ঢাকা , সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরকার আ.লীগের অপতৎপরতায় শঙ্কিত নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উপহার কেনার আগে যে ৭টি বিষয় মনে রাখা জরুরি চীনে ৩০ দেশের রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের গণমাধ্যম সহযোগিতা সেমিনার আগামী বছরের জানুয়ারিতে হতে পারে ইউপি নির্বাচন: ইসি মাছউদ জাতিসংঘে বাংলাদেশের নতুন গণতান্ত্রিক যাত্রা ও রোহিঙ্গা সংকট তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারে বাড়ল ২০ টাকা ইমরান খানের বোনকে গ্রেপ্তার, ২৭ সেপ্টেম্বরের বিক্ষোভ ঘিরে উত্তেজনা চীনা নাগরিকের ২.৫ কেজি সোনা উদ্ধার, আনসারের বিচক্ষণতায় পাচারচেষ্টা নস্যাৎ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় এমপি নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রী হাফেজদের উপহার হিসেবে দেওয়া ‘নেক্সাস’ বই ফেরত নিলেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী

জলাবদ্ধতা নিরসনে ঢাকার বক্স কালভার্টগুলো খুলে দেওয়ার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ  ঢাকার জলাবদ্ধতা দূর করতে নগরীর কালভার্টগুলোর ওপরের অংশ ভেঙে এগুলো খুলে দেওয়া যায় কিনা, তা ভেবে দেখার পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একইসঙ্গে তিনি কালভার্ট খুলে দেওয়ার পর ওই কালভার্টগুলোর ওপর দিয়ে উড়াল সেতু বানানোরও প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি। এ জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে এ বিষয়ে কাজ শুরু করা যায় কিনা, তা গুরুত্বের সঙ্গে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন। সোমবার সচিবালয়ের কেবিনেট কক্ষে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিপরিষদের নিয়মিত বৈঠকের পর অনির্ধারিত আলোচনাকালে তিনি এসব কথা বলেন। বৈঠকসূত্রে বিষয়টি জানা গেছে।

সূত্র জানায়, এ সময় প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে উপস্থিত সবার উদ্দেশে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাজধানীসহ বড় বড় শহরের ভেতরের জলাবদ্ধতা নিরসনে এমন ব্যবস্থাসম্পন্ন খোলা কালভার্ট ও তার ওপর দিয়ে জনসাধারণ ও যানবাহন চলাচলের জন্য নির্মিত উড়াল সেতুর ছবি দেখান।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘খালগুলোর ওপর বক্স কালভার্ট থাকায় ভেতরের ময়লা পরিষ্কার করা সম্ভব হয় না। একারণে পানি দ্রুত নিষ্কাশন হতে পারে না। শহরের সব ময়লা গিয়ে সেখানে জমা হয়েছে। ফলে সামান্য বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। জিয়া ও এরশাদের আমলে ভবিষ্যতের কথা বিবেচনায় না নিয়েই এগুলো নির্মাণ করা হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপি ও জাতীয় পার্টির সরকারের আমলে ঢাকা শহরের খালগুলো দখল হয়ে গেছে।’

একই সময়ে প্রধানমন্ত্রী বুড়িগঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্রসহ দেশের নদী খনন কাজে ছোট ও কম ক্ষমতাসম্পন্ন মেশিন ব্যবহার না করে হেভি ড্রেজিং মেশিন ব্যবহারের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। বিষয়টি অনেক ব্যয়বহল জানিয়ে এ সময়ে কেউ কেউ প্রধানমন্ত্রীর দৃষি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, ‘যতই ব্যয়বহুল হোক নদী তো আমাদের খনন করতেই হবে।’

একইসঙ্গে তিনি নদী খনন কারর পর যে বালু উত্তোলন করা হয়, তা বিক্রি করা যায় কিনা, তার ব্যবস্থা করার জন্যও নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় ও  পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

সরকার আ.লীগের অপতৎপরতায় শঙ্কিত নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জলাবদ্ধতা নিরসনে ঢাকার বক্স কালভার্টগুলো খুলে দেওয়ার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

আপডেট টাইম : ০২:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ জুলাই ২০১৭

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ  ঢাকার জলাবদ্ধতা দূর করতে নগরীর কালভার্টগুলোর ওপরের অংশ ভেঙে এগুলো খুলে দেওয়া যায় কিনা, তা ভেবে দেখার পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একইসঙ্গে তিনি কালভার্ট খুলে দেওয়ার পর ওই কালভার্টগুলোর ওপর দিয়ে উড়াল সেতু বানানোরও প্রস্তাব দিয়েছেন তিনি। এ জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে এ বিষয়ে কাজ শুরু করা যায় কিনা, তা গুরুত্বের সঙ্গে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন। সোমবার সচিবালয়ের কেবিনেট কক্ষে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিপরিষদের নিয়মিত বৈঠকের পর অনির্ধারিত আলোচনাকালে তিনি এসব কথা বলেন। বৈঠকসূত্রে বিষয়টি জানা গেছে।

সূত্র জানায়, এ সময় প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে উপস্থিত সবার উদ্দেশে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাজধানীসহ বড় বড় শহরের ভেতরের জলাবদ্ধতা নিরসনে এমন ব্যবস্থাসম্পন্ন খোলা কালভার্ট ও তার ওপর দিয়ে জনসাধারণ ও যানবাহন চলাচলের জন্য নির্মিত উড়াল সেতুর ছবি দেখান।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘খালগুলোর ওপর বক্স কালভার্ট থাকায় ভেতরের ময়লা পরিষ্কার করা সম্ভব হয় না। একারণে পানি দ্রুত নিষ্কাশন হতে পারে না। শহরের সব ময়লা গিয়ে সেখানে জমা হয়েছে। ফলে সামান্য বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়। জিয়া ও এরশাদের আমলে ভবিষ্যতের কথা বিবেচনায় না নিয়েই এগুলো নির্মাণ করা হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপি ও জাতীয় পার্টির সরকারের আমলে ঢাকা শহরের খালগুলো দখল হয়ে গেছে।’

একই সময়ে প্রধানমন্ত্রী বুড়িগঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্রসহ দেশের নদী খনন কাজে ছোট ও কম ক্ষমতাসম্পন্ন মেশিন ব্যবহার না করে হেভি ড্রেজিং মেশিন ব্যবহারের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। বিষয়টি অনেক ব্যয়বহল জানিয়ে এ সময়ে কেউ কেউ প্রধানমন্ত্রীর দৃষি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, ‘যতই ব্যয়বহুল হোক নদী তো আমাদের খনন করতেই হবে।’

একইসঙ্গে তিনি নদী খনন কারর পর যে বালু উত্তোলন করা হয়, তা বিক্রি করা যায় কিনা, তার ব্যবস্থা করার জন্যও নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় ও  পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।