ঢাকা , সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জলাবদ্ধতা দূর করে নগরজীবন স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করছি: ডিএসসিসি প্রশাসক ২০০৯ সালের পর ঢাকায় একদিনে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড ফাঁস হলো স্যামসাং জেড ফোল্ড ৮ আল্ট্রার দাম ও ফিচার হতাশা থেকে মুক্তি দিতে পারে কোরআনের এই ১০ আয়াত চট্টগ্রামের দুর্গতদের পাশে যুবদল সভাপতি মুন্না বর্তমান রিজার্ভ প্রায় ৩৬.০৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার : অর্থমন্ত্রী সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা, পরীমণির বাঁধভাঙ্গা উল্লাস জলাবদ্ধতাকবলিত মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সমন্বয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নিতে ইরানের হিট লিস্টে ১৩ বিশ্বনেতা দুই মাস পর ঘুরে দাঁড়ালো সঞ্চয়পত্র বিক্রি

সকালে ঘুম থেকে উঠে পানি পানের বিস্ময়কর ছয় উপকারিতা

বাঙালী কণ্ঠ ডেস্কঃ সুস্থ থাকতে একজন মানুষের পানি পানের বিকল্প নেই। তবে পানি পান করার রয়েছে নির্দিষ্ট পরিমাপ। সেই সঙ্গে রয়েছে কিছু নির্দিষ্ট কিছু সময়ও। যে সময়গুলোতে পানি পান করা বেশি উপকারী।

বিশেষ করে সকালে ঘুম থেকে উঠেই এক গ্লাস কুসুম গরম পানি পান করা শরীরের জন্য খুবই উপকার। এতে পেট পরিষ্কার, শরীরে পানির ঘাটতি পূরণ, খাদ্যনালী ও পাকস্থলী ভালো থাকে। এছাড়া ত্বক ভালো রাখে। আমাদের শরীরের ৭০ শতাংশ পানি। সুস্থ থাকার জন্য একজন মানুষের প্রতিদিন অন্তত দুই লিটার পানি খাওয়ার প্রয়োজন বলে মনে করেন বেশির ভাগ চিকিৎসক।

চলুন এবার জেনে নেয়া যাক সকালে ঘুম থেকে উঠে পানি পানে ছয়টি উপকারিতা সম্পর্কে-

আপনি কি দীর্ঘদিন ধরে কোষ্ঠকাঠিন্যে ভুগছেন? কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা হলে সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে এক গ্লাস কুসুম গরম পানি খেলে পেট সহজেই পরিষ্কার হয়ে যাবে। এছাড়া কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে।

প্রতিদিন সকালে খালি পেটে কুসুম গরম পানি খেলে শরীরের টক্সিক উপাদানগুলো সহজেই বাইরে বেরিয়ে যাবে ও শরীরের তাপমাত্রা বাড়বে। আর শরীরের তাপমাত্রা বাড়লে শিরা, ধমনীতে রক্তচলাচলের গতিও স্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায়।

খাবার খাওয়ার ৩০ মিনিট আগে যদি এক গ্লাস কুসুম গরম পানি খাওয়া যায় তবে অ্যাসিডিটি, বদহজম, অম্বলের মতো একাধিক সমস্যা থেকে সহজেই মুক্তি মিলবে।

শরীরের অতিরিক্ত চর্বি কমাতে কুসুম গরম পানির জুড়ি নেই। গরম পানি খেলে শরীরের মেটাবলিক রেট বাড়ে এবং সহজেই অনেকটা ক্যালোরি পোড়ে।

গরম পানি খাওয়ার চাহিদা কমিয়ে ওজন কমাতেও সাহায্য করে। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে হালকা গরম পানির সঙ্গে পাতি লেবুর রস মিশিয়ে খেতে পারলে মেদ ঝরবে দ্রুত।

দীর্ঘদিন ধরে যারা বাতের ব্যথায় ভুগছেন তারা খেতে পারেন গরম পানি। গরম পানির সঙ্গে শরীরে জমে থাকা অপ্রয়োজনীয় উপাদান ঘামের সঙ্গে বাইরে বেরিয়ে যাবে। ফলে ব্যথা বোধও ক্রমশ কমে আসবে।

 

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

জলাবদ্ধতা দূর করে নগরজীবন স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করছি: ডিএসসিসি প্রশাসক

সকালে ঘুম থেকে উঠে পানি পানের বিস্ময়কর ছয় উপকারিতা

আপডেট টাইম : ০৮:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুন ২০২১

বাঙালী কণ্ঠ ডেস্কঃ সুস্থ থাকতে একজন মানুষের পানি পানের বিকল্প নেই। তবে পানি পান করার রয়েছে নির্দিষ্ট পরিমাপ। সেই সঙ্গে রয়েছে কিছু নির্দিষ্ট কিছু সময়ও। যে সময়গুলোতে পানি পান করা বেশি উপকারী।

বিশেষ করে সকালে ঘুম থেকে উঠেই এক গ্লাস কুসুম গরম পানি পান করা শরীরের জন্য খুবই উপকার। এতে পেট পরিষ্কার, শরীরে পানির ঘাটতি পূরণ, খাদ্যনালী ও পাকস্থলী ভালো থাকে। এছাড়া ত্বক ভালো রাখে। আমাদের শরীরের ৭০ শতাংশ পানি। সুস্থ থাকার জন্য একজন মানুষের প্রতিদিন অন্তত দুই লিটার পানি খাওয়ার প্রয়োজন বলে মনে করেন বেশির ভাগ চিকিৎসক।

চলুন এবার জেনে নেয়া যাক সকালে ঘুম থেকে উঠে পানি পানে ছয়টি উপকারিতা সম্পর্কে-

আপনি কি দীর্ঘদিন ধরে কোষ্ঠকাঠিন্যে ভুগছেন? কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা হলে সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে এক গ্লাস কুসুম গরম পানি খেলে পেট সহজেই পরিষ্কার হয়ে যাবে। এছাড়া কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থেকে মুক্তি মিলবে।

প্রতিদিন সকালে খালি পেটে কুসুম গরম পানি খেলে শরীরের টক্সিক উপাদানগুলো সহজেই বাইরে বেরিয়ে যাবে ও শরীরের তাপমাত্রা বাড়বে। আর শরীরের তাপমাত্রা বাড়লে শিরা, ধমনীতে রক্তচলাচলের গতিও স্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায়।

খাবার খাওয়ার ৩০ মিনিট আগে যদি এক গ্লাস কুসুম গরম পানি খাওয়া যায় তবে অ্যাসিডিটি, বদহজম, অম্বলের মতো একাধিক সমস্যা থেকে সহজেই মুক্তি মিলবে।

শরীরের অতিরিক্ত চর্বি কমাতে কুসুম গরম পানির জুড়ি নেই। গরম পানি খেলে শরীরের মেটাবলিক রেট বাড়ে এবং সহজেই অনেকটা ক্যালোরি পোড়ে।

গরম পানি খাওয়ার চাহিদা কমিয়ে ওজন কমাতেও সাহায্য করে। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে হালকা গরম পানির সঙ্গে পাতি লেবুর রস মিশিয়ে খেতে পারলে মেদ ঝরবে দ্রুত।

দীর্ঘদিন ধরে যারা বাতের ব্যথায় ভুগছেন তারা খেতে পারেন গরম পানি। গরম পানির সঙ্গে শরীরে জমে থাকা অপ্রয়োজনীয় উপাদান ঘামের সঙ্গে বাইরে বেরিয়ে যাবে। ফলে ব্যথা বোধও ক্রমশ কমে আসবে।