ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরবরাহ নিশ্চিতে এক লাখ ১০ হাজার টন সার আমদানির অনুমোদন সেচকাজে ডিজেলচালিত পাম্পের পরিবর্তে সৌর বিদ্যুৎচালিত পাম্প দেওয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী আত্মঘাতী হয়ে উঠছে মানুষ জামায়াতের লং মার্চের দাবি আর সংসদের বক্তব্য দ্বিমুখী : চরমোনাই পীর ইসরায়েলের সাথে যুক্তরাজ্যের সামরিক সম্পর্ক ছিন্ন করার দাবি লেবার নেতা করবিনের ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ব্যালন ডি’অর: সুযোগ থাকলে মেসিকে ১০০ বার ভোট দিতেন জিদান রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের পদের আগে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ নয় শারীরিক অবস্থার অবনতি, লাইফ সাপোর্টে মেঘমল্লার বসু পরিচ্ছন্ন ও সবুজ বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

ফাইভ ইস্টার হোডেল, মাগার ফুলে গন্ধ নাই কেলা

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র সাঈদ খোকন তার এক বছরের আমলানামা গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে তুলে ধরতে সোমবার সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারের পাঁচ তারকা (ফাইভ স্টার) হোটেল সোনারগাঁওয়ের বলরুমে সংবাদ সম্মেলন ডাকেন।

সকাল সোয়া ১০টায় সংবাদ সম্মেলন শুরু হওয়ার কথা। বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার রিপোর্টারদের অধিকাংশই নির্ধারিত সময়ে অনুষ্ঠানস্থলে হাজির হন।

আধ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও সংবাদ সম্মেলন শুরুর নাম নেই। দু’একজন সিনিয়র সাংবাদিক ডিএসসিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা উত্তম কুমারকে ডেকে বিলম্বের কারণ জানতে চান। এ সময় তিনি জানান, মেয়র সাঈদ খোকন সময়ের আগেই উপস্থিত হয়েছেন।

Flower

তিনি তার নির্বাচনী প্রচারণার প্রধান সমন্বয়কারী সাবেক খাদ্যমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক ও ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান প্রচার সমন্বয়কারী সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী ফারুক খানের অনুষ্ঠানস্থলে আসার অপেক্ষা করছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে গণমাধ্যম কর্মীরা ছাড়া ডিসিসির বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলর, সংরক্ষিত মহিলা আসনের কাউন্সিলর ও পুরান ঢাকার মেয়রের খুব কাছের কিছু পরিচিত লোকজন এসেছেন।

সংবাদ সম্মেলন শুরুতে বিলম্ব দেখে বলরুম থেকে বাইরে বেরিয়ে কেউ বারান্দায় পায়চারী, কেউ ঝর্না ধারার সামনে দাঁড়িয়ে সেলফি ও গ্রুপ ছবি তুলছিলেন। পুরান ঢাকার মধ্যবয়সী দুই ভদ্রলোক কথা বলতে বলতে পূর্বদিকের পার্কিং জোনের দিকে এগিয়ে যান।

ফিরে আসার সময় দু’জনেই প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও, ঢাকা লেখা সাইনবোর্ডের সামনে থমকে দাঁড়ান। তাদের আলোচনার বিষয়বস্তুু গাছে ফুঁটে থাকা লাল, হলুদ, বেগুনি, ম্যাজেন্ডা ও নীলসহ নানা রঙের ফুল। তাদের একজন আরেকজনকে বলছিলেন, ‘দেখছনি মিয়া, ছোড ছোড গাছে কি ছুন্দর ফুল ফুইট্যা রইছে।’

Flower

অপরজন উত্তরে বলেন, ‘অহন তো মিয়া ফুল ফুটনেরই ছিজন, দেহনো বাছা (বাসা) বাড়ির ছাদ থাইক্যা ছুরু কইরা রাস্তা ঘাটে অহন কত ফুল ফুইট্যা রয়, দেহনা মিয়া।’

