ঢাকা , মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সবজি চাষের টাকায় কলেজছাত্র শামীমের স্বপ্নের গোলাপ বাগান

কলেজের ক্লাস শেষ হলেই ছুটতেন মাঠে। অন্যের জমি বর্গা নিয়ে করতেন সবজি চাষ। আর সেই সবজি বিক্রির টাকাই হয়ে ওঠে স্বপ্নপূরণের পুঁজি। এরপর পরিশ্রম, মেধা আর অদম্য ইচ্ছাশক্তিতে দৃষ্টিনন্দন এক গোলাপ বাগান গড়ে তুলেছেন কলেজছাত্র মো. শামীম মিয়া। তার এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ মুগ্ধ করছে ময়মনসিংহের জনমানুষকে।

ময়মনসিংহ সদর উপজেলার দড়ি কুষ্টিয়া গ্রামের কৃষক পরিবারের ছেলে শামীম মিয়া মুক্তাগাছা শহীদ স্মৃতি কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী। ২০২৫ সালে বাড়ির পাশের ১০০ শতক জমি ১০ বছরের জন্য ইজারা নিয়ে এর ৫০ শতকে গড়ে তোলেন ডাচ ও দেশীয় গোলাপের বাগান। হোয়াইট অ্যাভাল্যান্স, টপ সিক্রেট, সোলারিয়া, জুমেলিয়াসহ নানা জাতের প্রায় পাঁচ হাজার গোলাপ গাছে এই রঙিন বাগান। যশোর ও ভারত থেকে আনা চারায় ফুটেছে লাল, সাদা, হলুদ, কমলা আর গোলাপি রঙের বাহারি ফুল।

শামীমের বাগানটি এখন স্থানীয়দের অন্যতম আকর্ষণ। মুক্তাগাছাসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতিদিনই মানুষ ছুটে আসছেন গোলাপের সৌন্দর্য দেখতে।

শামীমের এই বাগান দেখে অনেক তরুণ উদ্যোক্তা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করছেন পরামর্শ নিতে। শামীমসহ নতুন উদ্যেক্তাদের সব রকমের সহযোগিতা দেওয়া হবে বলে জানান উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা।

সবজি চাষের লাভের টাকায় গড়ে তোলা বাগানে ফুটেছে হাজারো গোলাপ। আর সেই গোলাপেই  এক তরুণের স্বপ্ন। সংশ্লিষ্টদের আশা, শামীমের এই সফলতা আরও অনেক তরুণকে কৃষিভিত্তিক উদ্যোক্তা হতে অনুপ্রাণিত করবে। আর ময়মনসিংহেও তৈরি হবে বাণিজ্যিক ফুলচাষের নতুন সম্ভাবনা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

সবজি চাষের টাকায় কলেজছাত্র শামীমের স্বপ্নের গোলাপ বাগান

আপডেট টাইম : ০৫:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

কলেজের ক্লাস শেষ হলেই ছুটতেন মাঠে। অন্যের জমি বর্গা নিয়ে করতেন সবজি চাষ। আর সেই সবজি বিক্রির টাকাই হয়ে ওঠে স্বপ্নপূরণের পুঁজি। এরপর পরিশ্রম, মেধা আর অদম্য ইচ্ছাশক্তিতে দৃষ্টিনন্দন এক গোলাপ বাগান গড়ে তুলেছেন কলেজছাত্র মো. শামীম মিয়া। তার এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ মুগ্ধ করছে ময়মনসিংহের জনমানুষকে।

ময়মনসিংহ সদর উপজেলার দড়ি কুষ্টিয়া গ্রামের কৃষক পরিবারের ছেলে শামীম মিয়া মুক্তাগাছা শহীদ স্মৃতি কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী। ২০২৫ সালে বাড়ির পাশের ১০০ শতক জমি ১০ বছরের জন্য ইজারা নিয়ে এর ৫০ শতকে গড়ে তোলেন ডাচ ও দেশীয় গোলাপের বাগান। হোয়াইট অ্যাভাল্যান্স, টপ সিক্রেট, সোলারিয়া, জুমেলিয়াসহ নানা জাতের প্রায় পাঁচ হাজার গোলাপ গাছে এই রঙিন বাগান। যশোর ও ভারত থেকে আনা চারায় ফুটেছে লাল, সাদা, হলুদ, কমলা আর গোলাপি রঙের বাহারি ফুল।

শামীমের বাগানটি এখন স্থানীয়দের অন্যতম আকর্ষণ। মুক্তাগাছাসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে প্রতিদিনই মানুষ ছুটে আসছেন গোলাপের সৌন্দর্য দেখতে।

শামীমের এই বাগান দেখে অনেক তরুণ উদ্যোক্তা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করছেন পরামর্শ নিতে। শামীমসহ নতুন উদ্যেক্তাদের সব রকমের সহযোগিতা দেওয়া হবে বলে জানান উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা।

সবজি চাষের লাভের টাকায় গড়ে তোলা বাগানে ফুটেছে হাজারো গোলাপ। আর সেই গোলাপেই  এক তরুণের স্বপ্ন। সংশ্লিষ্টদের আশা, শামীমের এই সফলতা আরও অনেক তরুণকে কৃষিভিত্তিক উদ্যোক্তা হতে অনুপ্রাণিত করবে। আর ময়মনসিংহেও তৈরি হবে বাণিজ্যিক ফুলচাষের নতুন সম্ভাবনা।