ঢাকা , সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জলাবদ্ধতা দূর করে নগরজীবন স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করছি: ডিএসসিসি প্রশাসক ২০০৯ সালের পর ঢাকায় একদিনে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড ফাঁস হলো স্যামসাং জেড ফোল্ড ৮ আল্ট্রার দাম ও ফিচার হতাশা থেকে মুক্তি দিতে পারে কোরআনের এই ১০ আয়াত চট্টগ্রামের দুর্গতদের পাশে যুবদল সভাপতি মুন্না বর্তমান রিজার্ভ প্রায় ৩৬.০৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার : অর্থমন্ত্রী সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা, পরীমণির বাঁধভাঙ্গা উল্লাস জলাবদ্ধতাকবলিত মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সমন্বয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নিতে ইরানের হিট লিস্টে ১৩ বিশ্বনেতা দুই মাস পর ঘুরে দাঁড়ালো সঞ্চয়পত্র বিক্রি

নির্বাচককে নিয়ে লিটনের বিস্ফোরক মন্তব্য

আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরুর আগে সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়ক লিটন দাসের বক্তব্য আলোচিত হয়ে উঠেছে। সাধারণত অধিনায়করা এত সরাসরি বোর্ডের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন না, কিন্তু লিটনের কথাগুলো এবার ব্যতিক্রম।

সবকিছুর শুরু হয় শামীম হোসেনের বাদ পড়া নিয়েই। শামীমের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স তেমন উজ্জ্বল ছিল না। শেষ তিনটি টি-টোয়েন্টিতে যথাক্রমে ০, ১, ১ রান।

তবে তার সিরিজ থেকে বাদ পড়া নিয়ে অধিনায়কের দৃষ্টিভঙ্গি জানতে চাওয়া হলে লিটন বলেন, ‘দেখুন, (শামীম) থাকলে অবশ্যই ভালো হতো। এটা আমার কল না, পুরোপুরি নির্বাচকদের কল। আমি জানি না কেন, নির্বাচকরা আমাকে কোনো নোটিশ ছাড়াই শামীমকে বাদ দিয়েছেন। উইদাউট অ্যানি নোটিশ।’

এতে থেমে যাননি লিটন। তিনি প্রশ্ন তোলেন দলের নির্বাচনের প্রক্রিয়া নিয়েও, ‘আমি এত দিন জানতাম যে অধিনায়ক হিসেবে অন্তত জানি কোন খেলোয়াড় ঢুকবে, কোন খেলোয়াড় আউট হবে।’

শামীমের জায়গায় দলে এসেছেন মাহিদুল ইসলাম। মিডল অর্ডারে তার সঙ্গে আছেন ডানহাতি ব্যাটসম্যান সাইফ হাসান, তাওহিদ হৃদয়, জাকের আলী ও নুরুল হাসান। এমন এক দলে ব্যাটিং ব্যালেন্স না থাকায় লিটনের প্রশ্ন, ‘গুড পয়েন্ট! আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে রাইট-হ্যান্ড ও লেফট-হ্যান্ড ব্যাটার থাকা জরুরি। যদি এমন কিছু আমাদের জানানো হতো, খুব ভালো হতো।’

লিটন মনে করেন, সব খেলোয়াড়ের কাছ থেকে প্রতিটি সিরিজে পারফরম্যান্স আশা করা ঠিক নয়। ‘শামীম এক সময় কয়েকটি সিরিজে এক্সট্রা অর্ডিনারি ক্রিকেট খেলেছে। সেখান থেকে বাদ পড়া তার জন্য হতাশাজনক।’

অধিনায়ক হিসেবে নিজের সীমাবদ্ধতাও স্বীকার করেছেন লিটন, ‘আমি শুধু সরি বলতে পারি। আমি চাই খেলোয়াড়রা সব ম্যাচে পারফর্ম করবে, কিন্তু দু-তিনটা সিরিজে পারফর্ম না করলে সমর্থন দেওয়া উচিত। আমি সত্যিই সরি যে শামীমকে সমর্থন দিতে পারিনি।’

বোর্ড বা নির্বাচকদের সঙ্গে যোগাযোগ বা দূরত্ব নিয়ে প্রশ্নে লিটন স্পষ্ট, ‘নির্বাচক প্যানেল ও বোর্ড আমাকে পুরোপুরি বলে দিয়েছেন, আমাকে যেই দল দেওয়া হবে সেই দল নিয়ে কাজ করতে হবে। আমার এখানে কোনো কথার স্থান নেই।’

পুরোনো ধারণা ও বর্তমান বাস্তবতার ফারাকও তুলে ধরেছেন তিনি, ‘আগে ধারণা ছিল অধিনায়ক দল গোছানোর পরিকল্পনা রাখে। কিন্তু এখন আমার কাজ হলো দেওয়া দল নিয়ে মাঠে ভালো কিছু দেখানো।’

বিশ্বকাপেও একই ঘটনা ঘটলে কী করবেন-এমন প্রশ্নে লিটন বলেন, ‘আমাকে যে দলটা দেওয়া হবে, সেই দল নিয়ে একাদশ খেলানোর চেষ্টা করব।’

