ঢাকা , সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জলাবদ্ধতা দূর করে নগরজীবন স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করছি: ডিএসসিসি প্রশাসক ২০০৯ সালের পর ঢাকায় একদিনে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড ফাঁস হলো স্যামসাং জেড ফোল্ড ৮ আল্ট্রার দাম ও ফিচার হতাশা থেকে মুক্তি দিতে পারে কোরআনের এই ১০ আয়াত চট্টগ্রামের দুর্গতদের পাশে যুবদল সভাপতি মুন্না বর্তমান রিজার্ভ প্রায় ৩৬.০৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার : অর্থমন্ত্রী সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা, পরীমণির বাঁধভাঙ্গা উল্লাস জলাবদ্ধতাকবলিত মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সমন্বয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নিতে ইরানের হিট লিস্টে ১৩ বিশ্বনেতা দুই মাস পর ঘুরে দাঁড়ালো সঞ্চয়পত্র বিক্রি

পুরান ঢাকায় আজ ঐতিহ্যবাহী সাকরাইন

বাঙালী কণ্ঠ ডেস্কঃ পুরান ঢাকাজুড়ে আজ পালিত হবে ঐতিহ্যবাহী সাকরাইন উৎসব, পৌষসংক্রান্তি বা ঘুড়ি উৎসব নামেও পরিচিত। আজ পুরান ঢাকার আকাশে শোভা পাবে নানা রঙের ও বাহারি ঘুড়িদের মেলা বা সমাবেশ।

এক সময় এ উৎসবটি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে সীমাবদ্ধ থাকলেও বর্তমানে পুরান ঢাকায় সাড়ম্বরে পালিত হয় এ দিনটি। উৎসবে অংশ নেন সব ধর্মের সব বয়সী মানুষ। ঢাকার অন্যান্য এলাকার তরুণ-তরুণীরাও উৎসবে যোগ দিতে ছুটে যান পুরান ঢাকায়।

এছাড়া এবারের আয়োজনটি আরো বেগবান হবে পুরান ঢাকায়। কারণ প্রথমবারের মতো ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এ ঐতিহ্যবাহী সাকরাইন উৎসবের আয়োজন করতে যাচ্ছে। ‘এসো ওড়াই ঘুড়ি, ঐতিহ্য লালন করি’ স্লোগানে বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা থেকে রাজধানীর আকাশে পুরান ঢাকার ৭৫টি ওয়ার্ড একযোগে এই উৎসবে ঘুড়ি ওড়ানো হবে।

দুপুর থেকেসন্ধ্যা পর্যন্ত আকাশ জুড়ে উড়বে নানান রঙের শত শত ঘুড়ি। ছাদে ছাদে সব বয়সীদের ভিড় তো থাকবেই। শিশু-কিশোররা ব্যস্ত থাকবে ঘুড়ি নিয়ে। যুবক-বৃদ্ধারাও বসে থাকবেন না, একদিনের জন্য হলেও তারা  ফিরে যাবেন তাদের আনন্দময় কৈশোরে।

মূলত পুরান ঢাকার গেণ্ডারিয়া, মুরগীটোলা, ধূপখোলা, দয়াগঞ্জ, যাত্রাবাড়ী, নারিন্দা, সূত্রাপুর, কাগজিটোলা, বাংলাবাজার, লক্ষ্মীবাজার, কলতাবাজার, ধোলাই খাল, শাঁখারি বাজার, রায়সাহেব বাজার, নবাবপুর, বংশাল, নাজিরাবাজার, তাঁতী বাজার এবং লালবাগ এলাকার মানুষ এ উৎসবে দিনব্যাপী ঘুড়ি উড়ান। আয়োজন করেন নানা খাবারের। এছাড়া সন্ধ্যায় আতশবাজী ফোটানো এ উৎসবের অন্যতম অঙ্গ।

ঘরে ঘরে তৈরি হবে মুড়ির মোয়া, বাকরখানি। পড়বে পিঠা বানানোর ধুম। বর্তমানে এ উৎসবেও লেগেছে আধুনিকতার ছোঁয়া। অর্থাৎ সন্ধ্যার পর থেকেই শুরু হয়ে যাবে আতশবাজী ও ফানুস উড়ানো। সন্ধ্যা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত এসব এলাকায় চলবে আতশবাজির খেলা।

সাকরাইনে পুরান ঢাকায় শ্বশুরবাড়ি থেকে জামাইদের নাটাই, বাহারি ঘুড়ি উপহার দেওয়া এবং পিঠার ডালা পাঠানো একটি অবশ্য পালনীয় অঙ্গ। ডালা হিসেবে আসা ঘুড়ি, পিঠা আর অন্যান্য খাবার বিলি করা হয় আত্মীয়-স্বজন এবং পাড়ার লোকদের মধ্যে।

