কলা শুধুমাত্র শারীরিক স্বাস্থ্যের উন্নতিতেই সাহায্য করে না, বরং চাপ কমাতে এবং মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যকে ভালো রাখতেও সহায়তা করে। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় কলা যোগ করলে বদলে যেতে পারে আপনার ফিটনেস গেম। জেনে নিন প্রতিদিনের ডায়েটে কলা রাখলে কোন কোন উপকার মিলবে।
১। ভিটামিন বি৬ সমৃদ্ধ
কলা ভিটামিন বি৬ এর একটি ভালো উৎস, যা মস্তিষ্কের বিকাশ এবং কার্যকারিতায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি সেরোটোনিন এবং নোরপাইনফ্রাইনের মতো নিউরোট্রান্সমিটারের সংশ্লেষণে জড়িত, যা মেজাজ নিয়ন্ত্রণ করে এবং ভালো ঘুম নিশ্চিত করে।
২। ফাইবার
কলায় রয়েছে প্রিবায়োটিক ফাইবার। এই ধরনের ফাইবার উপকারী অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়ার জন্য খাদ্য হিসেবে কাজ করে ও স্বাস্থ্যকর অন্ত্রের মাইক্রোবায়োম বজায় রাখে। সুষম অন্ত্রের মাইক্রোবায়োম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং মানসিক সুস্থতার সঙ্গে সম্পর্কিত।
৩। প্রাকৃতিক অ্যান্টাসিড
কলাতে প্রাকৃতিক অ্যান্টাসিড বৈশিষ্ট্য রয়েছে। তাই প্রতিদিন এই ফল খেলে হজমের স্বাস্থ্যের উন্নতি হয় এবং অ্যাসিড রিফ্লাক্স কমে। এর ফাইবার সামগ্রী পাঁচনতন্ত্র নিয়ন্ত্রণে ও কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে সহায়তা করতে পারে।
৪। হার্টের স্বাস্থ্য
কলাতে থাকা পটাশিয়াম রক্তচাপের স্বাভাবিক মাত্রা বজায় রাখার জন্য সুপরিচিত। কলাতে স্টেরল যৌগ রয়েছে যা কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করতে পারে। ফলে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে।
৫। পেশী গঠনে সহায়তা করে
কলা একটি সুবিধাজনক এবং বহনযোগ্য স্ন্যাক যা পেশীর ক্র্যাম্প প্রতিরোধে সাহায্য করে। ফলটি শক্তি এবং পটাশিয়ামের জন্য কার্বোহাইড্রেটের একটি ভালো ভারসাম্য প্রদান করে। ব্যায়ামণ্ডপরবর্তী স্ন্যাকসের জন্য একটি সহজ বিকল্প হতে পারে কলা।
৬। চোখের স্বাস্থ্য
কলায় ভিটামিন এ থাকে, যা সুস্থ চোখ বজায় রাখতে এবং দৃষ্টিশক্তিকে ভালো রাখতে প্রয়োজনীয় একটি পুষ্টি উপাদান।
৭। প্রাকৃতিক স্ট্রেস রিলিভার
কলায় ডোপামিন রয়েছে, যা মস্তিষ্কে ডোপামিন উৎপাদনে অবদান রাখতে পারে। ডোপামিন হলো একটি নিউরোট্রান্সমিটার যা আনন্দের অনুভূতি এনে দেয় আমাদের এবং এটি চাপ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
৮। ত্বকের স্বাস্থ্য
কলায় ভিটামিন সি এর পরিমাণ সাইট্রাস ফলের মতো বেশি নয়, তবে এটি সামগ্রিক ত্বকের স্বাস্থ্যে অবদান রাখে। ভিটামিন সি কোলাজেন সংশ্লেষণের জন্য অপরিহার্য এবং বার্ধক্যজনিত প্রভাবের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে।
সংবাদ শিরোনাম :
মালয়েশিয়ায় বেসরকারি খাতে ৬৮ হাজারের বেশি প্রতিবন্ধী চাকরিপ্রার্থী নিয়োগ
ভিসা নীতিমালার খসড়া পরিমার্জন ও চূড়ান্তকরণে মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন
রাঙামাটির সব প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ বৃহস্পতিবার
রোহিঙ্গাদের ফেরাতে আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ানোর তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর
বিনা খরচে কর্মী পাঠানোর ঘোষণা, বাস্তবায়নে কতটা আশার আলো
চাকরিজীবীদের জন্য দুই দফায় মিলবে যে ছুটি
প্রধানমন্ত্রীকে ঢাকার বাইরে রাত না কাটানোর পরামর্শ অলির
সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নে ৩ বাহিনীর জন্য বড় পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, বৃহত্তর বগুড়াতে মনুষ্যবিহীন আকাশযান (ড্রোন) কারখানা স্থাপনের কার্যক্রম গ্রহণ করেছে সরকার। উন্নত ও শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, অত্যাধুনিক নজরদারী প্রযুক্তি সংযোজনের মাধ্যমে সামারিক বাহিনীর উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনায় ‘ফাস্ট ট্র্যাক’ প্রক্রিয়ায় কাজ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। বুধবার (৮ জুলাই) জাতীয় সংসদে এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন এমপির প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সংসদে সভাপতিত্ব করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেনাবাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে আগামী ১০ বছরে ৮৬ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন। পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে সেনাবাহিনী আরও প্রযুক্তিনির্ভর, বহুমাত্রিক, আত্মনির্ভর ও যুদ্ধোপযোগী বাহিনীতে পরিণত হবে। জাতীয় প্রতিরক্ষা, সীমান্ত সুরক্ষা এবং সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা পালন করবে। নৌবাহিনীর জন্য আধুনিক ফ্রিগেট, করভেট, অফশোর প্যাট্রোল ভেসেল শ্রেণির যুদ্ধজাহাজ এবং সাবমেরিন সংযোজন করা হবে। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সামরিক শিল্পাঞ্চল (ডিআইজি) স্থাপনের পরিকল্পনা সরকারের বিবেচনাধীন রয়েছে। জাতীয় প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি, বৈদেশিক নির্ভরতা হ্রাস এবং দীর্ঘমেয়াদী প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্পের বিকাশ, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন এবং গবেষণা কার্যক্রম সম্প্রসারণের বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। অধিকতর উন্নত সামরিক প্রযুক্তি, ড্রোন প্রযুক্তি, সেন্সর ব্যবস্থা, ইলেকট্রনিক্স এবং প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম উৎপাদনে সক্ষমতা বৃদ্ধির পরিকল্পনা গ্রহণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে জানিয়ে তারেক রহমান বলেছেন, বন্ধুপ্রতীম দেশগুলোর সঙ্গে প্রযুক্তি হস্তান্তর মাধ্যমে প্রতিরক্ষা শিল্পের উন্নয়নের কার্যক্রমও চলছে। নেত্রকোনা-৫ আসনের জামায়াতে ইসলামীন সংসদ সদস্য (এমপি) মাছুম মোস্তফার প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সার্বভৌমত্ব, ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা এবং জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিতে সেনাবাহিনীর সক্ষমতা উন্নয়ন ও আধুনিকায়ন অগ্রাধিকার পাচ্ছে। তিন বছর এবং সাত বছর মেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে সেনাবাহিনীর সামগ্রিক যুদ্ধ সক্ষমতা বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে।
কৃষি থেকে শিল্পে রুপান্তর বাংলাদেশের অর্থনৈতিক বিবর্তন
এআই অভিনেত্রীকে নিয়ে সিনেমা নির্মাণের ঘোষণা
প্রতিদিন কলা খাওয়ার উপকারিতা
-
বাঙ্গালী কণ্ঠ ডেস্ক - আপডেট টাইম : ০৬:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
- 185
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ
সর্বশেষ সংবাদ



























