোর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবো।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার অধ্যাপক ড. মো. নূরউদ্দিন আহমেদ বলেন, রবিবার থেকে আশা করি ক্লাস-পরীক্ষা শুরু হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান সকল সমস্যা নিয়ে কাজ চলছে, খুব দ্রুতই সমাধান আসবে বলে আশা করছি।

প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) এক বৈঠকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল সমস্যা সমাধানের জন্য অধ্যাপক ড. দিল আফরোজ বেগমকে প্রধান করে সাত সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়।