ঢাকা , রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা ‘ওই মিয়া চুপ করেন, একেবারে খেয়ে ফেলবো’ বিএনপিকর্মীকে এমপি হানজালা

‘ব্রি ধান-৬৪’ চাষের আহবান কৃষি বিশেষজ্ঞদের

মানব দেহের চাহিদা পূরণ এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে জিঙ্ক সমৃদ্ধ ‘ব্রি ধান ৬৪’ চাষের জন্য কৃষকদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন কৃষি বিশেষজ্ঞরা। সম্প্রতি রাজধানীর খামারবাড়ি এলাকায় কৃষকদের জন্য আয়োজিত দিনব্যাপি প্রশিক্ষণে তারা এ কথা বলেন।

এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে ২৫ জন কৃষক অংশগ্রহন করেন। প্রশিক্ষণকালে জানানো হয়, প্রতি কিলোগ্রাম ‘ব্রি ধান ৬৪’ তে ১৯ মিলিগ্রাম জিঙ্ক ও নয় শতাংশ আমিষ রয়েছে। অন্যদিকে, অধিক ফলনশীল ও স্বল্প সময়ে চাষযোগ্য এই ধান রোপণের একশ’ দিন পরেই ফসল তোলা যায় এবং প্রতি হেক্টর জমিতে সাড়ে চার থেকে ছয় টন ধান উৎপাদন সম্ভব।

‘রিসোর্স পারসন’ হিসেবে এ প্রশিক্ষণ পরিচালনা করেন কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপপরিচালক মীর আবদুর রাজ্জাক, প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম, সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাদিকুল ইসলাম। -বাসস

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

‘ব্রি ধান-৬৪’ চাষের আহবান কৃষি বিশেষজ্ঞদের

আপডেট টাইম : ০৬:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মে ২০১৬

মানব দেহের চাহিদা পূরণ এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে জিঙ্ক সমৃদ্ধ ‘ব্রি ধান ৬৪’ চাষের জন্য কৃষকদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন কৃষি বিশেষজ্ঞরা। সম্প্রতি রাজধানীর খামারবাড়ি এলাকায় কৃষকদের জন্য আয়োজিত দিনব্যাপি প্রশিক্ষণে তারা এ কথা বলেন।

এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে ২৫ জন কৃষক অংশগ্রহন করেন। প্রশিক্ষণকালে জানানো হয়, প্রতি কিলোগ্রাম ‘ব্রি ধান ৬৪’ তে ১৯ মিলিগ্রাম জিঙ্ক ও নয় শতাংশ আমিষ রয়েছে। অন্যদিকে, অধিক ফলনশীল ও স্বল্প সময়ে চাষযোগ্য এই ধান রোপণের একশ’ দিন পরেই ফসল তোলা যায় এবং প্রতি হেক্টর জমিতে সাড়ে চার থেকে ছয় টন ধান উৎপাদন সম্ভব।

‘রিসোর্স পারসন’ হিসেবে এ প্রশিক্ষণ পরিচালনা করেন কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপপরিচালক মীর আবদুর রাজ্জাক, প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম, সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাদিকুল ইসলাম। -বাসস