ঢাকা , রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চট্টগ্রামে পানিবন্দি মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই দেশে বিপুল কর্মক্ষম জনসংখ্যা রয়েছে, যা বিশ্বের কোথাও নেই : শিক্ষামন্ত্রী সুভাষচন্দ্র বসু বিমানবন্দর থেকে সরানো হচ্ছে ১৩৬ বছরের পুরোনো মসজিদ গণভোট বাস্তবায়নে সরকারকে বাধ্য করব: জামায়াত আমির ঢাকা মেডিকেল দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ চিকিৎসা শিক্ষা কেন্দ্র হবে : ডা. জুবাইদা রহমান অপতথ্যের বড় লক্ষ্যবস্তু বিএনপি-তারেক রহমান ‘২ লাখ ৪২ হাজার বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাচ্ছে মালয়েশিয়া’— দাবিটি বিভ্রান্তিকর এক ঘণ্টায় হাজারো রুটি, কেরানীগঞ্জ কারাগারে অত্যাধুনিক মেশিনের চমক এআই নিয়ে গবেষণার পরিবেশ সৃষ্টিতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে: আইসিটি মন্ত্রী চার বছর পর মুখ খুললেন পরীমণি, জানালেন বেআইনিভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল

কানাডার পরিবর্তে নান্দনিক ভুটান থেকে ঘুরে আসুন

বাঙালী কণ্ঠ ডেস্কঃ আমি কিছুদিন আগে ভুটান সম্পর্কে লিখেছিলাম। সব দিক দিয়ে আমাদের দেশের পাশের একটি চমৎকার দেশ। তা সত্ত্বেও খুব একটা আলোচনা হয় না দেশটি সম্পর্কে। অনেকে ইউরোপ বা আমেরিকায় যেতে পাগল অথচ রয়েছে বাড়ির পাশে কী সুন্দর একটি দেশ। জানি না কতজন সেখানে যেতে পাগল। সময় এবং সামর্থ্য থাকলে ঘুরে আসুন ভুটান। দেখবেন ভালো লাগবে।

বর্তমানে বাংলাদেশের অনেকেই কানাডায় যেতে পাগল। কারণ সেখানে ইংরেজি ভাষার প্রচলন। কেউ পড়াশোনা, কেউ চাকরি, কেউ আবার দেশের অর্থ পাচার করে সেখানে বেগম পাড়া তৈরি করে বসবাস করছে। শুনেছি দেশের টাকা পাচার করতে যারা সাহায্য করেন তাদের মধ্যে দূতাবাসও জড়িত।

যদি তথ্যটি সত্য হয় তবে কেন এর প্রতিবাদ হয় না? দূতাবাসের সাহায্যে দেশের অর্থ পাচার করে বিদেশে অনেকেই প্রতিষ্ঠিত। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের সব দূতাবাসের কাজ কী এবং কী দায়িত্ব তাদের পালন করার কথা, আর কী করছে তারা সে বিষয় তদন্ত করতে কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করে গত কয়েকদিন আগে লিখেছি। দেখা যাক কর্তৃপক্ষ কী করেন।

দেশকে সোনার বাংলা করতে হলে সবাইকে কাজ করতে হবে যার যার জায়গা থেকে। আসছে স্বাধীনতার মাস, পঞ্চাশ বছরের পূর্ণরূপ ধারণ করবে বাংলাদেশ স্বাধীন দেশ হিসেবে, ভাবতেই গা শিউরে উঠছে। শুধু গা শিউরে উঠলেই হবে না।

দেশকে, দেশের মানুষকে বিশ্বের বুকে সম্মানের সঙ্গে তুলে ধরতে হবে। অতীতের সমস্ত গ্লানির বিসর্জন দিতে হবে আর উৎসর্গ করতে হবে আমাদের নিবেদিত প্রাণ দেশের সর্বাঙ্গীণ উন্নয়নে।

