ঢাকা , সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জলাবদ্ধতা দূর করে নগরজীবন স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করছি: ডিএসসিসি প্রশাসক ২০০৯ সালের পর ঢাকায় একদিনে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড ফাঁস হলো স্যামসাং জেড ফোল্ড ৮ আল্ট্রার দাম ও ফিচার হতাশা থেকে মুক্তি দিতে পারে কোরআনের এই ১০ আয়াত চট্টগ্রামের দুর্গতদের পাশে যুবদল সভাপতি মুন্না বর্তমান রিজার্ভ প্রায় ৩৬.০৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার : অর্থমন্ত্রী সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা, পরীমণির বাঁধভাঙ্গা উল্লাস জলাবদ্ধতাকবলিত মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সমন্বয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নিতে ইরানের হিট লিস্টে ১৩ বিশ্বনেতা দুই মাস পর ঘুরে দাঁড়ালো সঞ্চয়পত্র বিক্রি

রাজধানীর হাটগুলোতে পর্যাপ্ত গরু, ক্রেতা কম

রাজধানীর বিভিন্ন পশুর হাটগুলোতে পর্যাপ্ত গরু থাকলেও ক্রেতাদের উপস্থিতি তুলনামূলক কম, যার ফলে এখনো পুরোপুরি জমে ওঠেনি বেচাকেনা। হাটগুলোতে পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে, তবে বিক্রেতারা অতিরিক্ত দাম হাঁকাচ্ছেন। অন্যদিকে, ক্রেতাদের অভিযোগ গুরু তুলতায় অতি অতিরিক্ত দাম চেয়েছে ব্যাপারীরা। অনেকে গরুর দাম যাচাই-বাছাই করছেন এবং বাজারদরের সঙ্গে মিলিয়ে দেখছেন। ব্যাপারীরা গরু পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন।

হাটে বরাবরের মতো এবারও ছোট ও মাঝারি আকারের গরুর চাহিদা বেশি। বিশেষ করে ৪ থেকে ৬ মণ গোশত পাওয়া যায় এমন গরুর প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ বেশি। এসব গরুর ক্ষেত্রে গোশতের দাম গড়ে ৩৫ হাজার টাকা মণ পড়ছে বলে জানা গেছে।

বিক্রেতারা জানান, কোরবানির জন্য তিন মণ গোশত পাওয়া যায় এমন গরুর দাম হাঁকা হচ্ছে প্রায় ১ লাখ ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত। আর চার মণ গোশত মিলবে এমন গরুর দাম ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত উঠছে। ঢাকায় গরু রাখার জায়গা সংকটের কারণে সাধারণত ঈদের দুদিন আগে কেনাবেচা বেশি জমে।

গাবতলী গরুর মোহাম্মদপুর থেকে এসেছেন তাহমিদ ইরতিজা নামে এক যুবক। তিনি জানান, প্রতি বছরের মতো এবারও কোরবানির জন্য নির্দিষ্ট বাজেট নিয়ে এসেছেন এবং সেই বাজেট অনুযায়ী গরুর দাম যাচাই করছেন। ব্যাপারীরা বর্তমানে দাম অনেক বেশি হাঁকছেন। বিকেল থেকে সোমবার সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত তিনি গরু কিনতে পারি নি। বলছেন আজকে না পারলে কালকে কিনবো।

মনিকগঞ্জ থেকে আসা এক ব্যাপারী বলেন, গাবতলী হাটে দেশি ষাঁড় গরু এনেছি। হাটে ক্রেতা একেবারেই কম। প্রথমে দেশে আনার সময় গরুগুলোর শরীরে শুধু হাড় ছিল। এরপর ধানের কুড়া, খেসারি, ভুট্টা, ধান ও ভুসিমিশ্রিত দানাদার খাবার খাইয়ে সেগুলো ধীরে ধীরে মোটাতাজা করা হয়। এখন এসব গরু দেশীয় পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিয়েছে।

এদিকে, রাজধানীর গাবতলী, পোস্তগোলা, শাজাহানপুর, ধোলইখাল, কমলাপুর, মাতুয়াইল পশুর হাটে প্রতিদিনই আসছে কোরবানির পশু। ক্রেতারা আসছেন, পশুর গায়ে হাত বুলিয়ে দেখছেন, দরদাম করছেন এবং পছন্দের পশু ক্রয়ও করছেন, তবে কম।

