ঢাকা , শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তা দেবে সরকার: কৃষিমন্ত্রী ভারি বর্ষণ নিয়ে যে বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস প্রাথমিক-মাধ্যমিকে ১৩৩ বই পরিমার্জন, আসছে চার নতুন বই গ্রামাঞ্চলেও সমান গুরুত্ব দিয়ে চিকিৎসাসেবা প্রদানের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর চট্টগ্রামে পানিবন্দি সাড়ে ৪ লাখ মানুষ, তীব্র খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকট ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়ে ইয়ামাল বললেন, ফ্রান্স যদি কাউকে ভয় পায় সেটা স্পেন নিজেই গাড়ি চালিয়ে স্ত্রীর ক্যাম্পাসে প্রধানমন্ত্রী ইমাম-খতিবদের উদ্দেশে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সতর্কবার্তা অনেকে নিরুৎসাহিত করলেও হাল ছাড়েননি হামিদুল্লাহ, বিক্রি প্রায় ২ লাখ বিয়ের অনুমতি নিতেই মোটা টাকা খরচ টেইলর সুইফটের

যে কারণে হোয়াটসঅ্যাপ বন্ধ করতে চাচ্ছে রাশিয়া

রাশিয়া সরকারের ওপর গুরুতর অভিযোগ তুলেছে হোয়াটসঅ্যাপ। জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপটি বলছে, রাশিয়া তাদের সেবা বন্ধ করার চেষ্টা করছে।  তবে মেটা প্ল্যাটফর্মসের মালিকানাধীন এই সোশ্যাল মিডিয়া কাজ চালু রাখার বার্তা দিয়েছে।

বেশ কয়েক বছর ধরে রাশিয়া ইন্টারনেট জগতে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ বাড়ানোর চেষ্টা করছে। দেশটির সঙ্গে বিদেশি প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্মগুলোর বিরোধও চলছে প্রকাশ্যে। বিশেষ করে কনটেন্ট ও ডেটা সংরক্ষণ নিয়ে রাশিয়ার কড়া আপত্তি আছে। ২০২২ সালে ইউক্রেনে সেনা পাঠানোর পর রাশিয়ার সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপ বা টেলিগ্রামের মতো অ্যাপের ওপর বিরোধ বাড়ে।

তবে হোয়াটসঅ্যাপ এটিকে সাধারণ জনগণের স্বাধীনতার হস্তক্ষেপ হিসেবে দেখছে। হোয়াটসঅ্যাপ এক বিবৃতিতে অভিযোগ করছে, ‘ব্যক্তিগত, এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপ্টেড এবং মানুষের নিরাপদ যোগাযোগের অধিকার লঙ্ঘনের প্রচেষ্টাকে অগ্রাহ্য করে হোয়াটসঅ্যাপ। এ কারণেই রাশিয়া অ্যাপটি ১০ কোটি’রও বেশি রুশ নাগরিকের কাছ থেকে বন্ধ করার চেষ্টা করছে।’

যোগাযোগের অন্যতম অ্যাপটি অবশ্য রাশিয়ায় তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে প্রতিজ্ঞ। একই সঙ্গে টেলিগ্রামও সম্প্রতি রাশিয়ার নাগরিকদের পক্ষ থেকে অভিযোগ শুনেছে।

টেলিগ্রাম জানিয়েছে, তাদের মডারেটররা প্ল্যাটফর্মের প্রকাশ্য অংশগুলো পর্যবেক্ষণে এআই টুল ব্যবহার করছে। যাতে প্রতিদিন লক্ষাধিক ক্ষতিকর বার্তা মুছে ফেলা যায়। বিষয়টি উদ্বেগের হিসেবে নিয়েছে টেলিগ্রাম।

রাশিয়া জানিয়েছে, প্রতারণা, সন্ত্রাসবাদসহ অবৈধ কর্মকাণ্ড ঠেকাতে পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য বারবার অনুরোধ করা হলেও টেলিগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপ তা উপেক্ষা করেছে। দেশটির ডিজিটাল উন্নয়ন মন্ত্রণালয় মন্ত্রণালয়ের মতে, এ ব্লক কেবল কল পরিষেবায় প্রযোজ্য হবে ও প্ল্যাটফরমগুলো রুশ আইন মেনে চললে তা তুলে নেওয়া হবে।

