ঢাকা , রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চট্টগ্রামে পানিবন্দি মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই দেশে বিপুল কর্মক্ষম জনসংখ্যা রয়েছে, যা বিশ্বের কোথাও নেই : শিক্ষামন্ত্রী সুভাষচন্দ্র বসু বিমানবন্দর থেকে সরানো হচ্ছে ১৩৬ বছরের পুরোনো মসজিদ গণভোট বাস্তবায়নে সরকারকে বাধ্য করব: জামায়াত আমির ঢাকা মেডিকেল দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শ্রেষ্ঠ চিকিৎসা শিক্ষা কেন্দ্র হবে : ডা. জুবাইদা রহমান অপতথ্যের বড় লক্ষ্যবস্তু বিএনপি-তারেক রহমান ‘২ লাখ ৪২ হাজার বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠাচ্ছে মালয়েশিয়া’— দাবিটি বিভ্রান্তিকর এক ঘণ্টায় হাজারো রুটি, কেরানীগঞ্জ কারাগারে অত্যাধুনিক মেশিনের চমক এআই নিয়ে গবেষণার পরিবেশ সৃষ্টিতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে: আইসিটি মন্ত্রী চার বছর পর মুখ খুললেন পরীমণি, জানালেন বেআইনিভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল

প্রাথমিকের সুপারিশপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকদের প্রতিনিধিদল সচিবালয়ে

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশ পাওয়ার পর নিয়োগ বাতিল হওয়ার প্রতিবাদে আন্দোলন করে যাচ্ছেন বঞ্চিতরা। আজ মঙ্গলবারও তারা রাজধানীর শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নেন। পরে দুপুর ২টা ২০ মিনিটের দিকে তাদের ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল সচিবালয়ে গেছেন। সচিবালয়ে তারা স্মারকলিপি জমা দেবেন বলে জানা গেছে।

প্রতিনিধিদলে রয়েছেন পিয়াশ তালুকদার, নওরিন আক্তার, জান্নাতুল নাইম, মালা বোস, শামীমা আক্তার, রাশেদ শাহরিয়ার।

আন্দোলনকারীরা জানান, স্মারকলিপিতে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৩-এর তৃতীয় ধাপের ৬ হাজার ৫৩১ জন সুপারিশপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকদের অতিদ্রুত নিয়োগ পুনর্বহাল করার দাবি জানানো হয়েছে।

প্রতিনিধিদল সচিবালয়ে গেলেও এখনও জাতীয় জাদুঘরের সামনে অবস্থান করছেন অন্যান্য আন্দোলনকারীরা। এসময় তাদের ‘আপস না সংগ্রাম, সংগ্রাম সংগ্রাম’, ‘থাকার কথা বিদ্যালয়ে, আমরা কেন রাজপথে’, ‘প্রথম ধাপ চাকরি করে, আসরা কেন রাজপথে’, ‘এক নিয়োগে দুই নীতি, মানি না মানব না’, ‘একদফা এক দাবি, চাকরি নিয়ে ফিরব বাড়ি’, ‘আবু সাঈদের বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই’, ‘যোগদান নিয়ে তালবাহানা, চলবে না চলবে না’সহ বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে দেখা যায়।

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে তৃতীয় ধাপে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে চূড়ান্ত ফলে উত্তীর্ণ ৬ হাজার ৫৩১ জনের নিয়োগ বাতিল করেছেন হাইকোর্ট। মেধার ভিত্তিতে পুনরায় নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বিচারপতি ফাতেমা নজীব ও বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজীর হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

এরও আগে, গত বছরের ১৯ নভেম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে তৃতীয় ধাপে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে চূড়ান্ত ফলে উত্তীর্ণ ৬ হাজার ৫৩১ জনের নিয়োগের কার্যক্রম ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেন হাইকোর্ট।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামে পানিবন্দি মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই

প্রাথমিকের সুপারিশপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকদের প্রতিনিধিদল সচিবালয়ে

আপডেট টাইম : ১২:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে সুপারিশ পাওয়ার পর নিয়োগ বাতিল হওয়ার প্রতিবাদে আন্দোলন করে যাচ্ছেন বঞ্চিতরা। আজ মঙ্গলবারও তারা রাজধানীর শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নেন। পরে দুপুর ২টা ২০ মিনিটের দিকে তাদের ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল সচিবালয়ে গেছেন। সচিবালয়ে তারা স্মারকলিপি জমা দেবেন বলে জানা গেছে।

প্রতিনিধিদলে রয়েছেন পিয়াশ তালুকদার, নওরিন আক্তার, জান্নাতুল নাইম, মালা বোস, শামীমা আক্তার, রাশেদ শাহরিয়ার।

আন্দোলনকারীরা জানান, স্মারকলিপিতে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৩-এর তৃতীয় ধাপের ৬ হাজার ৫৩১ জন সুপারিশপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকদের অতিদ্রুত নিয়োগ পুনর্বহাল করার দাবি জানানো হয়েছে।

প্রতিনিধিদল সচিবালয়ে গেলেও এখনও জাতীয় জাদুঘরের সামনে অবস্থান করছেন অন্যান্য আন্দোলনকারীরা। এসময় তাদের ‘আপস না সংগ্রাম, সংগ্রাম সংগ্রাম’, ‘থাকার কথা বিদ্যালয়ে, আমরা কেন রাজপথে’, ‘প্রথম ধাপ চাকরি করে, আসরা কেন রাজপথে’, ‘এক নিয়োগে দুই নীতি, মানি না মানব না’, ‘একদফা এক দাবি, চাকরি নিয়ে ফিরব বাড়ি’, ‘আবু সাঈদের বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই’, ‘যোগদান নিয়ে তালবাহানা, চলবে না চলবে না’সহ বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দিতে দেখা যায়।

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে তৃতীয় ধাপে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে চূড়ান্ত ফলে উত্তীর্ণ ৬ হাজার ৫৩১ জনের নিয়োগ বাতিল করেছেন হাইকোর্ট। মেধার ভিত্তিতে পুনরায় নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বিচারপতি ফাতেমা নজীব ও বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজীর হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

এরও আগে, গত বছরের ১৯ নভেম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে তৃতীয় ধাপে ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে চূড়ান্ত ফলে উত্তীর্ণ ৬ হাজার ৫৩১ জনের নিয়োগের কার্যক্রম ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেন হাইকোর্ট।