ঢাকা , রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চট্টগ্রামে পানিবন্দি মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই দেশে বিপুল কর্মক্ষম জনসংখ্যা রয়েছে, যা বিশ্বের কোথাও নেই : শিক্ষামন্ত্রী সুভাষচন্দ্র বসু বিমানবন্দর থেকে সরানো হচ্ছে ১৩৬ বছরের পুরোনো মসজিদ গণভোট বাস্তবায়নে সরকারকে বাধ্য করব: জামায়াত আমির ঢাকা মেডিকেল দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ চিকিৎসা শিক্ষা কেন্দ্র হবে : ডা. জুবাইদা রহমান অপতথ্যের বড় লক্ষ্যবস্তু বিএনপি-তারেক রহমান ‘২ লাখ ৪২ হাজার বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাচ্ছে মালয়েশিয়া’— দাবিটি বিভ্রান্তিকর এক ঘণ্টায় হাজারো রুটি, কেরানীগঞ্জ কারাগারে অত্যাধুনিক মেশিনের চমক এআই নিয়ে গবেষণার পরিবেশ সৃষ্টিতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে: আইসিটি মন্ত্রী চার বছর পর মুখ খুললেন পরীমণি, জানালেন বেআইনিভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল

ফেসবুক ও গুগল অ্যাকাউন্ট দিয়ে অন্য ওয়েবসাইটে লগইন কতটা নিরাপদ

ফেসবুক বা গুগল অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে বিভিন্ন ওয়েবসাইট বা অ্যাপে সরাসরি লগইন করা যায়। ফলে সেই ওয়েবসাইট বা অ্যাপে প্রবেশের জন্য আলাদা করে অ্যাকাউন্ট ও পাসওয়ার্ড লিখতে হয় না। আলাদা করে ই-মেইল বা পাসওয়ার্ড লেখার ঝামেলা এড়াতে অনেকেই নিজেদের ফেসবুক ও গুগল অ্যাকাউন্ট দিয়ে অন্য সাইটে লগইন করে থাকেন। সিঙ্গেল সাইন ইন বা এসএসও নামের এ পদ্ধতি জনপ্রিয়তা পেলেও তা নিরাপদ কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে অনেকের মনে।

সাধারণত এসএসও পদ্ধতিতে গুগল ও ফেসবুক অ্যাকাউন্টের তথ্য বেশি ব্যবহৃত হয়। এ পদ্ধতিতে অনলাইন অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করার পর সেটি ফেসবুক বা গুগলের মতো প্রাথমিক অ্যাকাউন্ট থেকে ব্যবহারকারীর নাম, ই–মেইল ঠিকানা, ছবিসহ বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে। তবে কখনো কখনো ব্যবহারকারীর ফোন নম্বর, জন্মদিন, বয়স, আগ্রহের বিষয়সহ অবস্থানের তথ্যও সংগ্রহ করে। ফলে এসএসও পদ্ধতিতে লগইন করলে অন্য সাইটগুলো কোন কোন তথ্য সংগ্রহ করছে, তা ব্যবহারকারী জানতে পারেন না। শুধু তা–ই নয়, ফেসবুক ও গুগল অ্যাকাউন্ট থেকে সংগ্রহ করা তথ্য কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন বিজ্ঞাপনও দেখিয়ে থাকে ওয়েবসাইট ও অ্যাপগুলো।

ব্যক্তিগত তথ্য বিক্রি ও সাইবার হামলার আশঙ্কা

এসএসও পদ্ধতি ব্যবহার করলে ব্যবহারকারীদের ফেসবুক ও গুগল অ্যাকাউন্টের ব্যক্তিগত তথ্য গোপনে সংগ্রহ করে বিক্রি করে দিতে পারে বিভিন্ন ওয়েবসাইট বা অ্যাপ। এসব তথ্য কাজে লাগিয়ে সাইবার হামলাও চালানো যায়। ফলে নিরাপত্তাঝুঁকি তৈরি হয়। শুধু তা–ই নয়, এসব তথ্য কাজে লাগিয়ে সাইবার অপরাধীরা যদি কোনো একটি ওয়েবসাইটের অ্যাকাউন্টের দখল নিতে পারে তবে খুব সহজেই ব্যবহারকারীদের অন্য অ্যাকাউন্টগুলোও হ্যাক করা যায়। ফলে এসএসও পদ্ধতি ব্যবহার করে কোনো অনলাইন সেবার অ্যাকাউন্ট চালু করা সহজ হলেও এতে ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা লঙ্ঘনের পাশাপাশি সাইবার নিরাপত্তাঝুঁকি রয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

