,



হাওরের পরিস্থিতি তুলে ধরার ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের ভূমিকা ছিল অসাধারণ

বাঙালী কণ্ঠ ডেস্কঃ কেয়ার বাংলাদেশ এর নিউট্রিশন এট দি সেন্টার: হোমগ্রোণ প্রকল্পের আয়োজনে জেলা পর্যায়ের ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়া কর্মীদের সাথে ‘দুর্যোগকালীন বিকল্প কৃষি ও জীবিকায়ন’ শীর্ষক একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার বিকালে জেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হবে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষি মো: জাহেদুল হকের সভাপতিত্বে ও কেয়ার বাংলাদেশ
প্রকল্পের নলেজ ম্যানেজমেন্ট এন্ড এডভোকেসি টেকনিক্যাল ম্যানেজার এম হাফিজুল ইসলামের সঞ্চালনায় কর্মশালায় অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা: মো: বেলাল হোসেন, প্রকল্পের সিনিয়র টেকনিক্যাল ম্যানেজার নাজনীন রহমান, ব্র্যাকের জেলা প্রতিনিধি মো. মনিরুজ্জামান। সাংবাদিকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, অ্যাড. আইনুল ইসলাম বাবুল, অ্যাড. আজিজুল ইসলাম চৌধুরী, হিমাদ্রি শেখর ভদ্র মিটু, ইমরানুল হক চৌধুরী, দেওয়ান গিয়াস চৌধুরী প্রমুখ।
প্রকল্পের কর্মকান্ড এবং ‘দুর্যোগকালীন বিকল্প কৃষি ও জীবিকায়ন’ এর উপর একটি উপস্থাপনা তুলে ধরেন প্রকল্পের লাইভলী হুড টেকনিক্যাল ম্যানেজার গৌরাঙ্গ সাহা। কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন, প্রকল্পের টেকনিক্যাল ম্যানেজার ফিল্ড অপারেশন আল আমীন, জেসিস-এর জেলা কর্মকর্তা গোলাম হোসেন ও এমএন্ডই ম্যানেজার এম হাসানউজ্জামান।
কর্মশালায় কেয়ার বাংলাদেশ এর নিউট্রিশন এট দি সেন্টার: হোমগ্রোণ প্রকল্পের কর্মকর্তাগণ বলেন,‘হাওরে আগাম বন্যা এবং সাম্প্রতিক পরিস্থিতি তুলে ধরার ক্ষেত্রে সুনামগঞ্জের সাংবাদিকদের ভূমিকা ছিল অসাধারণ। হাওরের ফসলহানি নিয়ে সংবাদ প্রকাশের ভুমিকায় সুনামগঞ্জের সাংবাদিকরা ধন্যবাদ পাওয়া যোগ্য। সুনামগঞ্জের সাংবাদিকদের লেখালেখির কারণে সংশ্লিষ্ট এবং মন্ত্রীগণ হাওর এলাকা পরিদর্শন করেন। প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতি হাওর এলাকা পরিদর্শন করেন। সরকারের বিভিন্ন অধিদপ্তরের তাৎক্ষণিক ও দীর্ঘকালীন প্যাকেজ ঘোষণা এবং তা বাস্তবায়নের প্রচেষ্টা চলছে। ব্র্যাক, কেয়ার বাংলাদেশসহ অন্যান্য এনজিওদের তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। স্থানীয় সরকার, সংগঠন পর্যায়ে ব্যক্তিগত ত্রাণ তৎপরতা দেখা গেছে। কর্মশালায় হাওরের পরিস্থিতি নিয়ে ফলোআপ সংবাদ প্রকাশ ও প্রচারের জন্য অনুরোধ করা হয়।
প্রকল্পের মাধ্যমে নারীর অর্থনৈতিক উন্নয়ন ক্ষমতায়ন ও বসতবাড়িতে সমন্বিত খাদ্য উৎপাদনের ফলে বৈচিত্রপূর্ণ খাদ্য গ্রহণ বৃদ্ধির মাধ্যমে শিশু ও সন্তানধারণক্ষম মহিলাদের রক্তসল্পতা ও ২ বছরের নিচে শিশুদের খর্বাকৃতি হ্রাস করা।

Print Friendly, PDF & Email

এই ক্যাটাগরীর আরো খবর