ঢাকা , সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জলাবদ্ধতা দূর করে নগরজীবন স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করছি: ডিএসসিসি প্রশাসক ২০০৯ সালের পর ঢাকায় একদিনে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড ফাঁস হলো স্যামসাং জেড ফোল্ড ৮ আল্ট্রার দাম ও ফিচার হতাশা থেকে মুক্তি দিতে পারে কোরআনের এই ১০ আয়াত চট্টগ্রামের দুর্গতদের পাশে যুবদল সভাপতি মুন্না বর্তমান রিজার্ভ প্রায় ৩৬.০৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার : অর্থমন্ত্রী সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা, পরীমণির বাঁধভাঙ্গা উল্লাস জলাবদ্ধতাকবলিত মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সমন্বয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নিতে ইরানের হিট লিস্টে ১৩ বিশ্বনেতা দুই মাস পর ঘুরে দাঁড়ালো সঞ্চয়পত্র বিক্রি

প্রেসিডেন্ট সুলতান মাহমুদ চৌধুরী মারা গেছেন

পাকিস্তানের আজাদ জম্মু ও কাশ্মীরের (এজেকে) প্রেসিডেন্ট ব্যারিস্টার সুলতান মাহমুদ চৌধুরী মারা গেছেন। দীর্ঘদিন ধরে ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই শেষে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার (৩১ জানুয়ারি) তিনি ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। খবর দ্য ডন ও আরব নিউজ।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছে এজেকে প্রেসিডেন্ট কার্যালয়। এক বিবৃতিতে জানানো হয়, রোববার বিকেল ৪টায় মীরপুর ক্রিকেট স্টেডিয়ামে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে আজাদ কাশ্মীরের রাজনীতি ও কাশ্মীর ইস্যুতে দৃঢ় অবস্থানের জন্য পরিচিত ছিলেন ব্যারিস্টার সুলতান মাহমুদ। তার মৃত্যুতে শুধু আজাদ কাশ্মীর নয়, পাকিস্তানের রাজনীতিতেও নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

২০২১ সালে তিনি এজেকে প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেন। এর আগে তিনি একাধিকবার আজাদ কাশ্মীরের প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতার দায়িত্ব পালন করেন।

এদিকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, সুলতান মাহমুদ চৌধুরী আজাদ কাশ্মীরের জনগণের সেবায় সারাজীবন কাজ করেছেন এবং কাশ্মীর ইস্যুতে তিনি ছিলেন একজন দূরদর্শী নেতা।

১৯৫৫ সালের ৯ আগস্ট মীরপুরের চিচিয়ান গ্রামে জন্ম নেওয়া সুলতান মাহমুদ চৌধুরী রাওয়ালপিন্ডিতে পড়াশোনা শেষে যুক্তরাজ্যে গিয়ে আইন বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৮৩ সালে দেশে ফিরে তিনি সক্রিয় রাজনীতিতে যুক্ত হন।

দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি নয়বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। মুসলিম কনফারেন্স, পাকিস্তান পিপলস পার্টির এজেকে শাখা ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের এজেকে শাখার নেতৃত্বও দেন তিনি।

এজেকে প্রেসিডেন্ট কার্যালয় জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কাশ্মীর ইস্যু তুলে ধরতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। লন্ডন, নিউইয়র্ক, ব্রাসেলস ও বার্লিনসহ বিভিন্ন শহরে তিনি বিক্ষোভ ও কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন। তিনি একমাত্র এজেকে নেতা যিনি ভারত-শাসিত কাশ্মীর সফরের অনুমতি পেয়েছিলেন এবং শ্রীনগরের লালচকে জনসভায় বক্তব্য দেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

জলাবদ্ধতা দূর করে নগরজীবন স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করছি: ডিএসসিসি প্রশাসক

প্রেসিডেন্ট সুলতান মাহমুদ চৌধুরী মারা গেছেন

আপডেট টাইম : ০৫:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পাকিস্তানের আজাদ জম্মু ও কাশ্মীরের (এজেকে) প্রেসিডেন্ট ব্যারিস্টার সুলতান মাহমুদ চৌধুরী মারা গেছেন। দীর্ঘদিন ধরে ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই শেষে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার (৩১ জানুয়ারি) তিনি ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। খবর দ্য ডন ও আরব নিউজ।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছে এজেকে প্রেসিডেন্ট কার্যালয়। এক বিবৃতিতে জানানো হয়, রোববার বিকেল ৪টায় মীরপুর ক্রিকেট স্টেডিয়ামে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে আজাদ কাশ্মীরের রাজনীতি ও কাশ্মীর ইস্যুতে দৃঢ় অবস্থানের জন্য পরিচিত ছিলেন ব্যারিস্টার সুলতান মাহমুদ। তার মৃত্যুতে শুধু আজাদ কাশ্মীর নয়, পাকিস্তানের রাজনীতিতেও নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

২০২১ সালে তিনি এজেকে প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেন। এর আগে তিনি একাধিকবার আজাদ কাশ্মীরের প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতার দায়িত্ব পালন করেন।

এদিকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, সুলতান মাহমুদ চৌধুরী আজাদ কাশ্মীরের জনগণের সেবায় সারাজীবন কাজ করেছেন এবং কাশ্মীর ইস্যুতে তিনি ছিলেন একজন দূরদর্শী নেতা।

১৯৫৫ সালের ৯ আগস্ট মীরপুরের চিচিয়ান গ্রামে জন্ম নেওয়া সুলতান মাহমুদ চৌধুরী রাওয়ালপিন্ডিতে পড়াশোনা শেষে যুক্তরাজ্যে গিয়ে আইন বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৮৩ সালে দেশে ফিরে তিনি সক্রিয় রাজনীতিতে যুক্ত হন।

দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি নয়বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। মুসলিম কনফারেন্স, পাকিস্তান পিপলস পার্টির এজেকে শাখা ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের এজেকে শাখার নেতৃত্বও দেন তিনি।

এজেকে প্রেসিডেন্ট কার্যালয় জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কাশ্মীর ইস্যু তুলে ধরতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। লন্ডন, নিউইয়র্ক, ব্রাসেলস ও বার্লিনসহ বিভিন্ন শহরে তিনি বিক্ষোভ ও কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন। তিনি একমাত্র এজেকে নেতা যিনি ভারত-শাসিত কাশ্মীর সফরের অনুমতি পেয়েছিলেন এবং শ্রীনগরের লালচকে জনসভায় বক্তব্য দেন।