ঢাকা , শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ধর্ম-বর্ণ-সম্প্রদায় নির্বিশেষে সবার কল্যাণে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী এয়ারবাসের ১০ উড়োজাহাজ কিনতে চুক্তি সই পোশাক শ্রমিকদের মজুরি বোর্ড গঠনের নীতিগত সিদ্ধান্ত সরকারের ১৭ হাজার মুসল্লির ধারণক্ষমতাসম্পন্ন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ ৭৮ দেশের সঙ্গে বৈঠক, হজ ব্যবস্থাপনায় বড় পরিকল্পনা সৌদির বিদ্যুৎ ও জ্বালানিতে ৩.৩ বিলিয়ন ডলার বৈদেশিক ঋণ নিচ্ছে সরকার গুগলের বিরুদ্ধে যুক্তরাজ্যে ১.৩৩ বিলিয়ন ডলারের মামলা এমপি নজরুলের জামিন হলে সমাজে বিরূপ প্রতিক্রিয়া হতে পারে, বললেন বিচারক মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে তরুণ প্রজন্মের প্রতি আহ্বান রাষ্ট্রপতির শ্রমবান্ধব সরকারের অগ্রাধিকার শ্রমিক অধিকার ও ব্যাপক কর্মসংস্থান: মাহ্দী আমিন

পুরুষতান্ত্রিক যৌন সন্ত্রাস

ধর্ষণ, যৌন নির্যাতনের একটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্য আছে। মেয়েদের এখন কর্মক্ষেত্রের সর্বত্র দেখা যায়। তারা সমাজের সকল উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রাখছে। কোথাও কোথাও পুরুষকেও ছাড়িয়ে গেছে। অপরদিকে প্রচলিত পুরুষতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গিতে পুরুষকে ভাবতে শিখিয়েছে তুমিই শ্রেষ্ঠ। নারী পুরুষের কাছে শুধুই ভোগের বস্তু। সেই নারীকে যখন দেখে ঊর্ধ্বতন পদে, নেতৃত্বে, তখন নারীকে দমনের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে যৌনসন্ত্রাস।

Kalo haatনারীর জীবনকে নিয়ন্ত্রণ করে পুরুষের আধিপত্য প্রতিষ্ঠার জন্যই পুরুষতন্ত্রের আবির্ভাব হয়েছে। যৌন নিপীড়ন, ধর্ষণ ইত্যাদি নানাভাবে পুরুষতন্ত্র নারীর স্বাধীনতা নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।

পুরুষ নারীর উপর যে অবদমন চালায় তাকে বৈধতা দিতে দায়ী করে নারীর পোষাককে। এই ধারণা থেকেও স্পষ্ট পুরুষ নারী শরীরকে শুধু যৌনবস্তু হিসেবে বিবেচনা করছে। গোটা সমাজটাই পুরুষতন্ত্রকে আত্মস্থ করে নারীর জন্য তৈরি করছে নানা বিধি নিষেধ। ইভটিজিং, ধর্ষণ তথা যৌন সন্ত্রাসের মাধ্যমে পুরুষ তার আধিপত্যকেই সুসংহত করে।পুরুষের যৌন নির্যাতনের মধ্যে দিয়ে শক্তি প্রদর্শনের বিষয়টিই প্রধান হয়ে উঠে।

নারীর স্বাভাবিক চলাফেরা নিয়ন্ত্রণে যখন তেঁতুলতত্ব, মিষ্টি তত্বকে প্রতিষ্ঠিত করা হয় এবং তা পুরুষের স্বাভাবিক প্রবণতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়, তখন বুঝতে হবে এখানে শুধু সেই কারণটিই নয়, এর পেছনে বড় কোন কারণ আছে। নিরাপত্তাহীনতার জন্য মেয়েরা বোরকা হিজাব পরছে। তারা পুরুষকে চ্যালেঞ্জ করছে না, বরং পরোক্ষভাবে জানিয়ে দিচ্ছে পুরুষের কাছে স্বাভাবিক চলাফেরার স্বাধীনতাটুকু ভিক্ষা চাচ্ছে। অধিকার ছেড়ে দিয়ে মান রক্ষার ব্যস্ততা।

বৈষম্যহীন পৃথিবীর জন্য চাই নারীমুক্তি। পুরুষতান্ত্রিক রাজনীতিকে অগ্রাহ্য করেই অর্জন করতে হবে এই নারীমুক্তি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

ধর্ম-বর্ণ-সম্প্রদায় নির্বিশেষে সবার কল্যাণে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

পুরুষতান্ত্রিক যৌন সন্ত্রাস

আপডেট টাইম : ০৬:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মে ২০১৬

ধর্ষণ, যৌন নির্যাতনের একটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্য আছে। মেয়েদের এখন কর্মক্ষেত্রের সর্বত্র দেখা যায়। তারা সমাজের সকল উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে ভূমিকা রাখছে। কোথাও কোথাও পুরুষকেও ছাড়িয়ে গেছে। অপরদিকে প্রচলিত পুরুষতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গিতে পুরুষকে ভাবতে শিখিয়েছে তুমিই শ্রেষ্ঠ। নারী পুরুষের কাছে শুধুই ভোগের বস্তু। সেই নারীকে যখন দেখে ঊর্ধ্বতন পদে, নেতৃত্বে, তখন নারীকে দমনের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে যৌনসন্ত্রাস।

Kalo haatনারীর জীবনকে নিয়ন্ত্রণ করে পুরুষের আধিপত্য প্রতিষ্ঠার জন্যই পুরুষতন্ত্রের আবির্ভাব হয়েছে। যৌন নিপীড়ন, ধর্ষণ ইত্যাদি নানাভাবে পুরুষতন্ত্র নারীর স্বাধীনতা নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।

পুরুষ নারীর উপর যে অবদমন চালায় তাকে বৈধতা দিতে দায়ী করে নারীর পোষাককে। এই ধারণা থেকেও স্পষ্ট পুরুষ নারী শরীরকে শুধু যৌনবস্তু হিসেবে বিবেচনা করছে। গোটা সমাজটাই পুরুষতন্ত্রকে আত্মস্থ করে নারীর জন্য তৈরি করছে নানা বিধি নিষেধ। ইভটিজিং, ধর্ষণ তথা যৌন সন্ত্রাসের মাধ্যমে পুরুষ তার আধিপত্যকেই সুসংহত করে।পুরুষের যৌন নির্যাতনের মধ্যে দিয়ে শক্তি প্রদর্শনের বিষয়টিই প্রধান হয়ে উঠে।

নারীর স্বাভাবিক চলাফেরা নিয়ন্ত্রণে যখন তেঁতুলতত্ব, মিষ্টি তত্বকে প্রতিষ্ঠিত করা হয় এবং তা পুরুষের স্বাভাবিক প্রবণতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়, তখন বুঝতে হবে এখানে শুধু সেই কারণটিই নয়, এর পেছনে বড় কোন কারণ আছে। নিরাপত্তাহীনতার জন্য মেয়েরা বোরকা হিজাব পরছে। তারা পুরুষকে চ্যালেঞ্জ করছে না, বরং পরোক্ষভাবে জানিয়ে দিচ্ছে পুরুষের কাছে স্বাভাবিক চলাফেরার স্বাধীনতাটুকু ভিক্ষা চাচ্ছে। অধিকার ছেড়ে দিয়ে মান রক্ষার ব্যস্ততা।

বৈষম্যহীন পৃথিবীর জন্য চাই নারীমুক্তি। পুরুষতান্ত্রিক রাজনীতিকে অগ্রাহ্য করেই অর্জন করতে হবে এই নারীমুক্তি।