অধিনায়ক হিসেবে ভবিষ্যৎ কি হবে-এমন প্রশ্নে লিটন কেবল বলেন, ‘ওটা পরে দেখা যাবে।’

আগামীকাল চট্টগ্রামে টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ আয়ারল্যান্ডের মুখোমুখি হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

জলাবদ্ধতা দূর করে নগরজীবন স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করছি: ডিএসসিসি প্রশাসক

নির্বাচককে নিয়ে লিটনের বিস্ফোরক মন্তব্য

আপডেট টাইম : ০৪:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫

আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরুর আগে সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়ক লিটন দাসের বক্তব্য আলোচিত হয়ে উঠেছে। সাধারণত অধিনায়করা এত সরাসরি বোর্ডের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন না, কিন্তু লিটনের কথাগুলো এবার ব্যতিক্রম।

সবকিছুর শুরু হয় শামীম হোসেনের বাদ পড়া নিয়েই। শামীমের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স তেমন উজ্জ্বল ছিল না। শেষ তিনটি টি-টোয়েন্টিতে যথাক্রমে ০, ১, ১ রান।

তবে তার সিরিজ থেকে বাদ পড়া নিয়ে অধিনায়কের দৃষ্টিভঙ্গি জানতে চাওয়া হলে লিটন বলেন, ‘দেখুন, (শামীম) থাকলে অবশ্যই ভালো হতো। এটা আমার কল না, পুরোপুরি নির্বাচকদের কল। আমি জানি না কেন, নির্বাচকরা আমাকে কোনো নোটিশ ছাড়াই শামীমকে বাদ দিয়েছেন। উইদাউট অ্যানি নোটিশ।’

এতে থেমে যাননি লিটন। তিনি প্রশ্ন তোলেন দলের নির্বাচনের প্রক্রিয়া নিয়েও, ‘আমি এত দিন জানতাম যে অধিনায়ক হিসেবে অন্তত জানি কোন খেলোয়াড় ঢুকবে, কোন খেলোয়াড় আউট হবে।’

শামীমের জায়গায় দলে এসেছেন মাহিদুল ইসলাম। মিডল অর্ডারে তার সঙ্গে আছেন ডানহাতি ব্যাটসম্যান সাইফ হাসান, তাওহিদ হৃদয়, জাকের আলী ও নুরুল হাসান। এমন এক দলে ব্যাটিং ব্যালেন্স না থাকায় লিটনের প্রশ্ন, ‘গুড পয়েন্ট! আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে রাইট-হ্যান্ড ও লেফট-হ্যান্ড ব্যাটার থাকা জরুরি। যদি এমন কিছু আমাদের জানানো হতো, খুব ভালো হতো।’

লিটন মনে করেন, সব খেলোয়াড়ের কাছ থেকে প্রতিটি সিরিজে পারফরম্যান্স আশা করা ঠিক নয়। ‘শামীম এক সময় কয়েকটি সিরিজে এক্সট্রা অর্ডিনারি ক্রিকেট খেলেছে। সেখান থেকে বাদ পড়া তার জন্য হতাশাজনক।’

অধিনায়ক হিসেবে নিজের সীমাবদ্ধতাও স্বীকার করেছেন লিটন, ‘আমি শুধু সরি বলতে পারি। আমি চাই খেলোয়াড়রা সব ম্যাচে পারফর্ম করবে, কিন্তু দু-তিনটা সিরিজে পারফর্ম না করলে সমর্থন দেওয়া উচিত। আমি সত্যিই সরি যে শামীমকে সমর্থন দিতে পারিনি।’

বোর্ড বা নির্বাচকদের সঙ্গে যোগাযোগ বা দূরত্ব নিয়ে প্রশ্নে লিটন স্পষ্ট, ‘নির্বাচক প্যানেল ও বোর্ড আমাকে পুরোপুরি বলে দিয়েছেন, আমাকে যেই দল দেওয়া হবে সেই দল নিয়ে কাজ করতে হবে। আমার এখানে কোনো কথার স্থান নেই।’

পুরোনো ধারণা ও বর্তমান বাস্তবতার ফারাকও তুলে ধরেছেন তিনি, ‘আগে ধারণা ছিল অধিনায়ক দল গোছানোর পরিকল্পনা রাখে। কিন্তু এখন আমার কাজ হলো দেওয়া দল নিয়ে মাঠে ভালো কিছু দেখানো।’

বিশ্বকাপেও একই ঘটনা ঘটলে কী করবেন-এমন প্রশ্নে লিটন বলেন, ‘আমাকে যে দলটা দেওয়া হবে, সেই দল নিয়ে একাদশ খেলানোর চেষ্টা করব।’

অধিনায়ক হিসেবে ভবিষ্যৎ কি হবে-এমন প্রশ্নে লিটন কেবল বলেন, ‘ওটা পরে দেখা যাবে।’

আগামীকাল চট্টগ্রামে টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ আয়ারল্যান্ডের মুখোমুখি হবে।