ঢাকা , সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জলাবদ্ধতা দূর করে নগরজীবন স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করছি: ডিএসসিসি প্রশাসক ২০০৯ সালের পর ঢাকায় একদিনে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড ফাঁস হলো স্যামসাং জেড ফোল্ড ৮ আল্ট্রার দাম ও ফিচার হতাশা থেকে মুক্তি দিতে পারে কোরআনের এই ১০ আয়াত চট্টগ্রামের দুর্গতদের পাশে যুবদল সভাপতি মুন্না বর্তমান রিজার্ভ প্রায় ৩৬.০৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার : অর্থমন্ত্রী সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা, পরীমণির বাঁধভাঙ্গা উল্লাস জলাবদ্ধতাকবলিত মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সমন্বয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নিতে ইরানের হিট লিস্টে ১৩ বিশ্বনেতা দুই মাস পর ঘুরে দাঁড়ালো সঞ্চয়পত্র বিক্রি

অন্ধ মানুষের সংখ্যা ৩ গুণ বাড়ছে

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ  প্রতি বছর বিশ্বে বাড়ছে অন্ধ মানুষের সংখ্যা। এভাবে বাড়তে থাকলে আগামী ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বে অন্ধ মানুষের সংখ্যা তিন গুণ বাড়বে। সম্প্রতি এক গবেষণায় এ বিষয়টি জানা গেছে।

বিশ্বের বেশ কয়েকজন স্বনামধন্য গবেষক এ গবেষণাটি করেছেন। এতে উঠে এসেছে বিশ্বের অন্ধ জনসংখ্যা বৃদ্ধির তথ্য। গবেষণাটির ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে ল্যানসেট গ্লোবাল হেলথে।

গবেষকরা জানিয়েছেন, বর্তমানে বিশ্বে তিন কোটি ৬০ লাখ মানুষ অন্ধ। তবে বর্তমানে যে অবস্থা দেখা যাচ্ছে তাতে প্রতীয়মান হয় যে, বিশ্বের এ অন্ধ জনসংখ্যা ক্রমে বাড়বে। এ পরিস্থিতির উন্নতি না হলে ২০৫০ সালের মধ্যে অন্ধদের এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াবে সাড়ে ১১ কোটি।

কিন্তু কেন বাড়বে অন্ধ জনসংখ্যা? গবেষকরা বলছেন, এ সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার পেছনে বয়স্ক লোকের সংখ্যা বেড়ে যাওয়া একটি বড় ভূমিকা রাখবে। অন্ধত্ব ও দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়ার হার সবচেয়ে বেশি দেখা যাবে দক্ষিণ এশিয়া ও সাব-সাহারান আফ্রিকায়।

গবেষকরা এ গবেষণার জন্য ১৮৮টি দেশের তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করেছেন। এতে তারা দেখেছেন ২০ কোটিরও বেশি লোক মাঝারি থেকে তীব্র দৃষ্টিশক্তি সমস্যায় ভূগছে। ২০৫০ সালের মধ্যে এই সংখ্যা ৫৫ কোটিরও বেশি হতে পারে।

প্রধান গবেষক অ্যাংলিয়া রাসকিন ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক রুপার্ট আরএ বোর্ন বলেন, এমনকি সামান্য দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়াও মানুষের জীবনে যথেষ্ট প্রভাব ফেলে। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, এতে তাদের স্বাধীনতা কমে যায়… প্রায়ই তারা গাড়ি চালাতে পারে না।

এছাড়া অন্ধ মানুষেরা শিক্ষা ও অর্থনৈতিক সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয় বলেও জানান তিনি।

