ঢাকা , বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব নিলেন খলিলুর রহমান ডেঙ্গু প্রতিরোধে ঘরবাড়ি-শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিষ্কার রাখতে হবে : প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলে টাকা নেওয়ার অভিযোগ, এনসিপি নেত্রী আটক বাঁধনের ওপর হামলা নিয়ে সংসদে যা বললেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ৫ মাসে রেকর্ড পরিমাণ বিদেশি ঋণ পরিশোধ করল সরকার বাঁধনের ওপর হামলা, ইতালির আইনে শাস্তি কী শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানাতে অপেক্ষা করছে জুলাই যোদ্ধারা: হুইপ দুলু ব্রিকস সম্মেলনে তারেক রহমানের অংশগ্রহণ নিয়ে নতুন কোনো তথ্য নেই: রণধীর জয়সওয়াল বিটিসিএল অফিসে চোর সন্দেহে যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ খুন ও ডাকাতির মামলা ২৩ বছর আগের সাজায় অশীতিপর বৃদ্ধ কারাগারে

চিকুনগুনিয়ায় এন্টিবায়োটিক দেওয়া যাবে কি

বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ  চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত রোগীকে এন্টিবায়োটিক দিলে রোগীর অবস্থা খারাপ হবে এমন ভুল বোঝাবুঝি অনেকের মধ্যে আছে। যেহেতু এই রোগ ভাইরাসজনিত, তাই এন্টিবায়োটিকের প্রয়োজন নেই। তবে অন্য কোনো রোগ যেমন টাইফয়েড, প্রস্রাবের বা বুকের ইনফেকশন বা সংক্রামক ব্যাধিতে আক্রান্ত হলে প্রয়োজনে চিকিৎসক এন্টিবায়োটিক দিতে পারবেন। এতে চিকুনগুনিয়ায় কোনো জটিলতা হবে না।
গর্ভাবস্থায় চিকুনগুনিয়া হলে অন্যান্য উপসর্গ ছাড়াও মুখে ঘা, পাতলা পায়খানা, রক্ত জমে যাওয়া ও রক্তচাপ কমার আশঙ্কা থাকে। এছাড়া রক্তক্ষরণ, অতিরিক্ত বমি, খিঁচুনিসহ অন্যান্য জটিলতা দেখা দিতে পারে। গর্ভের শিশুর ক্ষতি এমনকি গর্ভপাতও হতে পারে। বুকের দুধের মাধ্যমে চিকুনগুনিয়া ছড়ায় না। তাই আক্রান্ত মায়ের শিশুকে বুকের দুধ দিতে কোনো বাধা নেই।
জ্বর সেরে গেলে শরীরে চিকুনগুনিয়ার ভাইরাস সাধারণত এক সপ্তাহ পর্যন্ত রক্তে বিদ্যমান থাকে। এই সময় এডিস মশা রোগীকে কামড় দিলে সেই মশার মাধ্যমে অন্যরাও আক্রান্ত হতে পারে। সংক্রমিত মশা থেকে অন্যদের মধ্যে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে। ৫-৭ দিন পরে রক্তে ভাইরাসের বিরুদ্ধে এন্টিবডি তৈরি হয়। এর পরে শরীরে আর ভাইরাস থাকে না। (চলবে)
লেখক: ডিন, মেডিসিন অনুষদ, অধ্যাপক, মেডিসিন বিভাগ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়।
Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব নিলেন খলিলুর রহমান

চিকুনগুনিয়ায় এন্টিবায়োটিক দেওয়া যাবে কি

আপডেট টাইম : ০১:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুলাই ২০১৭
বাঙালী কণ্ঠ নিউজঃ  চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত রোগীকে এন্টিবায়োটিক দিলে রোগীর অবস্থা খারাপ হবে এমন ভুল বোঝাবুঝি অনেকের মধ্যে আছে। যেহেতু এই রোগ ভাইরাসজনিত, তাই এন্টিবায়োটিকের প্রয়োজন নেই। তবে অন্য কোনো রোগ যেমন টাইফয়েড, প্রস্রাবের বা বুকের ইনফেকশন বা সংক্রামক ব্যাধিতে আক্রান্ত হলে প্রয়োজনে চিকিৎসক এন্টিবায়োটিক দিতে পারবেন। এতে চিকুনগুনিয়ায় কোনো জটিলতা হবে না।
গর্ভাবস্থায় চিকুনগুনিয়া হলে অন্যান্য উপসর্গ ছাড়াও মুখে ঘা, পাতলা পায়খানা, রক্ত জমে যাওয়া ও রক্তচাপ কমার আশঙ্কা থাকে। এছাড়া রক্তক্ষরণ, অতিরিক্ত বমি, খিঁচুনিসহ অন্যান্য জটিলতা দেখা দিতে পারে। গর্ভের শিশুর ক্ষতি এমনকি গর্ভপাতও হতে পারে। বুকের দুধের মাধ্যমে চিকুনগুনিয়া ছড়ায় না। তাই আক্রান্ত মায়ের শিশুকে বুকের দুধ দিতে কোনো বাধা নেই।
জ্বর সেরে গেলে শরীরে চিকুনগুনিয়ার ভাইরাস সাধারণত এক সপ্তাহ পর্যন্ত রক্তে বিদ্যমান থাকে। এই সময় এডিস মশা রোগীকে কামড় দিলে সেই মশার মাধ্যমে অন্যরাও আক্রান্ত হতে পারে। সংক্রমিত মশা থেকে অন্যদের মধ্যে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে। ৫-৭ দিন পরে রক্তে ভাইরাসের বিরুদ্ধে এন্টিবডি তৈরি হয়। এর পরে শরীরে আর ভাইরাস থাকে না। (চলবে)
লেখক: ডিন, মেডিসিন অনুষদ, অধ্যাপক, মেডিসিন বিভাগ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়।