আসুন এবার কানাডা সম্পর্কে একটু জানি। দেশটি আমেরিকার পাশে অবস্থিত, স্বাভাবিকভাবেই তারা সব সময় আমেরিকার মতো এমনকি তাদের চেয়ে উন্নতমানের মন-মানসিকতার সাথে একটি আউটস্ট্যান্ডিং দেশ হিসেবে পরিচিত হতে চায়। কানাডা গত কয়েক বছর ধরে চমৎকার পারফরমেন্স করে চলেছে। গণতন্ত্রের বেস্ট প্রাকটিস এবং জনগণের মৌলিক অধিকারের প্রতি যথেষ্ট রেসপেক্ট দেখাতে পেরেছে।

কানাডা প্রায় দশ বছর ধরে শিক্ষা প্রশিক্ষণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। তারা শিক্ষা প্রশিক্ষণের শুরুতেই খেলাধুলোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছে বেশি। যাতে করে দেশের জনগণকে হাসপাতাল এবং ডাক্তারের সংস্পর্শে খুব বেশি আসা না লাগে। খেলাধুলোকে শিক্ষা প্রশিক্ষণের অন্যান্য বিষয়ের মত গুরুত্ব দেবার কারণে দেখা যাচ্ছে কানাডা বিশ্বের প্রথম স্থানটি দখল করতে চলেছে বিভিন্ন স্পোর্টসে।

গত দশ বছর আগে শিক্ষা-প্রশিক্ষণের এই ভিন্নধর্মী পরিবর্তনের কারণে আজকের কানাডার নতুন প্রজন্ম বিশ্বের উদীয়মান তারকাদের শীর্ষে। ভুটান এবং কানাডাকে বেঞ্চ মার্কিং হিসেবে ব্যবহৃত করা যেতে পারে বাংলাদেশের শিক্ষা প্রশিক্ষণের পরিবর্তনে, যা নিঃসন্দেহে হতে পারে শিক্ষার দিকনির্দেশনার জন্য একটি চমৎকার উপায়।

অন্যদিকে একটি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে সেটা হলো আমরা বসবাস করছি ভারতের পাশে। পাশের দেশ হিসেবে সম্পর্কটি সরকারিভাবে ভালো হলেও জনগণের মতামতটি ভিন্ন। যার ফলে সারাক্ষণ কিছু না কিছু আলোচনা হয়।

ভালোর চেয়ে খারাপ খবরের প্রচলন হয় বেশি। খারাপ খবরগুলো সহজে ছড়ানো যায়। আবার ডকুমেন্ট বা সঠিক তথ্য ছাড়া খবর প্রচার করা বেশ সহজ। যার ফলে সর্বত্রই যে বিষয়গুলো লক্ষ্যণীয় তা হলো গুজব। তারপর দেশের খবরের টপ লিস্টে কী কী জিনিস সর্বাধিক পাঠকের নজর কাড়ে দেখেছেন কি কখনও ভেবে?

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

চট্টগ্রামে পানিবন্দি মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই

কানাডার পরিবর্তে নান্দনিক ভুটান থেকে ঘুরে আসুন

আপডেট টাইম : ১০:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ জানুয়ারী ২০২১

বাঙালী কণ্ঠ ডেস্কঃ আমি কিছুদিন আগে ভুটান সম্পর্কে লিখেছিলাম। সব দিক দিয়ে আমাদের দেশের পাশের একটি চমৎকার দেশ। তা সত্ত্বেও খুব একটা আলোচনা হয় না দেশটি সম্পর্কে। অনেকে ইউরোপ বা আমেরিকায় যেতে পাগল অথচ রয়েছে বাড়ির পাশে কী সুন্দর একটি দেশ। জানি না কতজন সেখানে যেতে পাগল। সময় এবং সামর্থ্য থাকলে ঘুরে আসুন ভুটান। দেখবেন ভালো লাগবে।

বর্তমানে বাংলাদেশের অনেকেই কানাডায় যেতে পাগল। কারণ সেখানে ইংরেজি ভাষার প্রচলন। কেউ পড়াশোনা, কেউ চাকরি, কেউ আবার দেশের অর্থ পাচার করে সেখানে বেগম পাড়া তৈরি করে বসবাস করছে। শুনেছি দেশের টাকা পাচার করতে যারা সাহায্য করেন তাদের মধ্যে দূতাবাসও জড়িত।

