ঢাকা , সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জলাবদ্ধতা দূর করে নগরজীবন স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করছি: ডিএসসিসি প্রশাসক ২০০৯ সালের পর ঢাকায় একদিনে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড ফাঁস হলো স্যামসাং জেড ফোল্ড ৮ আল্ট্রার দাম ও ফিচার হতাশা থেকে মুক্তি দিতে পারে কোরআনের এই ১০ আয়াত চট্টগ্রামের দুর্গতদের পাশে যুবদল সভাপতি মুন্না বর্তমান রিজার্ভ প্রায় ৩৬.০৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার : অর্থমন্ত্রী সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা, পরীমণির বাঁধভাঙ্গা উল্লাস জলাবদ্ধতাকবলিত মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সমন্বয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নিতে ইরানের হিট লিস্টে ১৩ বিশ্বনেতা দুই মাস পর ঘুরে দাঁড়ালো সঞ্চয়পত্র বিক্রি

মায়ের কাছে পড়ে ৯ মাসে কোরআনের হাফেজ ৭ বছরের শিশু

মাত্র ৯ মাসে মায়ের কাছে পড়ে পবিত্র কোরআন মুখস্থ করে হাফেজ হয়েছে সাত বছরের এক শিশু। বিস্ময়কর এই বালকের নাম মুহাম্মদ। সে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার সাতবাড়ীয়া গ্রামের মুফতি আবদুল্লাহ আমজাদের ছেলে।

হাফেজ মুহাম্মদের মায়ের নাম আলেমা মাছুমা জান্নাত। তিনি ‘মাছুমা জান্নাত মহিলা মাদরাসা’ নামে নিজ এলাকায় একটি মাদরাসা পরিচালনা করেন। সেখানে মা ও নানির কাছে পবিত্র কোরআনের হাফেজ হন সাত বছরের শিশু মুহাম্মদ।

শিশু মুহাম্মদের বাবা মুফতি আবদুল্লাহ আমজাদ বলেন, আলহামদুলিল্লাহ, আমাদের পুরো পরিবারই কোরআনের খেদমতের সঙ্গে যুক্ত। মুহাম্মদের মা, নানা-নানি সবাই হাফেজ। আমার স্ত্রীও আমার শাশুড়ির কাছে পড়ে পবিত্র কোরআন হিফজ সম্পন্ন করেছিল।

মুফতি আবদুল্লাহ আরও বলেন, মুহাম্মদ যেটা করেছে, এর শুকরিয়া আদায় করে শেষ করা যাবে না। আমার সন্তান একজন প্রকৃত আলেম ও ইসলামের প্রচারক এবং একজন বিশ্বসেরা হাফেজ হয়ে দেশের নাম উজ্জ্বল করবে—এমনটাই আমার আশা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জলাবদ্ধতা দূর করে নগরজীবন স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করছি: ডিএসসিসি প্রশাসক

মায়ের কাছে পড়ে ৯ মাসে কোরআনের হাফেজ ৭ বছরের শিশু

আপডেট টাইম : ০৪:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ জুন ২০২৫

মাত্র ৯ মাসে মায়ের কাছে পড়ে পবিত্র কোরআন মুখস্থ করে হাফেজ হয়েছে সাত বছরের এক শিশু। বিস্ময়কর এই বালকের নাম মুহাম্মদ। সে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার সাতবাড়ীয়া গ্রামের মুফতি আবদুল্লাহ আমজাদের ছেলে।

হাফেজ মুহাম্মদের মায়ের নাম আলেমা মাছুমা জান্নাত। তিনি ‘মাছুমা জান্নাত মহিলা মাদরাসা’ নামে নিজ এলাকায় একটি মাদরাসা পরিচালনা করেন। সেখানে মা ও নানির কাছে পবিত্র কোরআনের হাফেজ হন সাত বছরের শিশু মুহাম্মদ।

শিশু মুহাম্মদের বাবা মুফতি আবদুল্লাহ আমজাদ বলেন, আলহামদুলিল্লাহ, আমাদের পুরো পরিবারই কোরআনের খেদমতের সঙ্গে যুক্ত। মুহাম্মদের মা, নানা-নানি সবাই হাফেজ। আমার স্ত্রীও আমার শাশুড়ির কাছে পড়ে পবিত্র কোরআন হিফজ সম্পন্ন করেছিল।

মুফতি আবদুল্লাহ আরও বলেন, মুহাম্মদ যেটা করেছে, এর শুকরিয়া আদায় করে শেষ করা যাবে না। আমার সন্তান একজন প্রকৃত আলেম ও ইসলামের প্রচারক এবং একজন বিশ্বসেরা হাফেজ হয়ে দেশের নাম উজ্জ্বল করবে—এমনটাই আমার আশা।