কথা বলতে বলতে সামনে এগিয়ে যাওয়ার সময় একজন ফুলের সামনে নাক বাড়িয়ে অপরজনকে বলেন, ‘কিরে হালা, এইডা না ফাইভ ইস্টার হোডেল, মাগার ফুলে গন্ধ নাই কেলা। এবার দু’জন ফুল হাতে ধরে একসঙ্গে বলে উঠেন, ডজ খাইজি। এইডা তো দেহি পেলাসটিকের (প্লাস্টিক) ফুল। এ সময় নিরাপত্তারক্ষী ওই দু’জনকে হাত দিয়ে ফুল ধরতে নিষেধ করলে তারা দ্রুত হেঁটে সংবাদ সম্মেলন স্থলে ফিরে যান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

সরবরাহ নিশ্চিতে এক লাখ ১০ হাজার টন সার আমদানির অনুমোদন

ফাইভ ইস্টার হোডেল, মাগার ফুলে গন্ধ নাই কেলা

আপডেট টাইম : ০৬:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মে ২০১৬

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র সাঈদ খোকন তার এক বছরের আমলানামা গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে তুলে ধরতে সোমবার সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারের পাঁচ তারকা (ফাইভ স্টার) হোটেল সোনারগাঁওয়ের বলরুমে সংবাদ সম্মেলন ডাকেন।

সকাল সোয়া ১০টায় সংবাদ সম্মেলন শুরু হওয়ার কথা। বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার রিপোর্টারদের অধিকাংশই নির্ধারিত সময়ে অনুষ্ঠানস্থলে হাজির হন।

আধ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও সংবাদ সম্মেলন শুরুর নাম নেই। দু’একজন সিনিয়র সাংবাদিক ডিএসসিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা উত্তম কুমারকে ডেকে বিলম্বের কারণ জানতে চান। এ সময় তিনি জানান, মেয়র সাঈদ খোকন সময়ের আগেই উপস্থিত হয়েছেন।

Flower

তিনি তার নির্বাচনী প্রচারণার প্রধান সমন্বয়কারী সাবেক খাদ্যমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক ও ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান প্রচার সমন্বয়কারী সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী ফারুক খানের অনুষ্ঠানস্থলে আসার অপেক্ষা করছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে গণমাধ্যম কর্মীরা ছাড়া ডিসিসির বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলর, সংরক্ষিত মহিলা আসনের কাউন্সিলর ও পুরান ঢাকার মেয়রের খুব কাছের কিছু পরিচিত লোকজন এসেছেন।

সংবাদ সম্মেলন শুরুতে বিলম্ব দেখে বলরুম থেকে বাইরে বেরিয়ে কেউ বারান্দায় পায়চারী, কেউ ঝর্না ধারার সামনে দাঁড়িয়ে সেলফি ও গ্রুপ ছবি তুলছিলেন। পুরান ঢাকার মধ্যবয়সী দুই ভদ্রলোক কথা বলতে বলতে পূর্বদিকের পার্কিং জোনের দিকে এগিয়ে যান।

ফিরে আসার সময় দু’জনেই প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও, ঢাকা লেখা সাইনবোর্ডের সামনে থমকে দাঁড়ান। তাদের আলোচনার বিষয়বস্তুু গাছে ফুঁটে থাকা লাল, হলুদ, বেগুনি, ম্যাজেন্ডা ও নীলসহ নানা রঙের ফুল। তাদের একজন আরেকজনকে বলছিলেন, ‘দেখছনি মিয়া, ছোড ছোড গাছে কি ছুন্দর ফুল ফুইট্যা রইছে।’

Flower

অপরজন উত্তরে বলেন, ‘অহন তো মিয়া ফুল ফুটনেরই ছিজন, দেহনো বাছা (বাসা) বাড়ির ছাদ থাইক্যা ছুরু কইরা রাস্তা ঘাটে অহন কত ফুল ফুইট্যা রয়, দেহনা মিয়া।’

কথা বলতে বলতে সামনে এগিয়ে যাওয়ার সময় একজন ফুলের সামনে নাক বাড়িয়ে অপরজনকে বলেন, ‘কিরে হালা, এইডা না ফাইভ ইস্টার হোডেল, মাগার ফুলে গন্ধ নাই কেলা। এবার দু’জন ফুল হাতে ধরে একসঙ্গে বলে উঠেন, ডজ খাইজি। এইডা তো দেহি পেলাসটিকের (প্লাস্টিক) ফুল। এ সময় নিরাপত্তারক্ষী ওই দু’জনকে হাত দিয়ে ফুল ধরতে নিষেধ করলে তারা দ্রুত হেঁটে সংবাদ সম্মেলন স্থলে ফিরে যান।