ঢাকা , শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বান্দরবানের লামায় ৬০টি পর্যটন রিসোর্ট বন্ধ ঘোষণা

দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া ও ভারি বর্ষণে পাহাড় ধসের আশঙ্কায় বান্দরবানে লামা উপজেলায় ৬০টি পর্যটন রিসোর্ট বন্ধ ঘোষণা করেছে উপজেলা প্রশাসন।

রোববার (১ জুন) দুপুরের দিকে লামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার এক জরুরি বৈঠক শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ নির্দেশনা জারি করেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মইন উদ্দিন বলেন, পাহাড়ে ভারী বর্ষণ হচ্ছে, পাহাড় ধসের আশঙ্কাও আছে। এ বর্ষণ আরও কয়েক দিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে। লামার বেশির ভাগ কটেজগুলো পাহাড়ের ওপরে। তাই পাহাড় ধসে যাতে কোনো পর্যটকের প্রাণহানি না ঘটে তাই রিসোর্টগুলো বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে।

তিনি বলেন, ভারী বর্ষণ থামলে এবং পাহাড় ধসের আশঙ্কা কেটে গেলে রিসোর্টগুলো আবারও খুলে দেওয়া হবে।

জেলায় আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সনাতন কুমার মণ্ডল বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় (রোববার বিকাল ৩টা পর্যন্ত) বান্দরবানে ৮৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

এ দিকে বান্দরবানে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অরূপ চক্রবর্তী বলেন, ভারী বৃষ্টির ফলে সাঙ্গু, মাতামুহুরী ও বাকখালী নদীর পানির উচ্চতা বেড়েছে। তবে তা এখনও বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

বান্দরবানের লামায় ৬০টি পর্যটন রিসোর্ট বন্ধ ঘোষণা

আপডেট টাইম : ০৫:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২ জুন ২০২৫

দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া ও ভারি বর্ষণে পাহাড় ধসের আশঙ্কায় বান্দরবানে লামা উপজেলায় ৬০টি পর্যটন রিসোর্ট বন্ধ ঘোষণা করেছে উপজেলা প্রশাসন।

রোববার (১ জুন) দুপুরের দিকে লামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার এক জরুরি বৈঠক শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ নির্দেশনা জারি করেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মইন উদ্দিন বলেন, পাহাড়ে ভারী বর্ষণ হচ্ছে, পাহাড় ধসের আশঙ্কাও আছে। এ বর্ষণ আরও কয়েক দিন অব্যাহত থাকতে পারে বলে আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে। লামার বেশির ভাগ কটেজগুলো পাহাড়ের ওপরে। তাই পাহাড় ধসে যাতে কোনো পর্যটকের প্রাণহানি না ঘটে তাই রিসোর্টগুলো বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে।

তিনি বলেন, ভারী বর্ষণ থামলে এবং পাহাড় ধসের আশঙ্কা কেটে গেলে রিসোর্টগুলো আবারও খুলে দেওয়া হবে।

জেলায় আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সনাতন কুমার মণ্ডল বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় (রোববার বিকাল ৩টা পর্যন্ত) বান্দরবানে ৮৭ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

এ দিকে বান্দরবানে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অরূপ চক্রবর্তী বলেন, ভারী বৃষ্টির ফলে সাঙ্গু, মাতামুহুরী ও বাকখালী নদীর পানির উচ্চতা বেড়েছে। তবে তা এখনও বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি।