ঢাকা , সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জলাবদ্ধতা দূর করে নগরজীবন স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করছি: ডিএসসিসি প্রশাসক ২০০৯ সালের পর ঢাকায় একদিনে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড ফাঁস হলো স্যামসাং জেড ফোল্ড ৮ আল্ট্রার দাম ও ফিচার হতাশা থেকে মুক্তি দিতে পারে কোরআনের এই ১০ আয়াত চট্টগ্রামের দুর্গতদের পাশে যুবদল সভাপতি মুন্না বর্তমান রিজার্ভ প্রায় ৩৬.০৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার : অর্থমন্ত্রী সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা, পরীমণির বাঁধভাঙ্গা উল্লাস জলাবদ্ধতাকবলিত মানুষের জীবন-সম্পদ রক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা ও সমন্বয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নিতে ইরানের হিট লিস্টে ১৩ বিশ্বনেতা দুই মাস পর ঘুরে দাঁড়ালো সঞ্চয়পত্র বিক্রি

অধ্যাদেশে ভোটার হবার সুযোগ পাচ্ছে নেপালের জেন জি প্রজন্ম

নেপালের প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পাওদেল জেনারেশন-জি বা জেন-জি প্রজন্মের হাজারো তরুণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে একটি অধ্যাদেশ জারি করেছেন। এই অধ্যাদেশের ফলে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার পরও নতুন ভোটাররা ভোটার তালিকায় নাম নিবন্ধন করতে পারবেন।

এর আগে, ২০১৭ সালের ভোটার নিবন্ধন আইনের একটি ধারা অনুযায়ী, নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার পর নতুন ভোটার নিবন্ধন বন্ধ হয়ে যেত। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কিকে শপথ পড়ানোর রাতেই প্রেসিডেন্ট ৫ মার্চ নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেন। ফলে ওই আইন থাকলে অনেক নতুন ভোটার তালিকার বাইরে থেকে যেতেন।

এ অবস্থায় গত মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) প্রেসিডেন্ট জারি করা অধ্যাদেশে পুরনো ধারা বাতিল করে নতুন বিধান যুক্ত করা হয়েছে। সংশোধিত আইন অনুসারে, নির্বাচন কমিশন কর্তৃক ঘোষিত সময়ের মধ্যে ভোটার হিসেবে নিবন্ধন করতে পারবেন।

নেপাল নির্বাচন কমিশনের মুখপাত্র নারায়ণ প্রসাদ ভট্টরাই জানান, এখন থেকে প্রথমে ভোটার নিবন্ধন প্রক্রিয়া শেষ করা হবে, তারপরই নির্বাচনের সময়সূচি ঘোষণা করা হবে।

উল্লেখ্য, ১২ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার দিনই সংসদ ভেঙে দেন সুশীলা কার্কি। তার সরকারের নতুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ওম প্রকাশ আচার্য ঘোষণা দিয়েছিলেন, ভোটার হওয়ার যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও যারা নিবন্ধন করতে পারেননি, তাদের সুযোগ দেওয়া হবে।

এছাড়া, প্রবাসী নেপালিদের ভোটাধিকার নিয়ে কাজ চলছে বলেও জানান তিনি। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে একটি গবেষণা দল গঠন করা হয়েছে।

প্রেসিডেন্ট পাওদেলের এই অধ্যাদেশকে জেনারেশন-জির জন্য একটি বড় সাফল্য হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

উল্লেখ্য, দুর্নীতি ও দুর্বল শাসনের বিরুদ্ধে জেন-জি প্রজন্মের আন্দোলনের মুখেই পূর্বতন সরকারের পতন হয় এবং কার্কির অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতায় আসে। এখন সেই তরুণ প্রজন্মই ভোটের মাধ্যমে দেশের রাজনৈতিক গতিপথ নির্ধারণে অংশ নিতে পারবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

জনপ্রিয় সংবাদ

জলাবদ্ধতা দূর করে নগরজীবন স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করছি: ডিএসসিসি প্রশাসক

অধ্যাদেশে ভোটার হবার সুযোগ পাচ্ছে নেপালের জেন জি প্রজন্ম

আপডেট টাইম : ১১:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নেপালের প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পাওদেল জেনারেশন-জি বা জেন-জি প্রজন্মের হাজারো তরুণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে একটি অধ্যাদেশ জারি করেছেন। এই অধ্যাদেশের ফলে নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার পরও নতুন ভোটাররা ভোটার তালিকায় নাম নিবন্ধন করতে পারবেন।

এর আগে, ২০১৭ সালের ভোটার নিবন্ধন আইনের একটি ধারা অনুযায়ী, নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার পর নতুন ভোটার নিবন্ধন বন্ধ হয়ে যেত। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কিকে শপথ পড়ানোর রাতেই প্রেসিডেন্ট ৫ মার্চ নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেন। ফলে ওই আইন থাকলে অনেক নতুন ভোটার তালিকার বাইরে থেকে যেতেন।

এ অবস্থায় গত মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) প্রেসিডেন্ট জারি করা অধ্যাদেশে পুরনো ধারা বাতিল করে নতুন বিধান যুক্ত করা হয়েছে। সংশোধিত আইন অনুসারে, নির্বাচন কমিশন কর্তৃক ঘোষিত সময়ের মধ্যে ভোটার হিসেবে নিবন্ধন করতে পারবেন।

নেপাল নির্বাচন কমিশনের মুখপাত্র নারায়ণ প্রসাদ ভট্টরাই জানান, এখন থেকে প্রথমে ভোটার নিবন্ধন প্রক্রিয়া শেষ করা হবে, তারপরই নির্বাচনের সময়সূচি ঘোষণা করা হবে।

উল্লেখ্য, ১২ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার দিনই সংসদ ভেঙে দেন সুশীলা কার্কি। তার সরকারের নতুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ওম প্রকাশ আচার্য ঘোষণা দিয়েছিলেন, ভোটার হওয়ার যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও যারা নিবন্ধন করতে পারেননি, তাদের সুযোগ দেওয়া হবে।

এছাড়া, প্রবাসী নেপালিদের ভোটাধিকার নিয়ে কাজ চলছে বলেও জানান তিনি। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে একটি গবেষণা দল গঠন করা হয়েছে।

প্রেসিডেন্ট পাওদেলের এই অধ্যাদেশকে জেনারেশন-জির জন্য একটি বড় সাফল্য হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

উল্লেখ্য, দুর্নীতি ও দুর্বল শাসনের বিরুদ্ধে জেন-জি প্রজন্মের আন্দোলনের মুখেই পূর্বতন সরকারের পতন হয় এবং কার্কির অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতায় আসে। এখন সেই তরুণ প্রজন্মই ভোটের মাধ্যমে দেশের রাজনৈতিক গতিপথ নির্ধারণে অংশ নিতে পারবে।