নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫টি ভবনের ১৫টি কেন্দ্রে ৬৮৯টি বুথে ভোটগ্রহণ করা হচ্ছে। বিকেল ৪টার মধ্যে কেন্দ্রে লাইনে দাঁড়ানো শিক্ষার্থীরা ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবেন।
সরকার পরিবর্তন হলে অনেকেই আর দেশে থাকবে না : রুমিন ফারহান
কেন্দ্রীয় নির্বাচনে মোট ২৬টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৪১৫ জন প্রার্থী। সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে লড়ছেন ২৪ জন এবং সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে আছেন ২২ জন প্রার্থী। ১৪টি হল সংসদে ভোটের লড়াইয়ে নেমেছেন ৪৭৩। প্রতিটি হল সংসদে ১৪টি করে মোট পদের সংখ্যা ১৯৬।
চাকসু নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য প্যানেলগুলো হলো— ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেল, ইসলামী ছাত্রশিবিরের সম্প্রীতির শিক্ষার্থী জোট, বাম ও পাহাড়ি সংগঠনগুলোর নেতৃত্বে ‘বৈচিত্রের ঐক্য’ প্যানেল, স্যাড ও ছাত্র ফেডারেশন সমর্থিত ‘বিনির্মাণ শিক্ষার্থী ঐক্য’, সাবেক সমন্বয়কদের প্যানেল ‘স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী সম্মিলন’, ছাত্র অধিকার পরিষদ ও ইসলামী ছাত্র মজলিস সমর্থিত ‘সর্বজনীন শিক্ষার্থী সংসদ’, ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের ‘সচেতন শিক্ষার্থী সংসদ’, রাজনৈতিক-অরাজনৈতিক শিক্ষার্থীদের নিয়ে ‘সর্বজনীন শিক্ষার্থী ঐক্য পরিষদ’, ছাত্র ইউনিয়ন ও সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের সমন্বয়ে ‘দ্রোহ পর্ষদ’, সুফিবাদী আদর্শে বিশ্বাসী ‘অহিংস শিক্ষার্থী ঐক্য’, বিশ্ব ইনসানিয়াত বিপ্লব স্টুডেন্ট ফ্রন্ট সমর্থিত প্যানেল ‘রেভ্যুলেশন ফর স্টেট অব হিউম্যানিটি’ এবং আংশিক প্যানেল ‘ভয়েস অব সিইউ’।
কোন হলে কত ভোট
নির্বাচন কমিশন প্রকাশিত তথ্যানুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের এ এফ রহমান হলে ভোটার সংখ্যা ১ হাজার ৩০৭, আলাওল হলে ১ হাজার ২৯০ জন, অতীশ দীপংকর হলে ৬৪৯ জন, শাহ আমানত হলে ২ হাজার ২৪৭ জন, শহীদ আব্দুর রব হলে ১ হাজার ৭৭৫ জন, শহীদ ফরহাদ হোসেন হলে ১ হাজার ৭৬০ জন, শাহজালাল হলে ২ হাজার ৬৬৬ জন, সোহরাওয়ার্দী হলে ৪ হাজার ৩৬ জন, মাস্টারদা সূর্য সেন হলে ৫১৬ জন (ছেলে-মেয়ে উভয়), বিজয় চব্বিশ হলে ২ হাজার ৬০৪ জন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া হলে ২ হাজার ৪৮৭ জন, নবাব ফয়েজুন্নেছা হলে ১ হাজার ১৭৯ জন, প্রীতিলতা হলে ২ হাজার ৫৫৫ জন এবং শামসুন্নাহার হলে ২ হাজার ২৯১ জন।
এ ছাড়া শিল্পী রশিদ চৌধুরী নামে একটি হোস্টেল রয়েছে। সেখানে মোট ভোটার ১৫৪ জন।
সতর্ক অবস্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী
চাকসু নির্বাচন ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সতর্কতা চোখে পড়ার মতো। ভোট কেন্দ্রসহ ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট দায়িত্ব পালন করছেন তারা। বহিরাগত প্রবেশ ঠেকাতে রাত থেকেই প্রবেশ গেটে বিশেষ পাহারা বসানো হয়েছে। সেখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি দায়িত্ব পালন করছেন বিএনসিসি, রোভার স্কাউটসের সদস্যরা। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী, শিক্ষার্থী ও গণমাধ্যমকর্মীসহ সংশ্লিষ্টরা স্পেশাল কার্ড দেখিয়ে প্রবেশ করতে পারছেন। মোতায়েন করা হয়েছে ২ হাজারের বেশি পুলিশ, বিশেষায়িত টিম ও সাদা পোশাকধারী ডিবি পুলিশ।

বাঙ্গালী কণ্ঠ ডেস্ক 

























