ঢাকা , সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জলাবদ্ধতা দূর করে নগরজীবন স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করছি: ডিএসসিসি প্রশাসক ২০০৯ সালের পর ঢাকায় একদিনে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড ফাঁস হলো স্যামসাং জেড ফোল্ড ৮ আল্ট্রার দাম ও ফিচার হতাশা থেকে মুক্তি দিতে পারে কোরআনের এই ১০ আয়াত চট্টগ্রামের দুর্গতদের পাশে যুবদল সভাপতি মুন্না বর্তমান রিজার্ভ প্রায় ৩৬.০৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার : অর্থমন্ত্রী সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা, পরীমণির বাঁধভাঙ্গা উল্লাস জলাবদ্ধতাকবলিত মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সমন্বয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নিতে ইরানের হিট লিস্টে ১৩ বিশ্বনেতা দুই মাস পর ঘুরে দাঁড়ালো সঞ্চয়পত্র বিক্রি

অন্তঃসত্ত্বা নারীদের টিকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত

বাঙালী কণ্ঠ ডেস্কঃ অন্তঃসত্ত্বা ও স্তন্যদানকারী নারীদের টিকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর রোববার রাতে এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করেছে।

এতে বলা হয়, সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী নারীদের মধ্যে করোনা আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

বিষয়টি বিবেচনা করে টিকা বিষয়ক জাতীয় কমিটির পরামর্শ অনুযায়ী অন্তঃসত্ত্বা ও স্তন্যদানকারী নারীদের করোনার টিকা প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

নারীদের টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে বেশ কিছু নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এগুলোর মধ্যে রয়েছে, অন্তঃসত্ত্বা নারী টিকা গ্রহণের দিন অসুস্থ থাকলে কিংবা অনিয়ন্ত্রিত দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত হলে টিকা প্রদান করা যাবে না। কোনো অন্তঃসত্ত্বা নারীর টিকা অ্যালার্জির পূর্ব ইতিহাস থাকলে তাকে কোডিড-১৯ টিকা প্রদান করা যাবে না।

কোনো অন্তঃসত্ত্বা নারী যদি করোনা টিকার প্রথম ডোজ গ্রহণের পর এইএফআই কেস হিসাবে শনাক্ত হন তবে তাকে দ্বিতীয় ডোজ প্রদান করা যাবে না। একইসঙ্গে নির্দেশনায় বলা হয় সম্মতিপত্রে টিকাগ্রহীতা/আইনানুগ অভিভাবক ও কাউন্সেলিং চিকিৎসকের স্বাক্ষর ব্যতীত টিকা দেওয়া যাবে না।

নির্দেশনায় তিন নাম্বারে কাউন্সেলিং উল্লেখ করে বলা হয়েছে, কোডিড-১৯ টিকা গ্রহণে ইচ্ছুক অন্তঃসত্ত্বা নারীকে টিকা প্রদানের পূর্বে অবশ্যই নিম্নোক্ত তথ্যাদি একজন রেজিস্টার্ড চিকিৎসক কর্তৃক পুঙ্খানুপুঙ্খরূপে অবহিত করতে হবে।

স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে রয়েছে, নির্ধারিত সময়ের আগেই সন্তান জন্মদান (অপরিণত নবজাতক) এর সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়, নবজাতকের স্বাস্থ্য ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়, বয়স্ক অন্তঃসত্ত্বা (৩৫ বছরের বেশি), উচ্চ বিএমআই সম্পন্ন, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিসসহ অন্যান্য দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত নারী গর্ভাবস্থায় করোনায় আক্রান্ত হলে তা মারাত্মক রূপ নিতে পারে।

এক্ষেত্রে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে এবং সাধারণ নারীদের তুলনায় অন্তঃসত্ত্বা করোনা আক্রান্ত হলে স্বাস্থ্য ঝুঁকির আশঙ্কা অনেক বেশি। অন্তঃসত্ত্বা নারীকে টিকার সুফল সম্পর্কে অবহিতকরণ প্রসঙ্গে বলা হয়, কোভিড-১৯ টিকা গ্রহণ করলে করোনায় আক্রান্ত হওয়া ও এর ফলে সৃষ্ট জটিলতার ঝুঁকি অপেক্ষাকৃত কম, গর্ভাবস্থায় টিকা নিলে কোভিডের গর্ভজনিত ঝুঁকির সম্ভাবনা কম।

