ঢাকা , রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা ‘ওই মিয়া চুপ করেন, একেবারে খেয়ে ফেলবো’ বিএনপিকর্মীকে এমপি হানজালা

ঝড়টির নাম ‘রোয়ানু’ কেন হলো

এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের মানুষেরা ঘূর্ণিঝড় ‘রোয়ানু’ নিয়ে উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠার মধ্যে সময় কাটাচ্ছে।

ঝড়টির নাম রোয়ানু কেন হলো?

ঝড়ের নামকরণের ক্ষেত্রে প্রত্যেক দেশের পাঠানো নামের তালিকা থেকে পর্যায়ক্রমে নামকরণ করা হয়। একেক অঞ্চলের ঝড়ের নাম চূড়ান্ত করে ভিন্ন ভিন্ন প্রতিষ্ঠান।

যেমন, উত্তর ভারত মহাসাগরে সৃষ্ট ঝড়গুলোর নামকরণের দায়িত্ব ভারতের আবহাওয়া অধিদফতরের। এক্ষেত্রে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের আট দেশ বাংলাদেশ, ভারত, মালদ্বীপ, মিয়ানমার, ওমান, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা এবং থাইল্যান্ড থেকে আরব সাগর এবং বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়ের নাম প্রস্তাব করা হয়। নামের প্রস্তাব আসার পর ভারতের আবহাওয়া অধিদফতরে বৈঠকের মাধ্যমে প্রস্তাবিত নামের মধ্য থেকে তালিকা তৈরি হয়। আর সে তালিকা অনুযায়ীই পর্যায়ক্রমে নামকরণ হয়।

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার দায়িত্বপ্রাপ্ত প্যানেলের সেই তালিকা অনুযায়ীই এবারের ঘূর্ণিঝড়ের নাম দেওয়া হয়েছে ‘রোয়ানু’।

আর পরবর্তী যে ঘূর্ণিঝড়টি হবে সেটির নামও আগে থেকেই তালিকায় আছে। অন্য আরেকটি দেশের প্রস্তাবিত নামের তালিকা থেকে নাম নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, রোয়ানু শব্দটি মালদ্বীপের ভাষার। এর অর্থ নারিকেলের ছোবড়ার তৈরি দড়ি। অর্থাৎ এবার মালদ্বীপের প্রস্তাবিত নামটিই ঝড়ের নাম হিসেবে নেওয়া হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

ঝড়টির নাম ‘রোয়ানু’ কেন হলো

আপডেট টাইম : ০৬:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মে ২০১৬

এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের মানুষেরা ঘূর্ণিঝড় ‘রোয়ানু’ নিয়ে উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠার মধ্যে সময় কাটাচ্ছে।

ঝড়টির নাম রোয়ানু কেন হলো?

ঝড়ের নামকরণের ক্ষেত্রে প্রত্যেক দেশের পাঠানো নামের তালিকা থেকে পর্যায়ক্রমে নামকরণ করা হয়। একেক অঞ্চলের ঝড়ের নাম চূড়ান্ত করে ভিন্ন ভিন্ন প্রতিষ্ঠান।

যেমন, উত্তর ভারত মহাসাগরে সৃষ্ট ঝড়গুলোর নামকরণের দায়িত্ব ভারতের আবহাওয়া অধিদফতরের। এক্ষেত্রে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের আট দেশ বাংলাদেশ, ভারত, মালদ্বীপ, মিয়ানমার, ওমান, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা এবং থাইল্যান্ড থেকে আরব সাগর এবং বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়ের নাম প্রস্তাব করা হয়। নামের প্রস্তাব আসার পর ভারতের আবহাওয়া অধিদফতরে বৈঠকের মাধ্যমে প্রস্তাবিত নামের মধ্য থেকে তালিকা তৈরি হয়। আর সে তালিকা অনুযায়ীই পর্যায়ক্রমে নামকরণ হয়।

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার দায়িত্বপ্রাপ্ত প্যানেলের সেই তালিকা অনুযায়ীই এবারের ঘূর্ণিঝড়ের নাম দেওয়া হয়েছে ‘রোয়ানু’।

আর পরবর্তী যে ঘূর্ণিঝড়টি হবে সেটির নামও আগে থেকেই তালিকায় আছে। অন্য আরেকটি দেশের প্রস্তাবিত নামের তালিকা থেকে নাম নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, রোয়ানু শব্দটি মালদ্বীপের ভাষার। এর অর্থ নারিকেলের ছোবড়ার তৈরি দড়ি। অর্থাৎ এবার মালদ্বীপের প্রস্তাবিত নামটিই ঝড়ের নাম হিসেবে নেওয়া হয়েছে।