গবেষণায় বলা হয়, সারা বিশ্বের বয়স্ক জনসংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি তাদের নানা ধরনের ক্রনিক স্বাস্থ্যগত সমস্যাও বাড়ছে। আর এ সমস্যার অন্যতম দৃষ্টিশক্তি হারানো। তবে গরিব দেশগুলোতে এ সমস্যা বেশি হারে বাড়ছে। এ কারণে উন্নয়নশীল দেশগুলোকে এক্ষেত্রে গুরুত্ব দিতে হবে। চোখের চিকিৎসায় বেশি করে ডাক্তার ও নার্স নিয়োগ করতে হবে এবং তাদের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে যেন তারা যথাযথভাবে চোখের চিকিৎসা করতে পারে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জলাবদ্ধতা দূর করে নগরজীবন স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করছি: ডিএসসিসি প্রশাসক

অন্ধ মানুষের সংখ্যা ৩ গুণ বাড়ছে

আপডেট টাইম : ০১:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ অগাস্ট ২০১৭

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ  প্রতি বছর বিশ্বে বাড়ছে অন্ধ মানুষের সংখ্যা। এভাবে বাড়তে থাকলে আগামী ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বে অন্ধ মানুষের সংখ্যা তিন গুণ বাড়বে। সম্প্রতি এক গবেষণায় এ বিষয়টি জানা গেছে।

বিশ্বের বেশ কয়েকজন স্বনামধন্য গবেষক এ গবেষণাটি করেছেন। এতে উঠে এসেছে বিশ্বের অন্ধ জনসংখ্যা বৃদ্ধির তথ্য। গবেষণাটির ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে ল্যানসেট গ্লোবাল হেলথে।

গবেষকরা জানিয়েছেন, বর্তমানে বিশ্বে তিন কোটি ৬০ লাখ মানুষ অন্ধ। তবে বর্তমানে যে অবস্থা দেখা যাচ্ছে তাতে প্রতীয়মান হয় যে, বিশ্বের এ অন্ধ জনসংখ্যা ক্রমে বাড়বে। এ পরিস্থিতির উন্নতি না হলে ২০৫০ সালের মধ্যে অন্ধদের এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াবে সাড়ে ১১ কোটি।

কিন্তু কেন বাড়বে অন্ধ জনসংখ্যা? গবেষকরা বলছেন, এ সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার পেছনে বয়স্ক লোকের সংখ্যা বেড়ে যাওয়া একটি বড় ভূমিকা রাখবে। অন্ধত্ব ও দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়ার হার সবচেয়ে বেশি দেখা যাবে দক্ষিণ এশিয়া ও সাব-সাহারান আফ্রিকায়।

গবেষকরা এ গবেষণার জন্য ১৮৮টি দেশের তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করেছেন। এতে তারা দেখেছেন ২০ কোটিরও বেশি লোক মাঝারি থেকে তীব্র দৃষ্টিশক্তি সমস্যায় ভূগছে। ২০৫০ সালের মধ্যে এই সংখ্যা ৫৫ কোটিরও বেশি হতে পারে।

প্রধান গবেষক অ্যাংলিয়া রাসকিন ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক রুপার্ট আরএ বোর্ন বলেন, এমনকি সামান্য দৃষ্টিশক্তি কমে যাওয়াও মানুষের জীবনে যথেষ্ট প্রভাব ফেলে। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, এতে তাদের স্বাধীনতা কমে যায়… প্রায়ই তারা গাড়ি চালাতে পারে না।

এছাড়া অন্ধ মানুষেরা শিক্ষা ও অর্থনৈতিক সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয় বলেও জানান তিনি।

গবেষণায় বলা হয়, সারা বিশ্বের বয়স্ক জনসংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি তাদের নানা ধরনের ক্রনিক স্বাস্থ্যগত সমস্যাও বাড়ছে। আর এ সমস্যার অন্যতম দৃষ্টিশক্তি হারানো। তবে গরিব দেশগুলোতে এ সমস্যা বেশি হারে বাড়ছে। এ কারণে উন্নয়নশীল দেশগুলোকে এক্ষেত্রে গুরুত্ব দিতে হবে। চোখের চিকিৎসায় বেশি করে ডাক্তার ও নার্স নিয়োগ করতে হবে এবং তাদের পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে যেন তারা যথাযথভাবে চোখের চিকিৎসা করতে পারে।