ঢাকা , বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশে গাড়ি তৈরির কারখানা স্থাপন করবে বিশ্বখ্যাত কোম্পানি টয়োটা লং মার্চ বন্ধ করে সংলাপে বসার আহ্বান শাহবাজ শরীফের শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধায় কার্পণ্য করবে না সরকার : এলজিআরডি মন্ত্রী সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন এক বছরের মধ্যে লক্ষ্য ৫ হাজার মেগাওয়াট ফ্যামিলি কার্ডের সঠিক ব্যবহারে দারিদ্র্যমুক্ত হতে পারে সাড়ে ২৮ লাখ মানুষ: বিশ্বব্যাংক শিক্ষার্থীরাই যার সন্তান, কল্যাণী তাদের স্বপ্নসারথি ভিকির পুলসিরাতে মেহজাবীন এয়ারবাসের ১০ উড়োজাহাজ কিনতে বুধবার চুক্তি সই শিগগির ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির নতুন কমিটি, আলোচনায় যারা ৩০ ব্যাংকের কার্ড-এটিএমসহ বিভিন্ন সেবা বন্ধ, কিউ-ক্যাশ কর্তৃপক্ষকে তলব

ঝড়টির নাম ‘রোয়ানু’ কেন হলো

এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের মানুষেরা ঘূর্ণিঝড় ‘রোয়ানু’ নিয়ে উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠার মধ্যে সময় কাটাচ্ছে।

ঝড়টির নাম রোয়ানু কেন হলো?

ঝড়ের নামকরণের ক্ষেত্রে প্রত্যেক দেশের পাঠানো নামের তালিকা থেকে পর্যায়ক্রমে নামকরণ করা হয়। একেক অঞ্চলের ঝড়ের নাম চূড়ান্ত করে ভিন্ন ভিন্ন প্রতিষ্ঠান।

যেমন, উত্তর ভারত মহাসাগরে সৃষ্ট ঝড়গুলোর নামকরণের দায়িত্ব ভারতের আবহাওয়া অধিদফতরের। এক্ষেত্রে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের আট দেশ বাংলাদেশ, ভারত, মালদ্বীপ, মিয়ানমার, ওমান, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা এবং থাইল্যান্ড থেকে আরব সাগর এবং বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়ের নাম প্রস্তাব করা হয়। নামের প্রস্তাব আসার পর ভারতের আবহাওয়া অধিদফতরে বৈঠকের মাধ্যমে প্রস্তাবিত নামের মধ্য থেকে তালিকা তৈরি হয়। আর সে তালিকা অনুযায়ীই পর্যায়ক্রমে নামকরণ হয়।

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার দায়িত্বপ্রাপ্ত প্যানেলের সেই তালিকা অনুযায়ীই এবারের ঘূর্ণিঝড়ের নাম দেওয়া হয়েছে ‘রোয়ানু’।

আর পরবর্তী যে ঘূর্ণিঝড়টি হবে সেটির নামও আগে থেকেই তালিকায় আছে। অন্য আরেকটি দেশের প্রস্তাবিত নামের তালিকা থেকে নাম নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, রোয়ানু শব্দটি মালদ্বীপের ভাষার। এর অর্থ নারিকেলের ছোবড়ার তৈরি দড়ি। অর্থাৎ এবার মালদ্বীপের প্রস্তাবিত নামটিই ঝড়ের নাম হিসেবে নেওয়া হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

বাংলাদেশে গাড়ি তৈরির কারখানা স্থাপন করবে বিশ্বখ্যাত কোম্পানি টয়োটা

ঝড়টির নাম ‘রোয়ানু’ কেন হলো

আপডেট টাইম : ০৬:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মে ২০১৬

এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের মানুষেরা ঘূর্ণিঝড় ‘রোয়ানু’ নিয়ে উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠার মধ্যে সময় কাটাচ্ছে।

ঝড়টির নাম রোয়ানু কেন হলো?

ঝড়ের নামকরণের ক্ষেত্রে প্রত্যেক দেশের পাঠানো নামের তালিকা থেকে পর্যায়ক্রমে নামকরণ করা হয়। একেক অঞ্চলের ঝড়ের নাম চূড়ান্ত করে ভিন্ন ভিন্ন প্রতিষ্ঠান।

যেমন, উত্তর ভারত মহাসাগরে সৃষ্ট ঝড়গুলোর নামকরণের দায়িত্ব ভারতের আবহাওয়া অধিদফতরের। এক্ষেত্রে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের আট দেশ বাংলাদেশ, ভারত, মালদ্বীপ, মিয়ানমার, ওমান, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা এবং থাইল্যান্ড থেকে আরব সাগর এবং বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড়ের নাম প্রস্তাব করা হয়। নামের প্রস্তাব আসার পর ভারতের আবহাওয়া অধিদফতরে বৈঠকের মাধ্যমে প্রস্তাবিত নামের মধ্য থেকে তালিকা তৈরি হয়। আর সে তালিকা অনুযায়ীই পর্যায়ক্রমে নামকরণ হয়।

বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার দায়িত্বপ্রাপ্ত প্যানেলের সেই তালিকা অনুযায়ীই এবারের ঘূর্ণিঝড়ের নাম দেওয়া হয়েছে ‘রোয়ানু’।

আর পরবর্তী যে ঘূর্ণিঝড়টি হবে সেটির নামও আগে থেকেই তালিকায় আছে। অন্য আরেকটি দেশের প্রস্তাবিত নামের তালিকা থেকে নাম নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, রোয়ানু শব্দটি মালদ্বীপের ভাষার। এর অর্থ নারিকেলের ছোবড়ার তৈরি দড়ি। অর্থাৎ এবার মালদ্বীপের প্রস্তাবিত নামটিই ঝড়ের নাম হিসেবে নেওয়া হয়েছে।