ঢাকা , মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শেখ হাসিনার ১৪০০ বার ফাঁসি হওয়া উচিত: চিফ প্রসিকিউটর

একটি হত্যার জন্য একবার মৃত্যুদণ্ড হলে শেখ হাসিনার ১৪০০ বার ফাঁসি হওয়া উচিত। তবে এটি সম্ভব নয়। কিন্তু শেখ হাসিনাকে অন্তত একবার মৃত্যুদণ্ড না দেওয়া হলে অবিচার হবে বলে মন্তব্য করেছেন চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) আদালতে যুক্তিতর্কের পর এক ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

তাজুল ইসলাম বলেন, হেলিকপ্টার দিয়ে গুলি, বোম্বিং করার নির্দেশ দিয়েছিলেন শেখ হাসিনা। পাশাপাশি হাসপাতালে গিয়ে আহতদের চিকিৎসা না দেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছিলেন। এ বিষয়গুলো যুক্তিতর্কে তুলে ধরা হয়েছে।

এ সময় ভারতে পালিয়ে গিয়েও শেখ হাসিনা আন্দোলনকারীদের হত্যার হুমকি দিচ্ছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, পৃথিবীর যেকোনো আদালতে এই সাক্ষ্যপ্রমাণ তুলে ধরা হলে তাদের সর্বোচ্চ শাস্তিই হবে। সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন যেহেতু রাজসাক্ষী হয়েছেন সেহেতু তার বিষয়ে ট্রাইব্যুনাল সিদ্ধান্ত নেবে।

এর আগে যুক্তিতর্কে শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সর্বোচ্চ সাজা চায় প্রসিকিউশন। পাশাপাশি আসামিদের সম্পদ বিক্রি করে ভুক্তভোগীদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আবেদনও করে রাষ্ট্রপক্ষ।

এদিকে আগামী ২০ অক্টোবর আসামিদের রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী এই যুক্তি খণ্ডন করবে। এরপর যুক্তি উপস্থাপন শেষ হলে পুনরায় যুক্তি খণ্ডন করবে প্রসিকিউশন। তারপর মামলাটি রায়ের দিকে যাবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

Bangal Kantha

শেখ হাসিনার ১৪০০ বার ফাঁসি হওয়া উচিত: চিফ প্রসিকিউটর

আপডেট টাইম : ০৪:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫

একটি হত্যার জন্য একবার মৃত্যুদণ্ড হলে শেখ হাসিনার ১৪০০ বার ফাঁসি হওয়া উচিত। তবে এটি সম্ভব নয়। কিন্তু শেখ হাসিনাকে অন্তত একবার মৃত্যুদণ্ড না দেওয়া হলে অবিচার হবে বলে মন্তব্য করেছেন চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) আদালতে যুক্তিতর্কের পর এক ব্রিফিংয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

তাজুল ইসলাম বলেন, হেলিকপ্টার দিয়ে গুলি, বোম্বিং করার নির্দেশ দিয়েছিলেন শেখ হাসিনা। পাশাপাশি হাসপাতালে গিয়ে আহতদের চিকিৎসা না দেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছিলেন। এ বিষয়গুলো যুক্তিতর্কে তুলে ধরা হয়েছে।

এ সময় ভারতে পালিয়ে গিয়েও শেখ হাসিনা আন্দোলনকারীদের হত্যার হুমকি দিচ্ছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, পৃথিবীর যেকোনো আদালতে এই সাক্ষ্যপ্রমাণ তুলে ধরা হলে তাদের সর্বোচ্চ শাস্তিই হবে। সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন যেহেতু রাজসাক্ষী হয়েছেন সেহেতু তার বিষয়ে ট্রাইব্যুনাল সিদ্ধান্ত নেবে।

এর আগে যুক্তিতর্কে শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের সর্বোচ্চ সাজা চায় প্রসিকিউশন। পাশাপাশি আসামিদের সম্পদ বিক্রি করে ভুক্তভোগীদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আবেদনও করে রাষ্ট্রপক্ষ।

এদিকে আগামী ২০ অক্টোবর আসামিদের রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী এই যুক্তি খণ্ডন করবে। এরপর যুক্তি উপস্থাপন শেষ হলে পুনরায় যুক্তি খণ্ডন করবে প্রসিকিউশন। তারপর মামলাটি রায়ের দিকে যাবে।