প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সরকারি সেবার সঙ্গে একীভূত একটি রাষ্ট্র-সমর্থিত মেসেজিং অ্যাপ তৈরির অনুমোদন দিয়েছেন। ডিজিটাল সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে মস্কো নিজস্ব প্ল্যাটফরমকে উৎসাহিত করছে এবং হোয়াটসঅ্যাপ ও টেলিগ্রামের মতো বিদেশি সেবার ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে চাইছে। তারপর থেকেই দেশটির হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীরা সমস্যায় পড়েছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তা দেবে সরকার: কৃষিমন্ত্রী

যে কারণে হোয়াটসঅ্যাপ বন্ধ করতে চাচ্ছে রাশিয়া

আপডেট টাইম : ০১:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৫

রাশিয়া সরকারের ওপর গুরুতর অভিযোগ তুলেছে হোয়াটসঅ্যাপ। জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপটি বলছে, রাশিয়া তাদের সেবা বন্ধ করার চেষ্টা করছে।  তবে মেটা প্ল্যাটফর্মসের মালিকানাধীন এই সোশ্যাল মিডিয়া কাজ চালু রাখার বার্তা দিয়েছে।

বেশ কয়েক বছর ধরে রাশিয়া ইন্টারনেট জগতে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ বাড়ানোর চেষ্টা করছে। দেশটির সঙ্গে বিদেশি প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্মগুলোর বিরোধও চলছে প্রকাশ্যে। বিশেষ করে কনটেন্ট ও ডেটা সংরক্ষণ নিয়ে রাশিয়ার কড়া আপত্তি আছে। ২০২২ সালে ইউক্রেনে সেনা পাঠানোর পর রাশিয়ার সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপ বা টেলিগ্রামের মতো অ্যাপের ওপর বিরোধ বাড়ে।

তবে হোয়াটসঅ্যাপ এটিকে সাধারণ জনগণের স্বাধীনতার হস্তক্ষেপ হিসেবে দেখছে। হোয়াটসঅ্যাপ এক বিবৃতিতে অভিযোগ করছে, ‘ব্যক্তিগত, এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপ্টেড এবং মানুষের নিরাপদ যোগাযোগের অধিকার লঙ্ঘনের প্রচেষ্টাকে অগ্রাহ্য করে হোয়াটসঅ্যাপ। এ কারণেই রাশিয়া অ্যাপটি ১০ কোটি’রও বেশি রুশ নাগরিকের কাছ থেকে বন্ধ করার চেষ্টা করছে।’

যোগাযোগের অন্যতম অ্যাপটি অবশ্য রাশিয়ায় তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে প্রতিজ্ঞ। একই সঙ্গে টেলিগ্রামও সম্প্রতি রাশিয়ার নাগরিকদের পক্ষ থেকে অভিযোগ শুনেছে।

টেলিগ্রাম জানিয়েছে, তাদের মডারেটররা প্ল্যাটফর্মের প্রকাশ্য অংশগুলো পর্যবেক্ষণে এআই টুল ব্যবহার করছে। যাতে প্রতিদিন লক্ষাধিক ক্ষতিকর বার্তা মুছে ফেলা যায়। বিষয়টি উদ্বেগের হিসেবে নিয়েছে টেলিগ্রাম।

রাশিয়া জানিয়েছে, প্রতারণা, সন্ত্রাসবাদসহ অবৈধ কর্মকাণ্ড ঠেকাতে পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য বারবার অনুরোধ করা হলেও টেলিগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপ তা উপেক্ষা করেছে। দেশটির ডিজিটাল উন্নয়ন মন্ত্রণালয় মন্ত্রণালয়ের মতে, এ ব্লক কেবল কল পরিষেবায় প্রযোজ্য হবে ও প্ল্যাটফরমগুলো রুশ আইন মেনে চললে তা তুলে নেওয়া হবে।

প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সরকারি সেবার সঙ্গে একীভূত একটি রাষ্ট্র-সমর্থিত মেসেজিং অ্যাপ তৈরির অনুমোদন দিয়েছেন। ডিজিটাল সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে মস্কো নিজস্ব প্ল্যাটফরমকে উৎসাহিত করছে এবং হোয়াটসঅ্যাপ ও টেলিগ্রামের মতো বিদেশি সেবার ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে চাইছে। তারপর থেকেই দেশটির হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীরা সমস্যায় পড়েছেন।