যদি তথ্যটি সত্য হয় তবে কেন এর প্রতিবাদ হয় না? দূতাবাসের সাহায্যে দেশের অর্থ পাচার করে বিদেশে অনেকেই প্রতিষ্ঠিত। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের সব দূতাবাসের কাজ কী এবং কী দায়িত্ব তাদের পালন করার কথা, আর কী করছে তারা সে বিষয় তদন্ত করতে কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করে গত কয়েকদিন আগে লিখেছি। দেখা যাক কর্তৃপক্ষ কী করেন।

দেশকে সোনার বাংলা করতে হলে সবাইকে কাজ করতে হবে যার যার জায়গা থেকে। আসছে স্বাধীনতার মাস, পঞ্চাশ বছরের পূর্ণরূপ ধারণ করবে বাংলাদেশ স্বাধীন দেশ হিসেবে, ভাবতেই গা শিউরে উঠছে। শুধু গা শিউরে উঠলেই হবে না।

দেশকে, দেশের মানুষকে বিশ্বের বুকে সম্মানের সঙ্গে তুলে ধরতে হবে। অতীতের সমস্ত গ্লানির বিসর্জন দিতে হবে আর উৎসর্গ করতে হবে আমাদের নিবেদিত প্রাণ দেশের সর্বাঙ্গীণ উন্নয়নে।

আসুন এবার কানাডা সম্পর্কে একটু জানি। দেশটি আমেরিকার পাশে অবস্থিত, স্বাভাবিকভাবেই তারা সব সময় আমেরিকার মতো এমনকি তাদের চেয়ে উন্নতমানের মন-মানসিকতার সাথে একটি আউটস্ট্যান্ডিং দেশ হিসেবে পরিচিত হতে চায়। কানাডা গত কয়েক বছর ধরে চমৎকার পারফরমেন্স করে চলেছে। গণতন্ত্রের বেস্ট প্রাকটিস এবং জনগণের মৌলিক অধিকারের প্রতি যথেষ্ট রেসপেক্ট দেখাতে পেরেছে।

কানাডা প্রায় দশ বছর ধরে শিক্ষা প্রশিক্ষণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে। তারা শিক্ষা প্রশিক্ষণের শুরুতেই খেলাধুলোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছে বেশি। যাতে করে দেশের জনগণকে হাসপাতাল এবং ডাক্তারের সংস্পর্শে খুব বেশি আসা না লাগে। খেলাধুলোকে শিক্ষা প্রশিক্ষণের অন্যান্য বিষয়ের মত গুরুত্ব দেবার কারণে দেখা যাচ্ছে কানাডা বিশ্বের প্রথম স্থানটি দখল করতে চলেছে বিভিন্ন স্পোর্টসে।

গত দশ বছর আগে শিক্ষা-প্রশিক্ষণের এই ভিন্নধর্মী পরিবর্তনের কারণে আজকের কানাডার নতুন প্রজন্ম বিশ্বের উদীয়মান তারকাদের শীর্ষে। ভুটান এবং কানাডাকে বেঞ্চ মার্কিং হিসেবে ব্যবহৃত করা যেতে পারে বাংলাদেশের শিক্ষা প্রশিক্ষণের পরিবর্তনে, যা নিঃসন্দেহে হতে পারে শিক্ষার দিকনির্দেশনার জন্য একটি চমৎকার উপায়।

অন্যদিকে একটি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে সেটা হলো আমরা বসবাস করছি ভারতের পাশে। পাশের দেশ হিসেবে সম্পর্কটি সরকারিভাবে ভালো হলেও জনগণের মতামতটি ভিন্ন। যার ফলে সারাক্ষণ কিছু না কিছু আলোচনা হয়।

ভালোর চেয়ে খারাপ খবরের প্রচলন হয় বেশি। খারাপ খবরগুলো সহজে ছড়ানো যায়। আবার ডকুমেন্ট বা সঠিক তথ্য ছাড়া খবর প্রচার করা বেশ সহজ। যার ফলে সর্বত্রই যে বিষয়গুলো লক্ষ্যণীয় তা হলো গুজব। তারপর দেশের খবরের টপ লিস্টে কী কী জিনিস সর্বাধিক পাঠকের নজর কাড়ে দেখেছেন কি কখনও ভেবে?