মানিকগঞ্জ থেকে তেজগাঁও রাস্তার পাশে হাটে গরু নিয়ে এসেছেন কলেক ব্যাপারি। এদের মধ্যে মানিক নেমে একজন বলেন, ক্রেতারা এসে গরু দেখছেন, গায়ে হাত বুলাচ্ছেন, দরদাম করছেন। তবে কিনছেন এমন লোকের সংখ্যা কম। আমরা আশা করছি দু-একদিনের মধ্যে বেচাকেনা আরো জমে উঠবে। পুরোপুরি হাট জমতে কিছুটা সময় লাগবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

জলাবদ্ধতা দূর করে নগরজীবন স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করছি: ডিএসসিসি প্রশাসক

রাজধানীর হাটগুলোতে পর্যাপ্ত গরু, ক্রেতা কম

আপডেট টাইম : ০৬:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

রাজধানীর বিভিন্ন পশুর হাটগুলোতে পর্যাপ্ত গরু থাকলেও ক্রেতাদের উপস্থিতি তুলনামূলক কম, যার ফলে এখনো পুরোপুরি জমে ওঠেনি বেচাকেনা। হাটগুলোতে পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে, তবে বিক্রেতারা অতিরিক্ত দাম হাঁকাচ্ছেন। অন্যদিকে, ক্রেতাদের অভিযোগ গুরু তুলতায় অতি অতিরিক্ত দাম চেয়েছে ব্যাপারীরা। অনেকে গরুর দাম যাচাই-বাছাই করছেন এবং বাজারদরের সঙ্গে মিলিয়ে দেখছেন। ব্যাপারীরা গরু পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন।

হাটে বরাবরের মতো এবারও ছোট ও মাঝারি আকারের গরুর চাহিদা বেশি। বিশেষ করে ৪ থেকে ৬ মণ গোশত পাওয়া যায় এমন গরুর প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ বেশি। এসব গরুর ক্ষেত্রে গোশতের দাম গড়ে ৩৫ হাজার টাকা মণ পড়ছে বলে জানা গেছে।

বিক্রেতারা জানান, কোরবানির জন্য তিন মণ গোশত পাওয়া যায় এমন গরুর দাম হাঁকা হচ্ছে প্রায় ১ লাখ ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত। আর চার মণ গোশত মিলবে এমন গরুর দাম ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত উঠছে। ঢাকায় গরু রাখার জায়গা সংকটের কারণে সাধারণত ঈদের দুদিন আগে কেনাবেচা বেশি জমে।

গাবতলী গরুর মোহাম্মদপুর থেকে এসেছেন তাহমিদ ইরতিজা নামে এক যুবক। তিনি জানান, প্রতি বছরের মতো এবারও কোরবানির জন্য নির্দিষ্ট বাজেট নিয়ে এসেছেন এবং সেই বাজেট অনুযায়ী গরুর দাম যাচাই করছেন। ব্যাপারীরা বর্তমানে দাম অনেক বেশি হাঁকছেন। বিকেল থেকে সোমবার সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত তিনি গরু কিনতে পারি নি। বলছেন আজকে না পারলে কালকে কিনবো।

মনিকগঞ্জ থেকে আসা এক ব্যাপারী বলেন, গাবতলী হাটে দেশি ষাঁড় গরু এনেছি। হাটে ক্রেতা একেবারেই কম। প্রথমে দেশে আনার সময় গরুগুলোর শরীরে শুধু হাড় ছিল। এরপর ধানের কুড়া, খেসারি, ভুট্টা, ধান ও ভুসিমিশ্রিত দানাদার খাবার খাইয়ে সেগুলো ধীরে ধীরে মোটাতাজা করা হয়। এখন এসব গরু দেশীয় পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিয়েছে।

এদিকে, রাজধানীর গাবতলী, পোস্তগোলা, শাজাহানপুর, ধোলইখাল, কমলাপুর, মাতুয়াইল পশুর হাটে প্রতিদিনই আসছে কোরবানির পশু। ক্রেতারা আসছেন, পশুর গায়ে হাত বুলিয়ে দেখছেন, দরদাম করছেন এবং পছন্দের পশু ক্রয়ও করছেন, তবে কম।

মানিকগঞ্জ থেকে তেজগাঁও রাস্তার পাশে হাটে গরু নিয়ে এসেছেন কলেক ব্যাপারি। এদের মধ্যে মানিক নেমে একজন বলেন, ক্রেতারা এসে গরু দেখছেন, গায়ে হাত বুলাচ্ছেন, দরদাম করছেন। তবে কিনছেন এমন লোকের সংখ্যা কম। আমরা আশা করছি দু-একদিনের মধ্যে বেচাকেনা আরো জমে উঠবে। পুরোপুরি হাট জমতে কিছুটা সময় লাগবে।