ঢাকা , সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চীনা নাগরিকের ২.৫ কেজি সোনা উদ্ধার, আনসারের বিচক্ষণতায় পাচারচেষ্টা নস্যাৎ

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভিনব কৌশলে স্বর্ণ পাচারের চেষ্টা নস্যাৎ করেছেন আনসার সদস্যরা। চীন থেকে আসা এক চীনা নাগরিকের সঙ্গে থাকা মাটির তৈরি পাঁচটি পাত্র থেকে আনুমানিক ২.৫ কেজি বা ২১৫ ভরি স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়েছে।

রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার ৩০ মিনিটের দিকে বিমানবন্দরের ক্যানোপি-১ এলাকায় আনসার সদস্যদের তৎপরতায় এসব স্বর্ণ শনাক্ত করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, চীন থেকে আসা ওই নাগরিকের সঙ্গে থাকা পাঁচটি পাহাড়ি মাটির তৈরি মগ/ঝাড়ে বিশেষ কৌশলে রাসায়নিকের সঙ্গে স্বর্ণ লুকানো ছিল। দায়িত্ব পালনকালে আনসার সদস্য রায়হান হোসেন ও এপিসি সাইফুল বিষয়টি শনাক্ত করেন। পরে পাঁচটি মাটির পাত্র উদ্ধার করে কর্তব্যরত পিসি মো. আনিসুর রহমানকে বিষয়টি জানানো হয়।

পরে শিফটে দায়িত্বপ্রাপ্ত উপজেলা প্রশিক্ষক ওমর ফারুক ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধার করা সামগ্রী বিমানবন্দর কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করেন।

কাস্টমস কর্তৃপক্ষ স্বর্ণকারের সহায়তায় মাটির পাত্রগুলো আগুনে পুড়িয়ে ভেতরে থাকা স্বর্ণ আলাদা করে। এ সময় পাঁচটি স্বর্ণের বার বা বিস্কুট পাওয়া যায়। উদ্ধার করা স্বর্ণের মোট ওজন আনুমানিক ২.৫ কেজি, যা প্রায় ২১৫ ভরি।

মাটির পাত্রের ভেতরে রাসায়নিকের সঙ্গে স্বর্ণ লুকিয়ে পাচারের এ চেষ্টা আনসার সদস্যদের সতর্কতা ও তাৎক্ষণিক তৎপরতায় নস্যাৎ হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

চীনা নাগরিকের ২.৫ কেজি সোনা উদ্ধার, আনসারের বিচক্ষণতায় পাচারচেষ্টা নস্যাৎ

আপডেট টাইম : ০৫:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভিনব কৌশলে স্বর্ণ পাচারের চেষ্টা নস্যাৎ করেছেন আনসার সদস্যরা। চীন থেকে আসা এক চীনা নাগরিকের সঙ্গে থাকা মাটির তৈরি পাঁচটি পাত্র থেকে আনুমানিক ২.৫ কেজি বা ২১৫ ভরি স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়েছে।

রবিবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ২টার ৩০ মিনিটের দিকে বিমানবন্দরের ক্যানোপি-১ এলাকায় আনসার সদস্যদের তৎপরতায় এসব স্বর্ণ শনাক্ত করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, চীন থেকে আসা ওই নাগরিকের সঙ্গে থাকা পাঁচটি পাহাড়ি মাটির তৈরি মগ/ঝাড়ে বিশেষ কৌশলে রাসায়নিকের সঙ্গে স্বর্ণ লুকানো ছিল। দায়িত্ব পালনকালে আনসার সদস্য রায়হান হোসেন ও এপিসি সাইফুল বিষয়টি শনাক্ত করেন। পরে পাঁচটি মাটির পাত্র উদ্ধার করে কর্তব্যরত পিসি মো. আনিসুর রহমানকে বিষয়টি জানানো হয়।

পরে শিফটে দায়িত্বপ্রাপ্ত উপজেলা প্রশিক্ষক ওমর ফারুক ঘটনাস্থলে এসে উদ্ধার করা সামগ্রী বিমানবন্দর কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করেন।

কাস্টমস কর্তৃপক্ষ স্বর্ণকারের সহায়তায় মাটির পাত্রগুলো আগুনে পুড়িয়ে ভেতরে থাকা স্বর্ণ আলাদা করে। এ সময় পাঁচটি স্বর্ণের বার বা বিস্কুট পাওয়া যায়। উদ্ধার করা স্বর্ণের মোট ওজন আনুমানিক ২.৫ কেজি, যা প্রায় ২১৫ ভরি।

মাটির পাত্রের ভেতরে রাসায়নিকের সঙ্গে স্বর্ণ লুকিয়ে পাচারের এ চেষ্টা আনসার সদস্যদের সতর্কতা ও তাৎক্ষণিক তৎপরতায় নস্যাৎ হয়েছে।