নির্দেশনায় সম্মতিপত্রে স্বাক্ষর গ্রহণ শীর্ষক অংশে বলা হয়েছে, উল্লিখিত নির্দেশাবলি সম্পন্ন করার পর সম্মতিপত্রে (সংযুক্ত) গর্ভবতী নারী ও কাউন্সিলর (রেজিস্টার্ড চিকিৎসক) এর স্বাক্ষর গ্রহণপূর্বক টিকা প্রদান করতে হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

জলাবদ্ধতা দূর করে নগরজীবন স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করছি: ডিএসসিসি প্রশাসক

অন্তঃসত্ত্বা নারীদের টিকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত

আপডেট টাইম : ০৩:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ অগাস্ট ২০২১

বাঙালী কণ্ঠ ডেস্কঃ অন্তঃসত্ত্বা ও স্তন্যদানকারী নারীদের টিকা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর রোববার রাতে এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করেছে।

এতে বলা হয়, সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী নারীদের মধ্যে করোনা আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।

বিষয়টি বিবেচনা করে টিকা বিষয়ক জাতীয় কমিটির পরামর্শ অনুযায়ী অন্তঃসত্ত্বা ও স্তন্যদানকারী নারীদের করোনার টিকা প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

নারীদের টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে বেশ কিছু নির্দেশনা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এগুলোর মধ্যে রয়েছে, অন্তঃসত্ত্বা নারী টিকা গ্রহণের দিন অসুস্থ থাকলে কিংবা অনিয়ন্ত্রিত দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত হলে টিকা প্রদান করা যাবে না। কোনো অন্তঃসত্ত্বা নারীর টিকা অ্যালার্জির পূর্ব ইতিহাস থাকলে তাকে কোডিড-১৯ টিকা প্রদান করা যাবে না।

কোনো অন্তঃসত্ত্বা নারী যদি করোনা টিকার প্রথম ডোজ গ্রহণের পর এইএফআই কেস হিসাবে শনাক্ত হন তবে তাকে দ্বিতীয় ডোজ প্রদান করা যাবে না। একইসঙ্গে নির্দেশনায় বলা হয় সম্মতিপত্রে টিকাগ্রহীতা/আইনানুগ অভিভাবক ও কাউন্সেলিং চিকিৎসকের স্বাক্ষর ব্যতীত টিকা দেওয়া যাবে না।

নির্দেশনায় তিন নাম্বারে কাউন্সেলিং উল্লেখ করে বলা হয়েছে, কোডিড-১৯ টিকা গ্রহণে ইচ্ছুক অন্তঃসত্ত্বা নারীকে টিকা প্রদানের পূর্বে অবশ্যই নিম্নোক্ত তথ্যাদি একজন রেজিস্টার্ড চিকিৎসক কর্তৃক পুঙ্খানুপুঙ্খরূপে অবহিত করতে হবে।

স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে রয়েছে, নির্ধারিত সময়ের আগেই সন্তান জন্মদান (অপরিণত নবজাতক) এর সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়, নবজাতকের স্বাস্থ্য ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়, বয়স্ক অন্তঃসত্ত্বা (৩৫ বছরের বেশি), উচ্চ বিএমআই সম্পন্ন, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিসসহ অন্যান্য দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত নারী গর্ভাবস্থায় করোনায় আক্রান্ত হলে তা মারাত্মক রূপ নিতে পারে।

এক্ষেত্রে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে এবং সাধারণ নারীদের তুলনায় অন্তঃসত্ত্বা করোনা আক্রান্ত হলে স্বাস্থ্য ঝুঁকির আশঙ্কা অনেক বেশি। অন্তঃসত্ত্বা নারীকে টিকার সুফল সম্পর্কে অবহিতকরণ প্রসঙ্গে বলা হয়, কোভিড-১৯ টিকা গ্রহণ করলে করোনায় আক্রান্ত হওয়া ও এর ফলে সৃষ্ট জটিলতার ঝুঁকি অপেক্ষাকৃত কম, গর্ভাবস্থায় টিকা নিলে কোভিডের গর্ভজনিত ঝুঁকির সম্ভাবনা কম।

নির্দেশনায় সম্মতিপত্রে স্বাক্ষর গ্রহণ শীর্ষক অংশে বলা হয়েছে, উল্লিখিত নির্দেশাবলি সম্পন্ন করার পর সম্মতিপত্রে (সংযুক্ত) গর্ভবতী নারী ও কাউন্সিলর (রেজিস্টার্ড চিকিৎসক) এর স্বাক্ষর গ্রহণপূর্বক টিকা প্রদান করতে হবে।