ঢাকা , শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিক্ষা খাতে ৮৩ হাজার মামলা জট, ঝুলে আছে হাজারো নিয়োগ প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা অনুষ্ঠিত বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান ইরান চুক্তিতে অসন্তোষ ইসরায়েলের, ট্রাম্পের বিরুদ্ধে প্রতিশ্রুতির ভঙ্গের অভিযোগ একটি আদর্শ সমাজ গঠনে ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ভূমিকা অপরিসীম : আমানউল্লাহ আমান চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে চালু হচ্ছে দু’টি করে নতুন বিষয় : মাহদী আমিন দেশে ২৩ লাখ হেক্টর বনভূমি রয়েছে : সংসদে পরিবেশমন্ত্রী বিশ্বের সর্বোচ্চ মিনার বিশিষ্ট মসজিদ ‘জামিউল জাজাইর’ প্রতিদিন লবঙ্গ খেলে মেলে যত উপকার বর্তমান সংসদ সদস্যদের কেউ ঋণখেলাপি নন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

চেক প্রতারণার মামলায় এমপি হারুনের বিরুদ্ধে সমন জারি

ঝালকাঠি-১ আসনের এমপি বজলুল হক হারুনের বিরুদ্ধে চেক প্রতারণা মামলায় সমন জারি করেছে ঢাকার সিএমএম আদালত। জাতীয় পার্টির সিনিয়র যুগ্ম সাধরণ সম্পাদক মো. খলিলুর রহমানের দায়েরকৃত প্রতারণা মামলায় আদালত এ সমন জারি করে। সোমবার বিচারক সাব্বির ইয়াসিন আহসান চৌধুরী এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে আগামী ২৩শে নভেম্বর এমপি হারুনকে স্ব-শরীরে আদালতে হাজির হওয়া আদেশ দেয়া হয়।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, খলিলুর রহমানের কাছ থেকে ব্যবসায়িক প্রয়োজনে হারুন পাঁচ কোটি টাকা ধার নেন। পরে টাকা পরিশোধ করতে হারুন ন্যাশনাল ব্যাংকের এক কোটি টাকার একটি চেক দেন খলিলকে। কিন্তু অ্যাকাউন্টে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় চেক ফেরত আসে। খলিল তার আইনজীবীর মাধ্যমে এমপি হারুনকে টাকা পরিশোধ করতে লিগ্যাল নোটিশ পাঠান। এরপরও টাকা পরিশোধ না করায় ২০১৬ সালের ২২শে আগস্ট খলিল বাদী হয়ে সিএমএম আদালতে মামলাটি করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

শিক্ষা খাতে ৮৩ হাজার মামলা জট, ঝুলে আছে হাজারো নিয়োগ

চেক প্রতারণার মামলায় এমপি হারুনের বিরুদ্ধে সমন জারি

আপডেট টাইম : ০২:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জুন ২০১৭

ঝালকাঠি-১ আসনের এমপি বজলুল হক হারুনের বিরুদ্ধে চেক প্রতারণা মামলায় সমন জারি করেছে ঢাকার সিএমএম আদালত। জাতীয় পার্টির সিনিয়র যুগ্ম সাধরণ সম্পাদক মো. খলিলুর রহমানের দায়েরকৃত প্রতারণা মামলায় আদালত এ সমন জারি করে। সোমবার বিচারক সাব্বির ইয়াসিন আহসান চৌধুরী এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে আগামী ২৩শে নভেম্বর এমপি হারুনকে স্ব-শরীরে আদালতে হাজির হওয়া আদেশ দেয়া হয়।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, খলিলুর রহমানের কাছ থেকে ব্যবসায়িক প্রয়োজনে হারুন পাঁচ কোটি টাকা ধার নেন। পরে টাকা পরিশোধ করতে হারুন ন্যাশনাল ব্যাংকের এক কোটি টাকার একটি চেক দেন খলিলকে। কিন্তু অ্যাকাউন্টে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় চেক ফেরত আসে। খলিল তার আইনজীবীর মাধ্যমে এমপি হারুনকে টাকা পরিশোধ করতে লিগ্যাল নোটিশ পাঠান। এরপরও টাকা পরিশোধ না করায় ২০১৬ সালের ২২শে আগস্ট খলিল বাদী হয়ে সিএমএম আদালতে মামলাটি করেন।