এ উৎসবকে মাথায় রেখে গত এক সপ্তাহ পুরান ঢাকার বায়ান্নো বাজার তেপ্পান্ন গলির অধিকাংশ গলিতে আর খোলা ছাদে হয়েছে সুতা মাঞ্জা দেওয়ার ধুম।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জলাবদ্ধতা দূর করে নগরজীবন স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করছি: ডিএসসিসি প্রশাসক

পুরান ঢাকায় আজ ঐতিহ্যবাহী সাকরাইন

আপডেট টাইম : ১০:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২১

বাঙালী কণ্ঠ ডেস্কঃ পুরান ঢাকাজুড়ে আজ পালিত হবে ঐতিহ্যবাহী সাকরাইন উৎসব, পৌষসংক্রান্তি বা ঘুড়ি উৎসব নামেও পরিচিত। আজ পুরান ঢাকার আকাশে শোভা পাবে নানা রঙের ও বাহারি ঘুড়িদের মেলা বা সমাবেশ।

এক সময় এ উৎসবটি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে সীমাবদ্ধ থাকলেও বর্তমানে পুরান ঢাকায় সাড়ম্বরে পালিত হয় এ দিনটি। উৎসবে অংশ নেন সব ধর্মের সব বয়সী মানুষ। ঢাকার অন্যান্য এলাকার তরুণ-তরুণীরাও উৎসবে যোগ দিতে ছুটে যান পুরান ঢাকায়।

এছাড়া এবারের আয়োজনটি আরো বেগবান হবে পুরান ঢাকায়। কারণ প্রথমবারের মতো ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এ ঐতিহ্যবাহী সাকরাইন উৎসবের আয়োজন করতে যাচ্ছে। ‘এসো ওড়াই ঘুড়ি, ঐতিহ্য লালন করি’ স্লোগানে বৃহস্পতিবার দুপুর ২টা থেকে রাজধানীর আকাশে পুরান ঢাকার ৭৫টি ওয়ার্ড একযোগে এই উৎসবে ঘুড়ি ওড়ানো হবে।

দুপুর থেকেসন্ধ্যা পর্যন্ত আকাশ জুড়ে উড়বে নানান রঙের শত শত ঘুড়ি। ছাদে ছাদে সব বয়সীদের ভিড় তো থাকবেই। শিশু-কিশোররা ব্যস্ত থাকবে ঘুড়ি নিয়ে। যুবক-বৃদ্ধারাও বসে থাকবেন না, একদিনের জন্য হলেও তারা  ফিরে যাবেন তাদের আনন্দময় কৈশোরে।

মূলত পুরান ঢাকার গেণ্ডারিয়া, মুরগীটোলা, ধূপখোলা, দয়াগঞ্জ, যাত্রাবাড়ী, নারিন্দা, সূত্রাপুর, কাগজিটোলা, বাংলাবাজার, লক্ষ্মীবাজার, কলতাবাজার, ধোলাই খাল, শাঁখারি বাজার, রায়সাহেব বাজার, নবাবপুর, বংশাল, নাজিরাবাজার, তাঁতী বাজার এবং লালবাগ এলাকার মানুষ এ উৎসবে দিনব্যাপী ঘুড়ি উড়ান। আয়োজন করেন নানা খাবারের। এছাড়া সন্ধ্যায় আতশবাজী ফোটানো এ উৎসবের অন্যতম অঙ্গ।

ঘরে ঘরে তৈরি হবে মুড়ির মোয়া, বাকরখানি। পড়বে পিঠা বানানোর ধুম। বর্তমানে এ উৎসবেও লেগেছে আধুনিকতার ছোঁয়া। অর্থাৎ সন্ধ্যার পর থেকেই শুরু হয়ে যাবে আতশবাজী ও ফানুস উড়ানো। সন্ধ্যা থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত এসব এলাকায় চলবে আতশবাজির খেলা।

সাকরাইনে পুরান ঢাকায় শ্বশুরবাড়ি থেকে জামাইদের নাটাই, বাহারি ঘুড়ি উপহার দেওয়া এবং পিঠার ডালা পাঠানো একটি অবশ্য পালনীয় অঙ্গ। ডালা হিসেবে আসা ঘুড়ি, পিঠা আর অন্যান্য খাবার বিলি করা হয় আত্মীয়-স্বজন এবং পাড়ার লোকদের মধ্যে।

এ উৎসবকে মাথায় রেখে গত এক সপ্তাহ পুরান ঢাকার বায়ান্নো বাজার তেপ্পান্ন গলির অধিকাংশ গলিতে আর খোলা ছাদে হয়েছে সুতা মাঞ্জা দেওয়ার ধুম।