চট্টগ্রামে পানিবন্দি মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই

ফেসবুক ও গুগল অ্যাকাউন্ট দিয়ে অন্য ওয়েবসাইটে লগইন কতটা নিরাপদ

আপডেট টাইম : ০১:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ অক্টোবর ২০২৪

ফেসবুক বা গুগল অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে বিভিন্ন ওয়েবসাইট বা অ্যাপে সরাসরি লগইন করা যায়। ফলে সেই ওয়েবসাইট বা অ্যাপে প্রবেশের জন্য আলাদা করে অ্যাকাউন্ট ও পাসওয়ার্ড লিখতে হয় না। আলাদা করে ই-মেইল বা পাসওয়ার্ড লেখার ঝামেলা এড়াতে অনেকেই নিজেদের ফেসবুক ও গুগল অ্যাকাউন্ট দিয়ে অন্য সাইটে লগইন করে থাকেন। সিঙ্গেল সাইন ইন বা এসএসও নামের এ পদ্ধতি জনপ্রিয়তা পেলেও তা নিরাপদ কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে অনেকের মনে।

সাধারণত এসএসও পদ্ধতিতে গুগল ও ফেসবুক অ্যাকাউন্টের তথ্য বেশি ব্যবহৃত হয়। এ পদ্ধতিতে অনলাইন অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করার পর সেটি ফেসবুক বা গুগলের মতো প্রাথমিক অ্যাকাউন্ট থেকে ব্যবহারকারীর নাম, ই–মেইল ঠিকানা, ছবিসহ বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে। তবে কখনো কখনো ব্যবহারকারীর ফোন নম্বর, জন্মদিন, বয়স, আগ্রহের বিষয়সহ অবস্থানের তথ্যও সংগ্রহ করে। ফলে এসএসও পদ্ধতিতে লগইন করলে অন্য সাইটগুলো কোন কোন তথ্য সংগ্রহ করছে, তা ব্যবহারকারী জানতে পারেন না। শুধু তা–ই নয়, ফেসবুক ও গুগল অ্যাকাউন্ট থেকে সংগ্রহ করা তথ্য কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন বিজ্ঞাপনও দেখিয়ে থাকে ওয়েবসাইট ও অ্যাপগুলো।

ব্যক্তিগত তথ্য বিক্রি ও সাইবার হামলার আশঙ্কা

এসএসও পদ্ধতি ব্যবহার করলে ব্যবহারকারীদের ফেসবুক ও গুগল অ্যাকাউন্টের ব্যক্তিগত তথ্য গোপনে সংগ্রহ করে বিক্রি করে দিতে পারে বিভিন্ন ওয়েবসাইট বা অ্যাপ। এসব তথ্য কাজে লাগিয়ে সাইবার হামলাও চালানো যায়। ফলে নিরাপত্তাঝুঁকি তৈরি হয়। শুধু তা–ই নয়, এসব তথ্য কাজে লাগিয়ে সাইবার অপরাধীরা যদি কোনো একটি ওয়েবসাইটের অ্যাকাউন্টের দখল নিতে পারে তবে খুব সহজেই ব্যবহারকারীদের অন্য অ্যাকাউন্টগুলোও হ্যাক করা যায়। ফলে এসএসও পদ্ধতি ব্যবহার করে কোনো অনলাইন সেবার অ্যাকাউন্ট চালু করা সহজ হলেও এতে ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা লঙ্ঘনের পাশাপাশি সাইবার নিরাপত্তাঝুঁকি রয়েছে।