ঢাকা , সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জলাবদ্ধতা দূর করে নগরজীবন স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করছি: ডিএসসিসি প্রশাসক ২০০৯ সালের পর ঢাকায় একদিনে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড ফাঁস হলো স্যামসাং জেড ফোল্ড ৮ আল্ট্রার দাম ও ফিচার হতাশা থেকে মুক্তি দিতে পারে কোরআনের এই ১০ আয়াত চট্টগ্রামের দুর্গতদের পাশে যুবদল সভাপতি মুন্না বর্তমান রিজার্ভ প্রায় ৩৬.০৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার : অর্থমন্ত্রী সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা, পরীমণির বাঁধভাঙ্গা উল্লাস জলাবদ্ধতাকবলিত মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সমন্বয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নিতে ইরানের হিট লিস্টে ১৩ বিশ্বনেতা দুই মাস পর ঘুরে দাঁড়ালো সঞ্চয়পত্র বিক্রি

ও কিন্তু সবই বুঝে

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ সংগীতশিল্পী হাবিব ওয়াহিদ ও রেহান চৌধুরীর ডিভোর্স বেশ আগে হলেও সম্প্রতি অভিনেত্রী তানজিন তিশার সঙ্গে স্বামীর সম্পর্ক নিয়ে পুনরায় আলোচনায় এসেছেন রেহান। আর এর ছাপ পড়েছে তাদের সন্তান আলিমের ওপর।

রেহান বলেন, গত বছরের সেপ্টেম্বরে আলিম স্কুলে ভর্তি হয়। একদম হাসিখুশি থাকত সব সময়। তখন আলিমের স্কুল থেকে একটাও অভিযোগ আসেনি। যখন আমরা ডিভোর্স নিয়ে আলাদা থাকতে শুরু করলাম। তখন ওর দাদির কাছে রেখে যাই। এরপর থেকেই আমি আলিমের নামে স্কুল থেকে বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ পাই।

ক্লাসে আলিম কোনো কথা শুনে না। স্কুলের বারান্দায় গিয়ে দেখিয়ে দেয় ওই যে আমার বাবা। ওই যে ধানমন্ডি ১০/এ। আর এসব বিষয় হাবিবকে বললে বলতো না, ও একটু দুষ্ট ছেলে। তাই এসব বলে। উল্টো আলিমের দোষ দেয়। তবে আলিম মানসিকভাবে অনেক শক্ত। ও যখন রাতে আমার পাশে ঘুমায় তখন সে ফিসফিস করে সব বলে। ও কিন্তু সবই বুঝে। আমিও বুঝি। কষ্ট লাগে। কিন্তু চুপ থাকি। ও সেভাবে না বুঝিয়ে বলতে পারলেও আমি মা হিসেবে বুঝি বিষয়গুলো।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

জলাবদ্ধতা দূর করে নগরজীবন স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করছি: ডিএসসিসি প্রশাসক

ও কিন্তু সবই বুঝে

আপডেট টাইম : ১২:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ জুলাই ২০১৭

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ সংগীতশিল্পী হাবিব ওয়াহিদ ও রেহান চৌধুরীর ডিভোর্স বেশ আগে হলেও সম্প্রতি অভিনেত্রী তানজিন তিশার সঙ্গে স্বামীর সম্পর্ক নিয়ে পুনরায় আলোচনায় এসেছেন রেহান। আর এর ছাপ পড়েছে তাদের সন্তান আলিমের ওপর।

রেহান বলেন, গত বছরের সেপ্টেম্বরে আলিম স্কুলে ভর্তি হয়। একদম হাসিখুশি থাকত সব সময়। তখন আলিমের স্কুল থেকে একটাও অভিযোগ আসেনি। যখন আমরা ডিভোর্স নিয়ে আলাদা থাকতে শুরু করলাম। তখন ওর দাদির কাছে রেখে যাই। এরপর থেকেই আমি আলিমের নামে স্কুল থেকে বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ পাই।

ক্লাসে আলিম কোনো কথা শুনে না। স্কুলের বারান্দায় গিয়ে দেখিয়ে দেয় ওই যে আমার বাবা। ওই যে ধানমন্ডি ১০/এ। আর এসব বিষয় হাবিবকে বললে বলতো না, ও একটু দুষ্ট ছেলে। তাই এসব বলে। উল্টো আলিমের দোষ দেয়। তবে আলিম মানসিকভাবে অনেক শক্ত। ও যখন রাতে আমার পাশে ঘুমায় তখন সে ফিসফিস করে সব বলে। ও কিন্তু সবই বুঝে। আমিও বুঝি। কষ্ট লাগে। কিন্তু চুপ থাকি। ও সেভাবে না বুঝিয়ে বলতে পারলেও আমি মা হিসেবে বুঝি বিষয়গুলো।